চকরিয়ার বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন এমপি-জেলা প্রশাসক

Pic-4Chakaria-15.07.2019.jpg

মুকুল কান্তি দাশ,চকরিয়া(১৫ জুলাই) :: কক্সবাজারের চকরিয়ায় টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে প্লাবিত বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন চকরিয়া-পেকুয়া আসনের এমপি আলহাজ্ব জাফর আলম, জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) আশরাফুল আফসারসহ জেলা-উপজেলাসহ বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।

সোমবার সন্ধ্যায় চকরিয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন মোহনায় এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) আশরাফুল আফসারের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূরুদ্দীন মুহাম্মদ শিবলী নোমানের সঞ্চালনায় অনুষ্টিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন- কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের এমপি আলহাজ্ব জাফর আলম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শাহজাহান আলী, পাউবো কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী তয়ন কুমার ত্রিপুরা, এলজিইডি’র জেলার নির্বাহী মাকসুদুল আলম, জনস্বাস্থ কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী ঋত্বিক চৌধুরী, চকরিয়া পৌরসভার মেয়র মো.আলমগীর চৌধুরী, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) খোন্দকার ইখতিয়ার উদ্দিন আরাফাত, চকরিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এম জাহেদ চৌধুরী, চকরিয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এম আর মাহমুদ, উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান মকছুদুল হক চুট্টু, মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান জেসমিন হক জেসি এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন স্তরের সরকারী কর্মকর্তারা।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) আশরাফুল আফসার বলেন, বন্যায় দুর্গত চকরিয়ায় ৪০ হাজার পরিবার পানিবন্দি রয়েছে। তাদের জন্য ২’শ মেট্রি টন চাল ও ৩ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার এবং পেকুয়ায় পানিবন্দি ২০ হাজার পরিবারের জন্য ১’শ মেট্রিকটন চাল ও ১ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ হয়েছে।

বন্যা কবলিত কেউ যাতে না খেয়ে না থাকে জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগীতা অব্যাহত থাকবে।

এসময় তিনি বন্যায় ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ নিুরপন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

সভায় জাফর আলম এমপি বলেন, চকরিয়াবাসির দীর্ঘদিনের দাবি মাতামুহুরী ও শাখাখাল খনন। এই দাবি বাস্তবায়ন করতে ইতিমধ্যেই ৪’শতাধিক কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। আরো বরাদ্দ হবে।

এই উপজেলার বানবাসি মানুষ অভাবি নয়। তারা ত্রাণ চাইনা, তাদের দাবি ঢলে ভাঙ্গা রাস্তা-ঘাট ও বাঁধ নির্মাণ করা। সেই দাবি পুরণ করতে বরাদ্দ করা ত্রাণের চাল বিতরণ না করে রাস্তা ও বেড়িবাঁধ নির্মাণ মেরামতে ব্যয় করা হবে। এই বরাদ্দ ছাড়াও যেখানে যা প্রয়োজন ততটুকু বরাদ্দ আনা হবে।

Share this post

PinIt
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri