izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

চীন-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যে পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরোপে বিশ্বের শেয়ারবাজারে বড় দরপতন

USA-China-trade-war-share-market-fall.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(১৫ মে) :: যুক্তরাষ্ট্রের ৬ হাজার কোটি ডলারের পণ্যে চীনের পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণায় বিশ্বের প্রধান শেয়ারবাজারগুলোয় ব্যাপক দরপতন লক্ষ করা গেছে। চীনা ঘোষণার প্রথম প্রভাব পড়ে ওয়াল স্ট্রিটে। এরপর গতকাল বিশ্বের অন্যান্য প্রধান শেয়ারবাজারে দরপতন দেখা দেয়।

চীন পাল্টা শুল্ক আরোপ করলে বাণিজ্য সংঘাত আরো তীব্রতর হবে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই হুমকি অবজ্ঞা করে চার সহস্রাধিক মার্কিন পণ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে বেইজিং। গত শুক্রবার কোনো চুক্তি ছাড়া আলোচনা শেষ হলে ২০ হাজার কোটি ডলারের চীনা পণ্যে শুল্ক বৃদ্ধির ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে বেইজিংয়ের পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরোপের পরিপ্রেক্ষিতে চীনের আরো ৩০ হাজার কোটি ডলারের পণ্যে নতুন করে শুল্ক আরোপের প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প।

চীন-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্যযুদ্ধ নতুন এ মাত্রা পাওয়ায় বিশ্বের শেয়ারবাজারগুলোয় এর প্রভাব পড়েছে। দীর্ঘ সাপ্তাহিক ছুটি শেষে মঙ্গলবার লেনদেন শুরু হলে প্রথমেই হোঁচট খায় হংকংয়ের শেয়ারবাজার। হ্যাং সেং ও সাংহাই সূচকের পতন হয়েছে যথাক্রমে ১ দশমিক ৭০ শতাংশ ও শূন্য দশমিক ২০ শতাংশ। মধ্যাহ্নবিরতির পূর্ব পর্যন্ত টোকিও শেয়ারবাজারে দরপতন হয়েছে শূন্য দশমিক ৭০ শতাংশ।

সিডনি ও সিঙ্গাপুর শেয়ারবাজারে দরপতন হয়েছে ১ শতাংশীয় পয়েন্টের বেশি করে। এদিকে ম্যানিলা ও জাকার্তা উভয়েরই পতন হয়েছে ১ দশমিক ৬০ শতাংশ। তাইপে ও ওয়েলিংটনেও শেয়ারদরে পতন হয়েছে, যদিও সিউলে শেয়ারদর কিছুটা বেড়েছে।

ফিডেলিটি ইন্টারন্যাশনালের বিনিয়োগ বিভাগের পরিচালক মেধা সামান্ত ব্লুমবার্গ টিভিকে বলেন, ‘স্বল্পমেয়াদে মনে হচ্ছে এ অস্থিরতা বহাল থাকবে কিন্তু আমরা অনেক দিন ধরেই বাজারে ঝুঁকির আসা-যাওয়া দেখেছি।’

বিশ্ববাজারে ধাক্কাটা লাগে যখন ওয়াল স্ট্রিটের নাসডাকে ২০১৯ সালের সবচেয়ে খারাপ দিন আসে এবং তিন মাসের সর্বনিম্নে নেমে আসে ডাও সূচক।

বিশ্বের শীর্ষ দুই অর্থনীতির মধ্যে পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে খাদ্য, ভোক্তাপণ্য থেকে শুরু করে কেমিক্যালস ও মেশিনারিসহ চার হাজারেরও বেশি মার্কিন পণ্যে শুল্ক বাড়ানো হচ্ছে। আগামী মাস থেকে শুল্ক বৃদ্ধি কার্যকর হচ্ছে।

চীনের পাল্টা শুল্ক আরোপে সবচেয়ে ক্ষতির আশঙ্কায় রয়েছে অ্যাপল, বোয়িং ও ক্যাটারপিলারের মতো কোম্পানিগুলো। গত জুলাইয়ে শুরু হওয়া বাণিজ্যযুদ্ধে চীনের রফতানি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে উভয় দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি কমিয়ে দিয়েছে।

২০১৯ সালের প্রথম তিন মাসে আয় হ্রাস পাওয়ার পেছনে বাণিজ্যযুদ্ধকে দায়ী করেছে অ্যাপল। এদিকে নির্মাণ স্থাপনা কোম্পানি ক্যাটারপিলার বলছে, চীনা শুল্কে ২০১৮ সালে তাদের ১০ কোটি ডলার লোকসান হয়েছে।

চীনের রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমসের বরাতে জানা গেছে, বোয়িংয়ের নতুন ক্রয়াদেশ কমিয়ে দেয়া ও মার্কিন কৃষিপণ্য বয়কটের কথা ভাবছে বেইজিং।

গতকাল ডাও জোনসের ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ ৬০০ পয়েন্টের বেশি হারায়। জানুয়ারির পর এবারই সবচেয়ে বেশি দরপতন দেখল এসঅ্যান্ডপি-৫০০ ও ডাও জোনস। বিরোধের দ্রুত সমাধানের স্থলে প্রলম্বিত বাণিজ্যযুদ্ধের আশঙ্কায় বাজারে এ প্রভাব পড়েছে।

৩৯ পয়েন্ট পতন হয়ে লন্ডনে ব্লু চিপ এফটিএসই-১০০ সূচক দাঁড়িয়েছে ৭,১৬৩, যা গত ১৩ মার্চের পর সর্বনিম্ন। ইউরোপ বিস্তৃত স্টকস-৬০০ সূচক দুই মাসের সর্বনিম্নে দাঁড়িয়েছে। ভোক্তাপণ্য তৈরিকারক ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এ পতনে ভূমিকা রেখেছে।

ট্রাম্প যখন চীনের আরো ৩০ হাজার কোটি ডলারের পণ্য আমদানিতে শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা করছেন, তখন বেইজিং ইঙ্গিত দিচ্ছে তারা তাদের কাছে থাকা মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের কিছু অংশ বিক্রি করে দিতে পারে।

গার্ডিয়ান, সিএনএন বিজনেস ও এএফপি

Share this post

PinIt
scroll to top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri