ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ মোকাবিলায় কক্সবাজারে ব্যাপক প্রস্তুতি

dc-cox-foni-2-may.jpg

কক্সবাংলা রিপোর্ট(২ মে) :: ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ মোকাবিলায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসন সহ বিভিন্ন সংস্থার দুর্যোগ কমিটি জরুরী প্রস্তুতি সভা করছে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এরইমধ্যে সব ধরণের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি)র আওতাধীন কক্সবাজারে ৫৩৮টি আশ্রয় কেন্দ্র এবং সাড়ে ৬ হাজার সেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি আগাম সতর্কতা হিসেবে সব ধরনের নৌযান চলাচাল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

কক্সবাজারের শহীদ এটিএম জাফর আলম সম্মেলন কক্ষে বৃহস্পতিবার এক জরুরী সভায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক  মোহাম্মদ আশরাফুল আশরাফ বলেন, ৩ মে আঘাত হানতে পারে ফণী। তাই এটির মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছন তারা। এরইমধ্যে বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী ও উন্নয়ন সংস্থার সাথে দফায় দফায় সভা করা হয়েছে। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে দুর্যোগ মোকাবিলা নিয়ে আগাম প্রস্তুতি মূলক কর্মকান্ড পরিচালিত হচ্ছে। দুর্যোগের সতর্কতা নিয়ে জনসাধারণকে অবহিত করার জন্য ইউনিয়ন পর্যায়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটিও বাতিল করা হয়েছে। ৪ লাখ ৯ হাজার লোকের ধারণক্ষমতা সম্পন্ন জেলার ৫৩৮ টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখার পাশাপাশি বিভিন্ন বিদ্যালয়ভবন, কমিউনিটি সেন্টার ও উপাসানালয় ভবনও প্রস্তুত রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমানে শুকনো খাবারসহ বিভিন্ন সহায়তার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলেন তিনি।

যেহেতু আবহাওয়া বার্তায় জলোচ্ছাস ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে, পাশাপাশি এমন দুর্যোগের পর বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দেয়। তাই পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও চাপকল নিরাপদে ঢেকে রাখার জন্য গ্রাম পর্যায়ে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ঠ বিভাগকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

জরুরী সভায় ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফুল আফসার এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বাহিনীর আঞ্চলিক প্রধানগণ, বিদেশি এনজিওদের আঞ্চলিক প্রধানগণ, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, পৌরসভা মেয়র, দূর্যোগকালীন বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবক সংস্থার প্রধানগণ ও কক্সবাজার জেলার সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ।

 

Share this post

PinIt
scroll to top
bahis siteleri