সোনাদিয়া দ্বীপকে মালেশিয়া বলে ৪১ রোহিঙ্গাকে রাতের আধারে নামিয়ে দিল মানবপাচারকারীরা

FB_IMG_1574600225736.jpg

সরওয়ার কামাল,মহেশখালী(২৪ নভেম্বর) :: কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের সোনাদিয়া কে মালেশিয়া বলে ৪১ রোহিঙ্গা কে রাতের আধারে নামিয়ে দিল দালাল চক্র।

২৪ই নভেম্বর ভোর রাতে একটি ট্রলার সোনাদিয়ার মগচরে ৪১ রোহিঙ্গাদের মালেশিয়া নামে নামিয়ে দিয়ে ট্রলারের মাঝি মাল্লারা ও দালাল মানব পাচারকারী চক্ররা দ্রুত পালিয়ে যায়।

ভোর হলে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তপক্ষের তৈরী করা মগ চরের বাসার পাশে রোহিঙ্গা নারী পুরুষের জমায়েত দেখতে পায় বেজার নিয়োজিত কর্মীরা।

রোহিঙ্গা নারী পুরুষেরা জানায় গত ৫দিন পূর্বে থেকে তাদের কে সাগর পথে মালেশিয়া নিয়ে যাওয়ার কথা বলে সাগরে ঘুরাতে থাকে। অবশেষে তাদেরকে মালেশিয়ার চর বলে নামিয়ে দেয় দালালেরা।

সংবাদ পেয়ে মহেশখালী থানার পুলিশ সোনাদিয়ার চরে পৌছার পূর্বে ১৬ জন রোহিঙ্গা স্থানীয়দের সহায়তায় প্যরাবনে ও বিভিন্ন চিংড়ী ঘেরের খামারে ও বাসা বাড়িতে লুকিয়ে রাখে বলে স্থানীয়রা জানান।

মহেশখালী থানার এস আই নুরুন্নবীর ও এএস আই ফিরোজের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে সোনাদিয়ার মগচর হতে ২জন শিশু সহ ১৬ জন রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করে মহেশখালী থানায় নিয়ে আসে।

বালুখালী ক্যাম্প, ঘুমধুম ক্যাম্প,ও কুতুপালং ক্যাম্প থেকে তারা দালালের মাধ্যমে ট্রলারে উঠে বলে জানান।

উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গারা হলেন কুতুপালং ক্যাম্পের রুমানা আকতার, মোঃ অহিয়াজ, মোহছেনা আকতার, নুরুল হক, নুর ফাতেমা, আব্দুল হক, সানজিদা আকতার, ছাবেকুন্নাহার, নুরুজ্জাহান, ইসমত আরা, নুর আকলিমা, আছমা বিবি, নুর কায়দা, শামশুন্নাহার, সানজিদা আকতার, রুজিনা আকতার, জন্নাত উল্লাহ, মোঃ আজম, মোঃ জোবাইর, নাজিমুল হক,দনুমিয়া মিয়া, হুবাইব উল্লাহ, মোঃ কাইছার আলম, নুর হোসেন, মাহাবুবুর রহমান, মোঃ আনছার।

সোনাদিয়ার চরে ৪১জন রোহিঙ্গা ট্রলারে নামিয়ে দেওয়ার মধ্যে ২জন শিশু ১২ জন মহিলা ১১ জন পুরুষ সহ ২৫ জনকে উদ্ধার করেন।

এব্যাপারে মহেশখালী থানার ওসি প্রভাষ চন্দ্র ধর বলেন,উদ্ধারকৃত রোহিঙ্গাদদের কে সংশ্লিষ্ট রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে মালেশিয়ায় মানবপাচার কাজে জড়িত ব্যক্তিদের বিরোদ্ধে যাচাই বাচাই পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Share this post

PinIt
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri