izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল নিশ্চিত করল বাংলাদেশ

ban-final.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(১৪ মে) :: পরপর দুই ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচের মতো এ ম্যাচেও ব্যাটিং-বোলিংয়ে দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়েছে মাশরাফি বাহিনী। শুরুতেই ফাইনালে ওঠার ম্যাচে বল হাতে পথটা দেখিয়ে দিলেন মাশরাফি বিন মর্তুজা, মুস্তাফিজুর রহমান, সাকিব আল হাসানরা। আড়াইশর নিচেই থাকল ক্যারিবীয়দের পুঁজি। নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৯ উইকেটে ২৪৭ রান। সৌম্য-মুশফিক-মিঠুনদের ব্যাটে সেই লক্ষ্য ৫ উইকেট ও ১৬ বল হাতে রেখে টপকে যায় বাংলাদেশ। মুশফিকের ৬৩ রানের আগে সৌম্য করেন ৫৪ রান। ৪৩ রান করে আউট হন মোহাম্মদ মিঠুন।

চলতি ত্রিদেশীয় সিরিজে প্রথম দেখায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের দেয়া ২৬১ রান ৫ ওভার হাতে রেখেই টপকে যায় বাংলাদেশ। ম্যাচে জয় ৮ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে। গতকাল ডাবলিনের ম্যালাহাইডে ক্লনটার্ফের ম্যাচের চেয়েও উজ্জ্বল ছিলেন টাইগার বোলাররা। ওই ম্যাচে আগুন ঝরিয়েছিলেন মাশরাফি একাই। আঁটসাঁট বোলিং করে ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যানদের শান্ত রেখেছিলেন সাকিব। আর শেষ দিকে উইকেট পেয়েছিলেন সাইফউদ্দিন ও মুস্তাফিজুর রহমান।

ক্লনটার্ফে ২ উইকেট পেলেও ১০ ওভারে ৮৪ রান খরচ করতে হয় মুস্তাফিজুর রহমানকে। আগের ম্যাচের মতো গতকালও বল হাতে সামনে থেকেই নেতৃত্ব দেন মাশরাফি। তবে স্বরূপে ফিরেছেন মুস্তাফিজ। বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশের জন্য এর চেয়ে স্বস্তির খবর আর হতে পারে না। সর্বোচ্চ শিকারিও এই কাটার মাস্টার। ৯ ওভারে ৪৩ রান খরচায় তিনি পেয়েছেন ৪ উইকেট। আগের ম্যাচের মতো অবশ্য উইকেটশূন্য থাকেননি ভরসার নাম সাকিব। ১০ ওভারে মাত্র ২৭ রান খরচায় পান এক উইকেট। সাকিবের মতো না হলেও রান খরচের দিক থেকে যথেষ্টই কৃপণ ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজও। ১০ ওভারে ৪১ রান দিয়ে এই অফস্পিনার পেয়েছেন ১ উইকেট। বাংলাদেশের বোলারদের এই সমন্বিত পারফরম্যান্সের ফল, আড়াইশর নিচে আটকে গেছে নিয়মিত রান উৎসব করা ক্যারিবীয়রা।

এবারের টুর্নামেন্টে একমাত্র দল হিসেবে অপরাজিত থাকার গৌরব ধরে রাখার পাশাপাশি ম্যাচটি ছিল বাংলাদেশের জন্য ফাইনালে ওঠার মিশন। ম্যাচে টস হার দিয়ে শুরু হলো টাইগারদের। বড় স্কোর গড়ার আশায় টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামল তারা। একটা ভালো শুরুর ইঙ্গিতও দিচ্ছিলেন দুই রান মেশিন শাই হোপ ও সুনীল অ্যামব্রিস। কিন্তু বিপজ্জনক হয়ে ওঠার আগেই ৩৭ রানের এই জুটি ভেঙে দিলেন মাশরাফি। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করা অ্যামব্রিস ধরা পড়লেন স্লিপে। এ সময় ঝাঁপিয়ে পড়ে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন সৌম্য সরকার। উদ্দীপ্ত হয়ে উঠলেন বোলাররা। ব্যক্তিগত ৬ রানের মাথায় মাশরাফির বলে সহজ ক্যাচ দেন ড্যারেন ব্রাভো। সহজ ক্যাচ তালুবন্দি করতে পারেননি মিরাজ। তবে এর প্রায়শ্চিত্ত ভালোভাবেই করলেন এই অফস্পিনার। ৬ রানেই মিরাজের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়লেন ব্রাভো।

শাই হোপ প্রান্ত আগলে রাখলেও ক্যারিবীয় মিডলঅর্ডারকে থিতু হতে দেননি মুস্তাফিজ। মাত্র ১০ রানের মধ্যে রোস্টন চেজ (১৯) ও জোনাথন চার্টারকে (৩) শিকারে পরিণত করেন মুস্তাফিজ। উইন্ডিজ স্কোরবোর্ডে তখন ৯৯/৪। ব্যাটের ওপর সুস্পষ্ট বলের প্রাধান্য। এখান থেকে দলকে টেনে তোলেন হোপ ও ক্যারিবীয় কাণ্ডারি জ্যাসন হোল্ডার। পঞ্চম উইকেটে ১১২ বলের জুটিতে ১০০ রান যোগ করেন দুজনে। আগের ম্যাচে স্লগে ক্যারিবীয়দের সাজানো বাগান ধ্বংস করে দিয়েছিলেন মাশরাফি।

এ যাত্রায়ও একই তাণ্ডব করলেন টাইগার অধিনায়ক। ফিরিয়ে দিলেন বাংলাদেশের যমদূত বিবেচিত হোপকে। আগের তিন ম্যাচেই বাংলাদেশের বিপক্ষে সেঞ্চুরি পাওয়া হোপ আউট হন ৮৭ রানে। পরের ওভারেই তুলে নিলেন উইন্ডিজ অধিনায়ককে। ৬২ রানে সাজঘরমুখো হলেন হোল্ডার। সঙ্গে সঙ্গেই শেষ হয়ে যায় ক্যারিবীয়দের বড় ইনিংস গড়ার স্বপ্ন। শেষ দিকে রান তোলার চেয়ে পুরো ৫০ ওভার টিকে থাকার ওপরই জোর দেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। উদ্দেশ্য সফল হলেও আড়াইশর নিচে থেকেই ইনিংস শেষ করতে বাধ্য হয় ক্যারিবীয়রা। স্লগে মাশরাফি যে তাণ্ডব শুরু করেন। তাকে সার্থক করেন মুস্তাফিজ-সাকিবরা।

Share this post

PinIt
scroll to top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri