কক্সবাজার সৈকতের বালুচর থেকে সকল স্থাপনা সরিয়ে নেয়া হবে : জেলা প্রশাসক

dc10.jpg

এম.এ আজিজ রাসেল(১০ জুন) :: ২৪ ঘন্টার মধ্যে বালিয়াড়ি থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার নির্দেশ দিয়েছেন বীচ ম্যানেজমেন্ট সভাপতি জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন। পাশাপাশি সেখান থেকে সব স্থাপনাও সরিয়ে নেয়া হবে। এ বিষয়ে বুধবার বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

কয়েকদিন বেশ আলোচিত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টের অবৈধ দোকান নির্মাণ উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিদর্শনকালে মঙ্গলবার (১০ জুন) বিকাল সাড়ে ৫টায় তিনি এ কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, দেশের প্রধান পর্যটন শহর কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতটি দেশবাসীর জন্য এক অমূল্য সম্পদ। এ সম্পদকে অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে মুক্ত রাখতে হবে। কারা এ সম্পদ অবৈধভাবে দখল করতে চেয়েছে তাদেরকে খুঁজে বের করার জন্য ইতোমধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদের আইনের আওতায় এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ভবিষ্যতে যাতে কেউ এভাবে অবৈধ দখল করতে না পারে সেলক্ষ্যে জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ নজরদারীর ব্যবস্থা গ্রহণসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহজাহান আলি, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (পর্যটন ও প্রটোকল) এস.এম. সরওয়ার কামাল, কক্সবাজার, সহকারী কমিশনার (পর্যটন ও প্রটোকল), মো: সাইফুল আশরাফ জয়, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান, বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য নঈমুল হক চৌধুরী, মো. কাশেম আলী, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) মো. শাজাহান।

উল্লেখ্যঃ ঈদের আগে ও পরের দিন রাতের অন্ধকারে কক্সবাজার সুগন্ধা পয়েন্টস্থ সৈকতের বালিয়াড়িতে নির্মাণাধীন মার্কেট নিয়ে সর্বত্রে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। কক্সবাজার জেলা প্রশাসনকে ইঙ্গিত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে অবৈধ মার্কেটের ছবি ভাইরাল হয়েছে ইতোমধ্যে। বালিয়াড়ি দখল করে মার্কেট নির্মাণের ইন্ধনদাতাদের খুঁজে বের করে শাস্তির দাবী জানিয়েছে কক্সবাজারের সামাজিক আন্দোলনের নেতাসহ সর্বস্তরের লোকজন। পাশাপাশি লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া সিন্ডিকেটের লোকজনকে আইনের আওতায় আনার দাবী জানান তারা।

এদিকে সৈকতের বালিয়াড়ির উপর রাতে মার্কেট নির্মাণের বিষয়টি নজরে আসলেই জেলা প্রশাসকের নির্দেশে প্রায় ৩০ টি মতো দোকান উচ্ছেদ করা হয় শনিবার। রাতের অন্ধকারে অবৈধ মার্কেট নির্মাণে কারা জড়িত বা ইন্ধনদাতা তা বের করতে রোববার বিকালে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. শাহাজাহান আলীকে প্রধান করে রোবাবার তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় বলে জানা গেছে।

Share this post

PinIt
scroll to top
alsancak escort bornova escort gaziemir escort izmir escort buca escort karsiyaka escort cesme escort ucyol escort gaziemir escort mavisehir escort buca escort izmir escort alsancak escort manisa escort buca escort buca escort bornova escort gaziemir escort alsancak escort karsiyaka escort bornova escort gaziemir escort buca escort porno