কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবির ঘিরে সক্রিয় ইয়াবা কারবারিরা

rohingya-camp-balukhali-yaba.jpg

শহিদুল ইসলাম,উখিয়া(২৫ মে) :: কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা শিবির ঘিরে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন রাত হলে ক্যাম্প অভ্যন্তরে চলছে মাদকের হাট। স্হানীয়দের সাথে পাল্লা দিয়ে রোহিঙ্গারা এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

কক্সবাজারের উখিয়া -টেকনাফের ত্রিশটি রোহিঙ্গা ক্যাম্প রয়েছে। এখানে রয়েছে এগার লাখের অধিক রোহিঙ্গার বসতি। স্হানীয় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী,বিজিবি,র্ র্যাবের হাতে রোহিঙ্গা ইয়াবা কারবারি নিহত হচ্ছেন প্রতিনিয়ত। রোহিঙ্গা ইয়াবা কারবারিরা ধরাছোঁয়ার বাহিরে রয়ে যায়। স্হানীয়রা বলেছেন সীমান্তে ইয়াবা পাচার বন্ধ করতে হলে বাংলাদেশ -মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটা তারের বেড়া দিতে হবে।

অন্যথায় মাদক পাচার বন্ধ হবে না। তারা আরো বলেন মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা বিপুল পরিমান ইয়াবা এনে ক্যাম্প অভ্যন্তরে মজুদ করেন। সেখান থেকে প্রতিরাতে ইয়াবার চালান দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলে যাচ্ছে।

উখিয়ার বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘুরে ও রোহিঙ্গাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে,কিছু সংখ্যক রোহিঙ্গা ইয়াবা পাচারের সাথে জড়িত রয়েছে। রোহিঙ্গারা নাফ নদীতে মাছ শিকার করতে যায়। আসার সময় মাছের সাথে ইয়াবা আনছে। ছোট বড় পাঁচশতাধিক ইয়াবা কারবারি রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সম্প্রতি উখিয়া আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় বক্তৃতারা বলেন রোহিঙ্গারা ইয়াবা পাচারের জড়িত রয়েছে। এদেরকে আইনের আওতায় আনতে হবে।

উখিয়ার কুতুপালং, লম্বাশিয়া, মধুরছড়া, বালুখালী,জুমের ছড়া, ময়নার ঘোনা, জামতলী, হাকিমপাড়া ও বার্মা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অভ্যন্তরে কিছু কিছু দোকানের মদির দোকানের আড়ালে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত মঙ্গলবার রাতে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইয়াবার বেচা বিক্রির টাকার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে দুগ্রুপের মধ্যে সংর্ঘঘের ঘটনা ঘটে। উক্ত ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গত বুধবার সকালে উখিয়া কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাত রোহিঙ্গাকে আটক করতে সক্ষম হয়।

পরে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরের ক্যাম্প ইনচার্জ রেজাউল করিমের নিকট হাজির করা হলে প্রত্যেক রোহিঙ্গাকে একবছর সাজা প্রদান করেন।

পরে সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের উখিয়া থানায় সোর্পদ্দ করেন।উখিয়া থানার তদন্ত ওসি নুরুল ইসলাম বলেন গত কয়েকদিন আগে ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে ক্যাম্প ইন চার্জ সাত রোহিঙ্গাকে এক বছর কে সাজা দেন। ধৃত রোহিঙ্গাদের কক্সবাজার জেল হাজতে প্রেরন করা হয়।

উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরের শীর্ষ ইয়াবা কারবারি জিয়াবুল হক এখন জেল হাজতে বসে ইয়াবা ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে।

উখিয়া উপজেলা পরিষদের নব নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী বলেন মাদকের সাথে আপোষ নেই। পুরো উখিয়া উপজেলার সকল ইয়াবা কারবারিদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

উখিয়া কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবির ইনচার্জ রেজাউল করিম বলেন কিছু কিছু রোহিঙ্গা মাদক ব্যবসা করছে বলে শুনেছি। শীঘ্রই ক্যাম্প পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালানো হবে।

Share this post

PinIt
scroll to top
alsancak escort bornova escort gaziemir escort izmir escort buca escort karsiyaka escort cesme escort ucyol escort gaziemir escort mavisehir escort buca escort izmir escort alsancak escort manisa escort buca escort buca escort bornova escort gaziemir escort alsancak escort karsiyaka escort bornova escort gaziemir escort buca escort porno