টেকনাফে রোহিঙ্গা মানব পাচারকারী ও ডাকাত মাহমুদুল হাসান বন্দুকযুদ্ধে নিহত

arms-fight-1.jpg.jpg

হুমায়ুন রশীদ টেকনাফ(১৩ নভেম্বর) :: কক্সবাজারের টেকনাফ পুলিশের হাতে আটক পাহাড়ে অবস্থানকারী রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী, অপহরণকারী চক্রের স্বশস্ত্র সদস্য, একাধিক মামলার ফেরারী আসামীকে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে বন্দুক যুদ্ধের ঘটনায় ৩জন পুলিশ সদস্য আহত এবং ১জন ডাকাত গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। ঘটনাস্থল হতে বিপূল পরিমাণ অস্ত্রাদি উদ্ধার করা হয়েছে।

এই ব্যাপারে তদন্ত স্বাপেক্ষে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

সুত্র জানায়, ১৪ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) রাতের প্রথম প্রহরে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের হাতে আটক নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ ব্লকের মৃত বাকের আহমদের পুত্র মাহমুদুল হাসান (৪১) কে নিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেদুয়ান আহমদের নেতৃত্বে টেকনাফ মডেল থানার একদল পুলিশ শালবাগান ক্যাম্প সংলগ্ন পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে গেলে স্বশস্ত্র রোহিঙ্গা ডাকাত এবং পুলিশের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলিতে এলাকায় আতংক সৃষ্টি হয়। এই ঘটনায় পুলিশ কনস্টেবল মৃত্যুঞ্জয়, সাইফুল ও মোঃ শাহিন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়।

পুলিশও সরকারী সম্পদ এবং আতœরক্ষার্থে পাল্টা গুলিবর্ষণ করলে কিছুক্ষণ পর হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল তল্লাশী করে ১ টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগজিন, ১৮ রাউন্ড গুলি, ৩টি এলজি, ১৩ রাউন্ড কার্তুজ, ১৫টি কার্তুজের খোসাসহ গুলিবিদ্ধ ডাকাত মাহমুদুল হাসানকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য টেকনাফ উপজেলা সদর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

সেখান হতে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

এই ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের অফিসার্স ইনচার্জ প্রদীপ কুমার দাশ মোস্ট ওয়ানটেড আসামী আটক ও অস্ত্র উদ্ধার অভিযান সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এই ব্যাপারে তদন্ত স্বাপেক্ষে পৃথক মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

Share this post

PinIt
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri