izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

কক্সবাজারের শরনার্থী শিবিরে সক্রিয় মানবপাচারকারি চক্র : দুই দিনে উদ্ধার ৬৮ রোহিঙ্গা

rohingya-protest-balukhali-25th-august-2-2.jpg
শহিদুল ইসলাম,উখিয়া(১৪ মে) ::  কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা শিবিবি জুড়ে একদল মানব পাচারকারী সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এদের সাথে জড়িত রয়েছে অর্ধশতাধিক স্বীকৃতপ্রাপ্ত মানবপাচার কারী। এদের নানান প্রলোভনে পড়ে রোহিঙ্গারা পাতানো ফাঁদে পা বাড়াচ্ছে। অল্প সময়ে বেশি টাকা  কামানোর উদ্দেশ্য মালয়েশিয়ায় পাড়ি দিচ্ছে। অনেকেই সাগর পথে মালয়েশিয়ায় যাওযার সময় সলিল সমাধি ঘটে।
উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প ভিওিক শতাধিক মানবপাচারকারী রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে।

এদের নিয়োজিত কিছু দালাল ক্যাম্প অভ্যন্তরে ঘুরে ঘুরে নানান প্রলোভন দিয়ে নারী, পুরুষ ও শিশু -কিশোর সংগ্রহ করেন। এসব দালাল সংগ্রহ করা রোহিঙ্গাদেরকে সুযোগ বুঝে অন্য জায়গায় স্থানান্তর করছে। স্হানীয় এনজিও সংস্থার এক ব্যক্তি জানান, গত চারমাসে প্রায় পাঁচ শতাধিক রোহিঙ্গা মানব পাচারের শিকার হয়।

গত দুই দিনে কক্সবাজারের উখিয়া, টেকনাফ ও মহেশখালি থানা পুলিশ বিভিন্ন স্হানে অভিযান চালিয়ে ৬৮জন রোহিঙ্গা নারী, পুরুষ ও কিশোরীদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। টেকনাফের বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা তের মে রাত সাড়ে নয়টার সময় বড় ডেইল এলাকার থেকে এগার রোহিঙ্গাকে অাটক করতে সক্ষম হয়।

অাটককৃতরা হলেন অাবদুর রহমানের স্ত্রী নুর বেগম (১৯),রশিদ উল্লাহর স্ত্রী মিনারা বেগম (২০) মৃত দিল মোহাম্মদের স্ত্রী শুকুরা খাতুন (১৮),অাবদুল হামিদের স্ত্রী সেতারা (১৮),ইসহাকের মেয়ে নুর ফাতেমা (১৫),হাবিবুর রহমানের স্ত্রী হামিদা খাতুন (৩০),হোসেন অাহমদের মেয়ে ইয়াছমিন (১২),হারুনের স্ত্রী কুয়ামিন (৩০),নজজুয়া (১৭),    জয়নাব বিবি (১৬) ও ছমিদা(১৬)।এরা সবাই উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে নিজ নিজ ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানিয়েছেন। গত সোমবার ভোরে ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা উখিয়ার উপকূলীয় জালিয়া পালং ইউনিয়নের ইনানী চরপাড়া এলাকার থেকে স্হানীয়দের সহযোগিতায় নারী পুরুষ সহ ২৩ রোহিঙ্গাকে অাটক করতে সক্ষম হয়। অাটককৃতদের নিজ নিজ ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

অাটককৃতরা হলেন হাজেরা খাতুন, নেছারুস,মদিনা,রফিকা বেগম, হাসিনা, রোকেয়া বেগম, সেতারা বেগম, হুমায়ারা বেগম,সামসুর নাহার, হাফিজুর রহমান,সালামত উল্লাহ, রেজুয়ান অাহমদ,জমিলা খাতুন,রাসমিন অাকতার,মোহাম্মদ রশিদ,ইয়াছমিন অাকতার,তাহমিনা, অাকলিমা, অায়াস উদ্দিন,ফাতেমা, কাউসার বিবি, উম্মে হাবিবা,ও সাবেকুর নাহার।এরা সবাই উখিয়ার বালুখালী, কুতুপালং ও জামতলী রোহিঙ্গা  ক্যাম্পের বাসিন্দা।

বালুখালি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন মানব পাচারকারীদের ধরতে পুলিশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া ক্যাম্প অভ্যন্তরে বসবাস কারী মাঝিদের সাথে বৈঠকের মাধ্যমে মানব পাচারের কুফল সম্পর্কে জানানো হবে।

উখিয়ার বালুখালি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নুরুল অামিন মাঝি বলেন,স্হানীয় দালালদের সহযোগিতায় রোহিঙ্গা মানব পাচারের শিকার হচ্ছে। মানবপাচার রোধ করতে হলে রোহিঙ্গাদের কাজ দিতে হবে।

একই ক্যাম্পের সাকের মাঝি বলেন,ক্যাম্প অভ্যন্তরের কিছু যুবক নানান প্রলোভন দিয়ে রোহিঙ্গা নারীদের নিয়ে যাচ্ছে। এখন ও পযর্ন্ত কোন রোহিঙ্গা তার ব্লক থেকে পাচারের শিকার হয়নি। উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইনচার্জ রেজাউল করিম  বলেন, কিছু সংখ্যক রোহিঙ্গা পাচারের শিকার হয়েছে বলে শুনেছি। এসব ব্যাপারে খোঁজ খবর  নেওয়া হবে।

উখিয়ার বালুখালি রোহিঙ্গা  ক্যাম্পের ইনচার্জ শেখ হাফিজুর রহমান বলেন রোহিঙ্গারা যাতে পাচারের শিকার না হয় সেদিকে লক্ষ্য  রাখতে হবে। উল্লেখ্য টেকনাফের বাহার ছড়া এলাকা থেকে গত ১২তারিখ অাট রোহিঙ্গা কে অাটক করে পুলিশ।

উখিয়া থানার  ওসি অাবুল খায়ের বলেন মানবপাচারকারীরা জাতির শত্রু। এদের কে অাইনের অাওতায় অানা হবে। পুলিশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Share this post

PinIt
scroll to top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri