উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পুষ্টি কার্যক্রম সপ্তাহ শুরু

u1.jpg

শহিদুল ইসলাম,উখিয়া(১ ডিসেম্বর) :: কক্সবাজারের উখিয়া টেকনাফে ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প রয়েছে। এখানে বসবাস করছে ১১ লাখের অধিক রোহিঙ্গা।

রবিবার ১লা ডিসেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত দুই উপজেলার ৩৪টি রোহিঙ্গা শিবিরের ৮২টি সেন্টারে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে রোহিঙ্গা শিশুদের পুষ্টির ঘাটতি পুরনের জন্য “পুষ্টি কার্যক্রম সপ্তাহ” পালনের উদ্যোগ নিয়েছেন সরকার। এই কর্মসূচির আওতায় প্রায় দেড় লাখ রোহিঙ্গা শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে।

রবিবার সকাল ১১টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং ৭নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভিটামিন এ ক্যাপসুল কার্যক্রম পরিদর্শনে যান কক্সবাজার জেলা সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল মতিন। এ সময় সাথে উপস্থিন ছিলেন আর আর সি অফিসের ড. তোহা ইউনিসেফ এর পুষ্টি অফিসার জাহেদুল মিয়া।

এ সময় সিভিল সার্জন শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। পুষ্টি কার্যক্রম সাপ্তাহ উপলক্ষ্যে কক্সবাজারের উখিয়া টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পোস্টার পেস্টুন ছেয়ে গেছে।

সকাল থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। শিশুদের টিকা খাওয়ানোর পাশাপাশি মায়েদের নিকট বিভিন্ন পুষ্টিবার্তা ও প্রচার করা হবে।

সিভিল র্সাজন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে কক্সবাজারের দুই উপজেলার রোহিঙ্গা শিবির গুলোতে বর্তমানে ৬মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ১ লাখ ৫১ হাজার ১৩৩ জন শিশু রয়েছে। তাদের মধ্যে ছেলে শিশু রয়েছে ৭৬ হাজার ৮১৩ জন। মেয়ে শিশু রয়েছে ৭৪ হাজার ৩২০ জন।

পুষ্টি কার্যক্রম সপ্তাহে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত সেন্টার গুলো খোলা থাকবে। প্রতিটি সেন্টারে ৮ জন করে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবে।

কক্সবাজার জেলার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আব্দুল মতিন বলেন যাবতীয় কার্যক্রম সম্পূর্ণ হয়েছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দৈনিক অন্তত ২৭ হাজার শিশু ভিটামিন এ ক্যাপসুল পাবে। তিনি আরও বলেন প্রতিটি শিশুর মুয়াক স্কেনিং করে পুষ্টির পরিমান নির্নয় করা হবে।

Share this post

PinIt
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri