নতুন নেতৃত্বের অপেক্ষায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ

Shecchashebok-League-20190726122509.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(৯ নভেম্বর) :: এক যুগ পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ শাখার সম্মেলন।  সোমবার রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে মহানগর দক্ষিণের এবং মঙ্গলবার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে মহানগর উত্তরের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

সম্মেলনকে সামনে রেখে বেশ কয়েকদিন ধরেই সক্রিয় পদপ্রত্যাশীরা। শোভাযাত্রা, সমাবেশের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন তারা। তবে সততা ও দক্ষতার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হলে কোনো কিছুই কাজে লাগবে না এমন হুশিয়ারি আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। তিনি ইতোমধ্যে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন, আওয়ামী লীগে ও এর কোনো সহযোগী সংগঠনে বিতর্কিতরা জায়গা পাবে না।

এর আগে অনুষ্ঠিত কৃষক লীগ ও শ্রমিক লীগের সম্মেলনের মাধ্যমে নতুনদের নেতৃত্বে এনে নিজের মনোভাব স্পষ্টও করেছেন তিনি। ফলে ত্যাগী, সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের অপেক্ষায় আছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের শীর্ষ পদে আলোচনায় রয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি কামরুল হাসান রিপন, বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান টিটু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারেক সাঈদ ও আবুল কালাম আজাদ হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান ইরান।

অন্য দিকে ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের শীর্ষ পদে আলোচনা রয়েছেন বর্তমান কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি গোলাম রাব্বানী, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইসহাক মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মনোয়ারুল ইসলাম বিপুল প্রমুখ।

জানতে চাইলে কামরুল হাসান রিপন বলেন, দুর্দিনে মাঠে থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী করেছি। আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা তার পরীক্ষিত নেতাদের মূল্যায়ন করবেন এটা আমরা আশা করছি।

মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, দীর্ঘদিন পর আমাদের সম্মেলন হচ্ছে। নেত্রী ত্যাগী নেতাকে দায়িত্ব দিয়ে মূল্যায়ন করবেন এ প্রত্যাশা করছি।

আবুল কালাম আজাদ হাওলাদার বলেন, সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সৎ, শিক্ষিত, সাবেক ছাত্রনেতা, ত্যাগী ও পরিশ্রমীদের মধ্য থেকে আগামী সম্মেলনে সভাপতি সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করা হোক। তা হলেই সংগঠন আরও গতিশীল, প্রাণবন্ত ও উজ্জীবিত হবে।

তারেক সাঈদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সেচ্ছাসেবক লীগের রাজনীতি করছি। এবারের সম্মেলনে নেত্রী দক্ষ যোগ্য ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির নেতৃত্ব উপহার দেবেন বলে আমার বিশ্বাস।

মনোয়ারুল ইসলাম বিপুল বলেন, আমাদের কারও ব্যক্তিগত চাওয়া পাওয়ার কিছু নেই। আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তবে আমরা বিশ্বাস করিÑ যারা দীর্ঘদিন দল ও সংগঠনের জন্য কাজ করেছেন, ত্যাগ স্বীকার করেছেন, সেই ত্যাগী ও যোগ্যদেরই দায়িত্ব দেওয়া হবে।

২০০৬ সালের ৩১ মে ঢাকা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলনে ঢাকা মহানগরকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়। সে সময় ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি দেবাশিষ বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান টিটু এবং উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগে মোবাশ্বের চৌধুরী সভাপতি ও ফরিদুর রহমান ইরান সাধারণ সম্পাদক হন। ২০১২ সালে স্বেচ্ছাসেবক লীগের জাতীয় সম্মেলন হলেও মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের সম্মেলন হয়নি।

Share this post

PinIt
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri