পেকুয়ায় মাদ্রাসা ছাত্রীকে পেটাল বখাটে

ivtising-wmn.jpg

নাজিম উদ্দিন,পেকুয়া(২৫ জুন) :: পেকুয়ায় মাদ্রাসা ছাত্রীকে পেটাল বখাটে। শিক্ষা প্রতিষ্টানে যাওয়া আসার পথে প্রায় সময় যৌন উত্তেজক উক্তি প্রদর্শনসহ ওই ছাত্রীকে উত্যক্ত করত। ছাত্রী এর প্রতিবাদ জানায়। এ সময় বখাটে ওই যুবক ছাত্রীকে রাস্তায় প্রকাশ্যে পেটায়।

২৪ জুন (সোমবার) ও ২৩ জুন (রবিবার) দু’দফা মারধর ও ইভটিজিংয়ের পৃথক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের আফজলিয়াপাড়া গ্রামে। পেকুয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

ছাত্রীর পিতা বখাটের বিরুদ্ধে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সুত্র জানায়, ২৩ জুন আফজলিয়াপাড়া গ্রামের জানে আলমের মেয়ে ও মগনামা মাঝিরপাড়া রশিদিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার ৮ম শ্রেনীর ছাত্রী সালমা বেগম মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় একই এলাকার বখাটে পারভেজ ওই ছাত্রীকে রাস্তায় উত্যক্ত করছিলেন। ছাত্রী সালমা এর প্রতিবাদ জানায়।

এর সুত্র ধরে পরের দিন ২৪ জুন (সোমবার) বেলা ১১ টার দিকে বখাটে পারভেজ ছাত্রীর বাড়িতে হানা দেয়। এ সময় তাকে শারীরিক লাঞ্চিত করে। ২৩ জুন মাদ্রাসায় অর্ধ বার্ষিক পরীক্ষায় অংশ নিতে ছাত্রী মাদ্রাসায় গিয়েছিলেন।

ছাত্রীর পিতা জানে আলম জানায়, আমার মেয়েকে ৩ বছর ধরে উত্যক্ত করে আসছিল। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও পারভেজের অভিভাবকদের একাধিকবার বিষয়টি অবহিত করি।

তবে সমাধান পায়নি। মেয়েকে ১ বছর আগে ওই মাদ্রাসা থেকে পেকুয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়ে আসি। কিন্তু পেকুয়ায় এ প্রতিষ্টানে আসা যাওয়ার পথেও উত্যক্ত করত। নিরুপায় হয়ে সালমা পড়ালেখা থেকে বিরত থাকে ৬ মাস।

বর্তমানে ওই মাদ্রাসায় ফের ভর্তি করি। তিনি আরও জানান, মেয়েকে উত্যক্ত করার বিষয়টি পারভেজের অভিভাবককে জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১ বছর আগে পারভেজ আমার স্ত্রী হাছিনা বেগম ও ছেলে ৯ম শ্রেনীর ছাত্র মোরশেদকে বেদড়ক পিটিয়ে আহত করে। মেয়েটি এ পরিস্থিতিতে পড়ালেখা নিয়ে অনিশ্চয়তায় মধ্যে পড়েছে।

পেকুয়া থানার এ,এস,আই ফরহাদ জানায়, বখাটেকে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ তার বাড়িতে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত যুবক পালায়। তার অভিভাবকদের থানায় হাজির থাকতে বলে এসেছি। কিন্তু তারা হাজির হননি।

Share this post

PinIt
scroll to top
bahis siteleri