পেকুয়ার টইটংয়ে চেয়ারম্যান পদে ভোট করবেন কফিল উদ্দিন

pekua-pic-17-11-19.jpg

নাজিম উদ্দিন,পেকুয়া(১৭ নভেম্বর) :: পেকুয়ায় টইটং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ভোট করবেন কফিল উদ্দিন। ইউপি নির্বাচনের তফশীল সরকার ঘোষনা করেনি। তবে এরই মধ্যেও আগাম নির্বাচনী হাওয়া চলছে টইটংয়ে। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোট করবেন এমন ঘোষনা আগে ভাগে এসেছে।

ধনিয়াকাটা গ্রামের উদীয়মান সমাজ সেবক ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ কফিল উদ্দিন ইতিমধ্যে ঘোষনা দিয়েছেন তিনি এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ভোট করবেন। কফিল উদ্দিন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় স্বনির্ভর সমাজ গঠনের নতুন স্বপ্নদ্রষ্টা।

দারিদ্র পীড়িত মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন অর্থনৈতিক বৈষম্যকরণ দূরীভূত করতে তিনি অঙ্গীকারবদ্ধ। ধনিয়াকাটা গ্রামের সমাজ সেবক মরহুম মনজুর আলমের ছেলে এ কফিল। পিতা আজীবন আওয়ামী রাজনীতির আদর্শিক প্রাণপুরুষ ছিলেন। নীতির সাথে কখনো আপোষ করতেন না।

আদর্শিক পিতার ছেলে কফিল চকরিয়া পৌরসভায় থাকেন। সেখানে ব্যবসা বাণিজ্য নিয়ে সংসার চালান। সে সুবাধে চকরিয়া পৌর আ’লীগের নীতি নির্ধারকও তিনি। তার ছোট ভাই মো: বাহাদুরও আ’লীগের ভাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগ করেন।

টইটং ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক ছিলেন ছোট ভাই। মুজিবাদর্শের নিবেদিত সৈনিক কফিলকে চেয়ারম্যান পদে দেখতে চান সর্বস্তরের টইটং ইউনিয়ন বাসী। কফিলকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান। এমন প্রচারনায় গত ২ দিন আগে সড়কে পদচারণা হয়েছে। তার সমর্থকরা তাকে নিয়ে এবিসি সড়ক প্রদক্ষিন করেছেন।

পোষ্টার, ব্যানারসহ মানুষ পায়ে হেঁটে টইটংয়ের দক্ষিন অংশ থেকে সীমান্তবর্তী উত্তর টইটংয়ে গিয়ে মানুষকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে জানান দিয়েছেন।

কফিল জানায়, টইটংবাসীকে জেল, জুলুম ও অত্যাচার, নির্যাতন, নিপীড়ন ও সন্ত্রাসীদের কবল থেকে মুক্ত করতে আমি ছুটে এসেছি। প্রতিবাদ করব , করেছি, এখনো করছি। মানুষ হয়রানি হবে না। আমি মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করি।

Share this post

PinIt
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri