পেকুয়ায় মাদ্রাসা ছাত্রী ও মাকে কুপিয়ে জখম

kopea-jkm.jpg

নাজিম উদ্দিন,পেকুয়া(২৭ মে) :: পেকুয়ায় মগনামা শাহ রশিদিয়া আলিম মাদ্রাসার ৮ম শ্রেনীর ছাত্রী হালিমা বেগম (১৪) ও তার মা মনোয়ারা বেগম (৪৫) কে কুপিয়ে জখম করেছে দুবৃর্ত্তরা। স্থানীয়রা মা ও মেয়েকে উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। ঘটনার জের ধরে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। পেকুয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মাদ্রাসা ছাত্রী হালিমা বেগমের জখম গুরুতর বলে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক নিশ্চিত করেছে।

২৬ মে (রবিবার) বিকেল ৪ টার দিকে উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের পশ্চিমকুল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। জখমী হালিমা বেগম ওই গ্রামের আবদু রশিদের মেয়ে ও মনোয়ারা বেগম তার মাতা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ঘটনার দিন বিকেলে একদল দুবৃর্ত্তরা পশ্চিমকুল গ্রামের বদরুদ্দৌজার ছেলে আবদু রশিদের বসতবাড়িতে হানা দেয়। এ সময় দেশীয় তৈরী ধারালো অস্ত্র কিরিচ, লোহার রড নিয়ে বাড়ি ভাংচুর চালায়। তারা ব্যাপক লুটপাট ও মালামাল লুট করছিল। এ সময় আবদু রশিদের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম মেয়ে মগনামা শাহ রশিদিয়া মাদ্রাসার ছাত্রী হালিমা বেগম এদেরকে নিবৃত করার চেষ্টা করছিলেন। উত্তেজিত লোকজন মাদ্রাসা ছাত্রী হালিমা বেগমকে ধারালো কিরিচ নিয়ে মাথায় কুপ দেয়।

এ সময় তার মাথার উপরিভাগ কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম হয়। মা মনোয়ারা বেগমকে শ্লীলতাহানিসহ টানা হেচঁড়া করে। এ সময় ওই নারীকেও লোহার রড ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে জখম করে।

আবদু রশিদ জানায়, প্রতিবেশী আবদু শুক্কুর, মাহামুদ রশিদ তার ছেলে তৌহিদ ও সৎ ভাই রেজাউল করিমসহ ৬/৭ জনের দুবৃর্ত্তরা অস্ত্র স্বস্ত্র নিয়ে বাড়ি আক্রমন করে। তারা আমার স্ত্রী ও মেয়ে হালিমাকে নিষ্টুর কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে। স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে। ২০ শতক জায়গা ও বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করতে মুলত এ তান্ডব।

হালিমার মা মনোয়ারা জানায়, তারা সন্ত্রাসী, আমরা ৩ জন আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছি। আমাকে লোহার রড নিয়ে পেটায়। আমার মেয়ে হালিমাকে মাথায় কুপিয়ে জখম করে। স্বামীকেও ইটপাটকেল ছুড়ে আঘাত করে।

Share this post

PinIt
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri