ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ আতংকে কক্সবাজার উপকূলে ফিরেছে অধিকাংশ মাছ ধরার ট্রলার

bt1.jpg

কক্সবাংলা রিপোর্ট(৮ নভেম্বর) :: ঘূর্ণিঝড় বুলবুল’ এর কারণে গভীর সমুদ্রে কক্সবাজারের যেসব জেলেরা মাছ ধরা অবস্থায় ছিলেন তাদের অধিকাংশই নিরাপদ উপকূলে ফিরে এসেছেন। সাগল উত্তাল থাকায় বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত পাঁচ শতাধিক মাছ ধরার ট্রলার ইতিমধ্যে নিরাপদে কক্সবাজার ফিশারীঘাট, কস্তুরা ঘাট, নাজিরারটেক ও সেন্টমার্টিন, টেকনাফ, উখিয়া, মহেশখালী, কুতুবদিয়া ও পেকুয়া উপকূলে তীরে ফিরে এসেছে। যারা এখনও সাগরে আছেন তারাও নিরাপদে রয়েছেন বলে জানিয়েছে জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতি।

তারা জানান,সরকারী নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রায় ২৫ দিন সাগরে মাছ ধরা বন্ধ ছিল। এক সপ্তাহ আগে মাছ ধরা শরু হলেও সাগর থেকে হঠাৎ ফিরতে বাধ্য হওয়ায় কারণে বোট মালিক ও জেলেরা বিছুটা আর্থিক সংকটে পড়বেন। এরপরও অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে গেছেন বলে জানিয়েছেন উপকূলে অবস্থানরত জেলেরা।

সরেজমিনে শুক্রবার দুপুরে কক্সবাজারে বাঁকখালী নদীস্থ ফিশারিঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা যা,ঘূর্ণিঝড় আতংকে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যাওয়া পাঁচ শতাধিক ট্রলার ফিরে এসেছে। এসময় যেসব ট্রলার ফিরে এসেছে তারা মাছ সরবরাহে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। এদিন প্রচুর মাছ বিক্রি করতে দেখা যায় বোট মালিকদের। যার বেশিরভাগই ছিল ইলিশ মাছ। এছাড়া সামুদ্রিক অন্যান্য মাছও ছিল।

কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়া এলাকার এক মাঝি জানান,গত এক সপ্তাহ আগে থেকে সাগরে মাছ ধরা শুরু হয়েছে।সাগরে বোট ভাসালেও মাছ ধরা অসম্পূর্ণ রেখে জেলেরা ঘূর্ণিঝড় আতংকে উপকূলে ফিরে এসেছে। কিন্তু যে পরিমান মাছ পেয়েছি তাতে মালিক ও জেলেদেরখেরচ উঠবে না।

৬নং জেটিঘাটে নোঙর করে রাখা এক ট্রলারের মাঝি আবদু রহিম বলেন, ১৬ মাঝি-মাল­া নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যান। কিন্তু হঠাৎ করে আবহাওয়া খারাপ হওয়ায় উপকূলে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে আসতে হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি বলেন, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল’র কোনো প্রভাব পড়েনি বঙ্গোপসাগরে। এ কারণে যেসব জেলেরা গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা অবস্থায় ছিল তাদের অনেকেই নিরাপদে ফিরেছেন। আর যারা ফিরতে পারেননি, তারাও নিরাপদের রয়েছেন।

Share this post

PinIt
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri