কুতুবদিয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান সহ গ্রেপ্তার ৬

ktb-crmn.jpg

বিশেষ প্রতিবেদক(১ ডিসেম্বর) :: কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে একটি হামলা ও মারপিটের ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানসহ ৬জনকে। তারা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কাছে সাক্ষ্য দেয়া লোকজনকে মারপিট করেন।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জাতীয় পার্টির স্থানীয় নেতা আ.ন.ম শহীদ উদ্দিন ছোটন।

শনিবার সন্ধ্যার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, কুতুবদিয়া দ্বীপের বাসিন্দা মনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী মুকুল একজন মানবাধিকার কর্মী।

তিনি কুতুবদিয়া থানার কয়েকজন পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ এনে প্রতিকার দাবি করেছিলেন দুদকের কাছে। এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া না হলে তিনি উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করেন।

পরবর্তীতে আদালত দুদক ও পুলিশকে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেন। সেই অভিযোগের তথ্য ও সাক্ষীদের বক্তব্য সংগ্রহ করতে দুদক টিম কুতুবদিয়া পৌছে। সেখানেই ঘটে অপ্রীতিকর ঘটনা। ইউপি চেয়ারম্যানসহ কয়েকজন বেদম মারধর করেন তিন জন সাক্ষীকে। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে সাক্ষীদের মারধরের পর হামলাকারিরা পালিয়ে কক্সবাজার জেলা শহরে আশ্রয় নেন। খবর পেয়ে কক্সবাজার থানা পুলিশ ইউপি চেয়ারম্যান শহীদ উদ্দিন ছোটনসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করে। কুতুবদিয়া থানা পুলিশ দ্বীপ থেকে গ্রেপ্তার করে একজনকে। মানবাধিকার কর্মী মুকুল ও চেয়ারম্যান ছোটনের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ রয়েছে। সে সূত্রেই হামলা বলে ধারনা করা হচ্ছে।

দুদক চট্টগ্রামের উপ-সহকারি পরিচালক জাফর সাদেক শিবলী জানান, কুতুবদিয়া থানার এসআই জয়নাল আবেদীন ও এএসআই সজল দাশসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে। দুদকের ৪ জন কর্মকর্তা এজন্য কুতুবদিয়া দ্বীপে যান।

দুদকের তদন্ত দলটি সাক্ষীদের বক্তব্য জানার সময় অতর্কিতে হামলা চালায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ৮/১০ জনের গ্রুপ।

এ ঘটনায় আহত সাক্ষী রুহুল আমিন বাদি হয়ে কুতুবদিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। আসামি করা হয়েছে ইউপি চেয়ারম্যান আ.ন.ম শহীদ উদ্দিন চৌধুরী ছোটন, মেম্বার হেলাল উদ্দিন, মেম্বার জিয়াউল হক, মোহাম্মদ ছিদ্দিক, রাসেল ও ইদ্রিসসহ দশ জনকে।

Share this post

PinIt
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri