buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

৬০০ কোটি ডলার ঋণ পাচ্ছে বাংলাদেশ

ida.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(১৮ অক্টোবর) :: বিশ্বব্যাংকের স্বল্প সুদের ঋণ প্যাকেজ আইডিএ-১৮-এর মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২০২০ সালে। তিন বছরের এ প্যাকেজের আওতায় সংস্থাটির প্রতিশ্রুত ৪২০ কোটি ডলারের ঋণ নির্দিষ্ট সময়ের আগেই নিয়েছে বাংলাদেশ। তবে আইডিএ-১৯ প্যাকেজের আওতায় ৬০০ কোটি ডলার ঋণ পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের আগামী বছরের জন্য শুধু বিশ্বব্যাংকের বড় অংকের অনুদান ও জলবায়ু তহবিল, বিশেষ করে ক্লিন এনার্জির জন্য বরাদ্দ বাড়তে পারে। এছাড়া স্কেল আপ ফ্যাসিলিটিজের (এসইউএফ) আওতায়ও বেশি ঋণ দেয়ার প্রস্তাবও থাকতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে চলমান বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ও আইএমএফের বার্ষিক সভার বিভিন্ন পর্বের বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

১৭ অক্টোবর ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশের বিকল্প নির্বাহী পরিচালকের কার্যালয়ে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মনোয়ার আহমেদ বিভিন্ন সভার বিষয়গুলো সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন। এ সময় তার সঙ্গে ইআরডির বিশ্বব্যাংক উইংয়ের যুগ্ম সচিব আনোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মনোয়ার আহমেদ বলেন, পাইপলাইনে থাকা প্রকল্প নিয়ে বিশ্বব্যাংক ম্যানেজমেন্ট টিমের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বব্যাংক এ বিষয়ে আলোচনা করছে, এর ক্ষেত্র ও ভলিউম বাড়ানোর। আইডিএ-১৮ শেষ হয়ে যাচ্ছে, তাই এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ সময়।

তিনি বলেন, আমরা অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে ঋণ আলোচনা শেষ করেছি। এতে বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেমবন আমাদের সহযোগিতা করেছেন। তিনি (মার্সি টেমবন) বলেছেন, অনেক দেশ থেকে অর্থ ফেরত আসবে, তাই এ সুযোগ আমরা নিতে পারি।

তিনি আরো বলেন, আইডিএ-১৮ সফলতার সঙ্গে আমরা সম্পন্ন করেছি। আমাদের সক্ষমতাও অনেক ভালো। কীভাবে সরকার এ অর্থ ব্যবহার করবে, অর্থমন্ত্রী এ বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেবেন।

জানা গেছে, বিশ্বব্যাংকের অঙ্গভুক্ত প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (আইডিএ) ঋণ অনেক উন্নয়নশীল দেশই নিতে পারেনি। উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে ঋণ ব্যবহারের দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশ দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে প্রবেশ করায় অনমনীয় ঋণের সুদের হারসহ ঋণপ্রাপ্তির বিষয়ে যেসব পরিবর্তন আসবে, সেগুলো নিয়েও আলোচনা হবে এ সেগমেন্টে। একই সঙ্গে চলমান রোহিঙ্গা সমস্যা, দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি, দক্ষ জনবল তৈরিতে আইএমএফ ও আইএফসির যৌথ প্রশিক্ষণ এবং কারিগরি সহায়তা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন করা হবে।

বার্ষিক সভার (বাংলাদেশে ১৭ অক্টোবর) মূল পর্ব শুরু হবে। এ পর্বে বাংলাদেশ সেগমেন্টের বিভিন্ন বৈঠকে অংশ  নেবেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এ পর্বে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান, তাদের পুনর্বাসন ও তাদের স্বদেশে প্রত্যাবাসনের জন্য এশিয়ার দেশগুলোর পাশাপাশি প্রভাবশালী দেশগুলোর সহায়তা চাওয়া হবে।

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
en English Version bn Bangla Version
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri