izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

কক্সবাজার তবলা ইন্সটিটিউট’ এর শাস্ত্রীয় সঙ্গীত সন্ধ্যা ‘চতুরঙ্গ’ এ মনের কালিমা দূর করার প্রত্যয়

DSC08629.jpg

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি(২১ মে) :: সঙ্গীত আমাদের শুদ্ধ পথে চলতে সাহায্য করে। মনের কালো দূরীভূত করে সেখানে আলোর স্পর্শ আনে। সঙ্গীতের এ প্রভাব তাত্ত্বিকভাবেই স্বীকৃত। সঙ্গীতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে, মনের কালিমা দূরীভূত করে আলোতে আনতেই ‘কক্সবাজার তবলা ইন্সটিটিউট’ এর আয়োজনে শাস্ত্রীয় সঙ্গীত সন্ধ্যা ‘চতুরঙ্গ’ ।

গত ২০ মে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের উদ্বোধন করেন মৃৎ শিল্পী নেপাল চন্দ্র ভট্টাচার্য্য।

উদ্বোধনী বক্তব্যে কক্সবাজারের বিশিষ্ট মৃৎ শিল্পী নেপাল চন্দ্র ভট্টাচার্য্য বলেন, শাস্ত্রীয় সঙ্গীত আদি এবং অকৃত্রিম। যাদের মাঝে সুর থাকে, রং থাকে, তারা মানবিক হয়। সুরের ধারা যত বহমান হবে জাতি এগিয়ে যাবে।

আবৃত্তি শিল্পী এড. প্রতিভা দাশ এর সঞ্চালনায় ও প্রতিষ্ঠানের পরিচালক সচিব কর্মকার তিলকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত সঙ্গীত সন্ধ্যার প্রথম পরিবেশনা ছিল কক্সবাজার তবলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের সমবেত তবলার লহড়া।

লহড়া পরিবেশনা শেষে সংক্ষিপ্ত কথামালায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট কক্সবাজারের সভাপতি সত্যপ্রিয় চৌধুরী দোলন, সঙ্গীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সঙ্গীতায়তনের সভাপতি এড. সেলিম নেওয়াজ, সঙ্গীত শিল্পী রায়হান উদ্দিন, নাট্য নির্দেশক স্বপন ভট্টাচার্য্য, কক্সবাজার থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদক এড. তাপস রক্ষিত, ঝিনুকমালা খেলাঘর আসরের সভাপতি সুবিমল পান্না, সঙ্গীত শিল্পী ফারুক আহমেদ এবং আরো অনেকে।

অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বিশেষ অবদান রাখায় তবলা বাদক মিল্টন ভট্টাচার্য্যকে কক্সবাজার তবলা ইন্সটিউটের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। আমন্ত্রিত শিল্পী ছিলেন ভারতের সমীর আচার্য্য (তবলা), অরণ্য চৌধুরী (সন্তুর), তণুলা চক্রবর্তী (কণ্ঠ), প্রত্যয় বড়–য়া অভি (বাংলাদেশ), রেজাউল করিম (এস্রাজ), প্রাত দাশ (কানাডা)। আমন্ত্রিত অতিথিদের বরণ করে নেন অনুষ্ঠানের অতিথিবৃন্দ।

এসময় বক্তারা বলেন, শাস্ত্রীয় সঙ্গীত আমাদের মনের কালিমা দূর করে সামনে এগোনোর প্রেরণা জোগায়। শাস্ত্রীয় সঙ্গীত এমন একটি মাধ্যম, যা আমাদের খারাপ থেকে দূরে টেনে এনে শুভ কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে। এরপরই শুরু হয় আমন্ত্রিত শিল্পীদের পরিবেশনা।

সমীর আচার্য্য, প্রাত দাস এবং অরণ্য চৌধুরীর তবলা ও সন্তুর এর যুগলবন্দী ছিল বিশেষ উপভোগ্য।

পরে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত পরিবেশন করেন, তণুলা চক্রবর্তী। সর্বশেষ কক্সবাজার তবলা ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থীদের সনদপত্র বিতরণের মাধ্যমে পুরো অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

Share this post

PinIt
scroll to top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri