ইউএস-বাংলাদেশ পার্টনারশিপ ডায়ালগ : বাংলাদেশকে বাড়তি নিরাপত্তা সহায়তা দিবে যুক্তরাষ্ট্র

usa-bd.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(১১ জুন) :: যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি নিরাপত্তা সহায়তা দেওয়ার এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ১০ জুন সপ্তম ইউএস-বাংলাদেশ পার্টনারশিপ ডায়ালগ শীর্ষক ওই অনুষ্ঠানে কো চেয়ার ছিলেন পররাষ্ট্র সচিব মো. শহিদুল হক এবং যুক্তরাষ্ট্রের আন্ডার সেক্রেটারি অব স্টেট ফর পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্স ডেভিড হেল।

অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশের নেতৃস্থানীয় ভূমিকার প্রশংসা করা হয়। এ সময় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের বিভিন্ন অভিযান পরিচালনার জন্য বাংলাদেশের আননেমড এয়ারক্রাফট সিস্টেম (ইউএএস) প্রকল্পের উন্নয়নে মার্কিন সহায়তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

২০১৯ সালের মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে ইউএন পিসকিপিং মিনিস্টেরিয়ালে প্রথম বাংলাদেশের আননেমড এয়ারক্রাফট সিস্টেম (ইউএএস) প্রকল্পের উন্নয়নে সহায়তার অঙ্গীকার করে যুক্তরাষ্ট্র।

সোমবার ইউএস-বাংলাদেশ পার্টনারশিপ ডায়ালগ শীর্ষক সম্মেলনে সেই অঙ্গীকারই পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

সম্মেলনে মিয়ানমারে জাতিগত নিধযজ্ঞের ভয়াবহতায় জীবন ও সম্ভ্রম বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের ঔদার্যের প্রশংসা করা হয়। রোহিঙ্গাদের সহায়তায় কিভাবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও মনোযোগ আকর্ষণ করা যায়; সে ব্যাপারেও সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ওয়াশিংটন।

যুক্তরাষ্ট্র সময় মঙ্গলবার সকালে ঢাকা এবং ওয়াশিংটনের এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, উভয় দেশের সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে সম্মত হয়েছে।

রোহিঙ্গা সম্প্রদায় ছাড়াও কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে কাজ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া রোহিঙ্গা সংকটের একটি বাস্তবসম্মত সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মাধ্যমে মিয়ানমারকে চাপ দেওয়া হবে।

বাংলাদেশের উন্নয়নে এদেশে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পৃক্ততা বাড়ানো হবে। একইসঙ্গে বাংলাদেশকে শ্রমিকদের অধিকার এবং কর্মস্থলের নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলোতে অব্যাহত উন্নতির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার নীতি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে ওয়াশিংটন।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করে বলা হয়, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরির ফলে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ উৎসাহিত হবে। ইতোমধ্যেই বাংলাদেশে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগকারী দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষস্থানীয় অবস্থানে রয়েছে দেশটি।

সম্মেলনে দুই দেশই নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার মতো বিষয়গুলোতে কাজ করতে সম্মত হয়েছে। একইসঙ্গে জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক স্থাপনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, পরবর্তী ইউএস-বাংলাদেশ পার্টনারশিপ ডায়ালগ বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবে।

Share this post

PinIt
scroll to top
alsancak escort bornova escort gaziemir escort izmir escort buca escort karsiyaka escort cesme escort ucyol escort gaziemir escort mavisehir escort buca escort izmir escort alsancak escort manisa escort buca escort buca escort bornova escort gaziemir escort alsancak escort karsiyaka escort bornova escort gaziemir escort buca escort porno