izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

ঢাকাস্থ রামু সমিতির ইফতার ও গুণীজন সংবর্ধনা ১৭ মে : উপস্থিত থাকবেন বিশিষ্টজনেরা

ramu-samiti-Ad.jpg

বার্তা পরিবেশক(১৫ মে) :: আগামী ১৭ মে গণপূর্ত অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে রামু সমিতির ইফতার মাহফিল, গুণীজন সম্মাননা ও নতুন কার্যকরী কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত হবে। এতে রামু সমিতির সদস্যরা ছাড়াও কক্সবাজার তথা দেশের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন।

এ আয়োজন উপলক্ষে রামু সমিতির কার্যকরী কমিটি বিভিন্ন উপ-কমিটিতে বিভক্ত হয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। গত ১০ মে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় কার্যকরী কমিটির প্রায় পঁচিশজন সদস্য উপস্থিত থেকে গুণীজন সংবর্ধনা, ইফতার ও নতুন কার্যকরী কমিটির অভিষেকের প্রস্তুতি পরিকল্পনা সম্পন্ন করেন।

রামু সমিতির সভাপতি নুর মোহাম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই প্রস্তুতি সভায় সিনিয়র সহ সভাপতি ও সাবেক সচিব মাফরুহা সুলতানা, ডাক বিভাগের সাবেক মহাপরিচালক বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মোমেন চৌধুরী, গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক মহাপরিচালক জান্নাত-ই-কাওনাইন সহ অধিকাংশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সবার মতামতের ভিক্তিতে সিদ্ধান্ত হয়- আগামি শুক্রবার কক্সবাজার-রামু’র দুজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে “রামু সমিতি সম্মাননা” প্রদান করা হবে যারা নিজেদের দক্ষতা, যোগ্যতা, পরিশ্রম দিয়ে স্ব স্ব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠা পেয়ে বাংলাদেশ তথা সারা বিশ্বে সুনাম অর্জন করেছেন।

রামু সমিতির সহ সভাপতি সুজন শর্মা বলেন, “রামু সমিতি-ঢাকা ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে ঢাকার বুকে একখন্ড রামু। এটি একটি স্বাধীন, অরাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন। যার প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই ঢাকাস্থ রামু বাসীদের ঐক্য, সম্প্রীতি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, রামু সমিতি-ঢাকা জাতীয়ভাবে স্বীকৃত একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। আমি সাধারণ সম্পাদক থাকাকালীন সময়ে “রামু উৎসব ২০১৮” প্রকাশনাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শুভেচ্ছা বাণী দিয়ে এই সমিতির গতিশীলতা কামনা করেছেন।

এবারের ইফতার আয়োজন নিয়ে সাধারণ সম্পাদক সাইমুল আলম চৌধুরী আশা প্রকাশ করে বলেন, রামু সমিতি বর্তমানে রামু তথা কক্সবাজারকেই প্রতিনিধিত্ব করছে ঢাকার বুকে। তিনি বলেন, রামু সমিতি সংকীর্ণতার উর্ধ্বে থেকে কক্সবাজার জেলার যে কোন কৃতিত্ব, অর্জনকে স্বীকৃতি, পুরস্কৃত করতে চেষ্টা করে।

২০০০ সালে প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই এ সমিতির সঙ্গে জড়িত বর্তমান যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইসলাম। তিনি এবারের আয়োজনের প্রস্তুতি সম্বন্ধে বলেন, “ঢাকাস্থ রামু-কক্সবাজারবাসীরা সবসময় অপেক্ষায় থাকে আমাদের যে কোন আয়োজনের জন্য।কারণ, আমাদের যে কোন আয়োজনই পরিণত হয় ঢাকাস্থ রামু কক্সবাজারবাসীর পূনর্মিলনীতে”।

রামু সমিতির নতুন কার্যকরী কমিটির অর্থ সম্পাদক আব্দুল হাকিম বলেন, সমিতি এ ধরণের আয়োজন সদস্য, শুভাকাঙ্ক্ষীদের বিভিন্ন অবদানের মাধ্যমে সম্পন্ন করে।

উল্লেখ্য, রামু সমিতি-ঢাকা সমাজসেবা অধিদফতরের স্বীকৃত প্রাপ্ত একটি সমবায় সমিতি যাদের মূল উদ্দেশ্য ঢাকাস্থ রামু তথা কক্সবাজারবাসীদের সম্প্রীতি, সৌহার্দ্যকে অক্ষুণ্ণ রাখা।

রামু সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহিব্বুল মোক্তাদীর তানিম বলেন, রামু সমিতি-ঢাকা সাংগঠনিক ভাবে শক্তিশালী একটি সংগঠন। এখানে দল-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই ভ্রাতৃসুলভ মনোভাব নিয়ে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বলেন, “সদ্য গঠিত একত্রিশ সদস্যের কার্যকরী কমিটির প্রতিটি সদস্য নিজ নিজ দায়িত্ব সম্বন্ধে সচেতন এবং আমাদের কার্য পরিকল্পনানুযায়ী সকল সদস্য কাজ করছে। এই কার্য পরিকল্পনার একটি ধারাবাহিক আয়োজন প্রতিবছরের মত এবারের ইফতার ও গুণীজন সংবর্ধনা।“

প্রচার-প্রকাশনা সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন রামু সমিতির সব আয়োজনে অনলাইন, ইলেক্ট্রনিক, প্রিন্ট মিডিয়া যেভাবে সহযোগিতা করে তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এবারের আয়োজনের সফলতা কামনা করেন।

নতুন কার্যকরী কমিটির যুগ্ম আহবায়ক এডভোকেট রাবেয়া হক বলেন, গত মার্চ মাসে বাৎসরিক পিকনিক সফল ভাবে সম্পন্ন করার পর এবারের এই বৃহৎ আয়োজন।এই আয়োজনও অতীতের মত সুন্দর ও প্রাণবন্ত হবে ।

সমিতির বিশেষ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আগামি ১৭ মে শুক্রবার বিকেল চারটায় গণপূর্ত অধিদফতরের দ্বিতীয় তলার সেমিনার রুমে ঢাকাস্থ রামুবাসীকে উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

Share this post

PinIt
scroll to top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri