পেকুয়ায় স্কুলের জমিতে স্থাপনা নির্মাণ কাজ বন্ধ করল প্রশাসন

pekua-map.png

নাজিম উদ্দিন,পেকুয়া(২০ নভেম্বর) :: কক্সবাজারের পেকুয়ায় বিদ্যালয়ের জমিতে স্থাপনা নির্মাণকাজ আটকিয়ে দিল প্রশাসন। ২০ নভেম্বর (বুধবার) দুপুরে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাঈকা শাহাদাত এ সম্পর্কিত নির্দেশনা দেন।

এ সময় সদর ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান মাহাবুবুল করিম ইউএনও’র অনুরোধে ওই স্থাপনা নির্মাণকাজ বন্ধ করতে ওই স্থানে পৌছে। এ সময় বিরোধীয় জায়গায় স্থাপনা নির্মাণকাজ বন্ধ রাখতে নির্দেশনা দেন। জায়গার দালিলিক বিষয় নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই কাজ অসমাপ্ত রাখতে ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান নির্দেশনা দিয়েছেন।

প্রাপ্ত সুত্র জানায়, পেকুয়া সদর ইউনিয়নের কলেজ গেইট চৌমুহনীর পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন স্থানে স্থাপনা নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করা নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে। সদর ইউনিয়নের মাতবরপাড়ার জনৈক শামশুল আলম চৌধুরী নামক ব্যক্তি পেট্রোল পাম্পের নিকট জমিতে মাটি ভরাট করেন। তিনি ওই স্থানে গত কয়েক দিন আগে থেকে স্থাপনা নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছেন।

সুত্র জানায়, ওই জায়গার মালিকানা নিয়ে পেকুয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় আপত্তি উত্তাপন করে। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায়, ওই জায়গা তাদের মালিকানাধীন জমি। বিদ্যালয়ের চৌহর্দ্দির মধ্যে জায়গার অবস্থান। জায়গাটি পতিত ভূমি হিসেবে অসংষ্কার অবস্থায় স্থিত।

কাগজপত্র ও দালিলিক তথ্যাদিসহ জায়গাটি স্কুলের অনুকুলে দখল স্থিত। কিন্তু শামশুল আলম চৌধুরী নামক ব্যক্তি জায়গা জবর দখল করে স্থাপনা নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছিল। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আনোয়ারুল করিম জানায়, ওই জায়গা আমাদের স্কুলের। দখল ঠেকাতে আমরা প্রশাসনে অভিযোগ দিয়েছি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হাসেম জানায়, জবর দখল প্রতিহত করতে আমরা ইউএনও ম্যাডামকে অবহিত করেছি। আমরা অভিযোগ দিয়েছি। স্যার ইউপির চেয়ারম্যানকে জরুরী ভিত্তিতে ওই স্থানে পাঠান। পরিষদ এসে কাজ না করতে বারণ করে।

পেকুয়া সদর ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান মাহাবুল করিম জানায়, ইউএনও স্যার আমাকে ফোন দিয়েছিলেন। আমি গিয়ে কাজ না করতে বারণ করেছি। কাগজপত্র যাচাই বাছাই ও পরিমাপ করে জায়গার মালিকানা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখতে বলেছি।

Share this post

PinIt
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri