buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort

২০২০ সালে দেশজুড়ে বই উৎসবের অপেক্ষায় সোয়া ৪ কোটি শিক্ষার্থী : পিইসি-জেএসসির ফল প্রকাশ ৩১ ডিসেম্বর

book.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(৩০ ডিসেম্বর) :: নতুন বছরের প্রথম দিন (১ জানুয়ারি) দেশজুড়ে বই উৎসব। সেই উৎসবের অংশ হিসেবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক তুলে দেবে সরকার। সারাদেশে ৪ কোটি ২৬ লাখ ১৯ হাজার শিক্ষার্থীর হাতে ৩৫ কোটি ৩১ লাখ ৪৪ হাজার নতুন বই তুলে দেয়া হবে।

৩১ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) বিকালে বই উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরদিন সারাদেশে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেবেন তিনি। প্রাথমিক পর্যায়ের পাঠ্যপুস্তক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এবং মাধ্যমিক পর্যায়ে সাভারের অধরচন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয়ার মাধ্যমে শুরু হবে উৎসব।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) জানায়, প্রাথমিক পর্যায়ের পাঠ্যপুস্তক গত বছরেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ থেকে বিতরণ শুরু হয়েছিল। তবে মাধ্যমিক পর্যায়ের বই এবারেই প্রথম সাভার থেকে বিতরণ হবে। দেশের প্রতিটি জেলায় আলাদা আলাদাভাবে বই উৎসবে অংশ নেবেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও স্বনামধন্য ব্যক্তিরা।

২০২০ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রাক-প্রাথমিক থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ৪ কোটি ২৬ লাখ ১৯ হাজার ৮৬৫ জন শিক্ষার্থীর জন্য ৩৫ কোটি ৩১ লাখ ৪৪ হাজার ৫৫৪টি বই ছাপানো হয়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য ১০ কোটি ৫৪ লাখ ২ হাজার ৩৭৫টি বই এবং মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য ২৪ কোটি ৭৭ লাখ ৪২ হাজার ১৭৯টি বই বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে।

এ সব বই ছাপাতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১১০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রাথমিকের জন্য ৩৫০ কোটি এবং মাধ্যমিকের জন্য ব্যয় হয়েছে ৭৫০ কোটি টাকা। ২০২০ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রাক-প্রাথমিক স্তরে ৬৬ লাখ ৭৬ হাজার ১০০টি বই, প্রাথমিক স্তরের জন্য ৯ কোটি ৮৪ লাখ ৯৬ হাজার ১৭২টি বই ছাপা হয়েছে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পাঁচটি ভাষার ৯৭ হাজার ৫৭২টি শিশুর জন্য প্রাক-প্রাথমিক, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির ২ লাখ ৩০ হাজার ১৩০টি বই ছাপানো হয়েছে।

দেশের ৭৫০ জন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর জন্য ছাপা হয়েছে ৯ হাজার ৫০৪টি বই।

মাধ্যমিক স্তর ও মাদ্রাসার দাখিল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ছাপানো হয়েছে ২৪ কোটি ৭৭ লাখ ৪২ হাজার ১৭৯টি বই। ইবতেদায়ি (মাদ্রাসার প্রাথমিক) স্তরের জন্য ছাপানো হয়েছে ২ কোটি ৩২ লাখ ৪৩ হাজার ৩৫টি বই। এসএসসি ভোকেশনালের জন্য ১৬ লাখ ৩ হাজার ৪১১টি বই, এইচএসসি বিএম ভোকেশনালের জন্য ২৭ লাখ ৬ হাজার ২৮টি বই এবং দাখিল ভোকেশনালের জন্য ছাপানো হয়েছে এক লাখ ৬৭ হাজার ৯৬৫টি বই।

এনসিটিবির সহযোগিতায় টানা ১০ বছর ধরে বিনামূল্যে পাঠ্যবই প্রদানের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ যারা তাদের হাতে বছরের প্রথম দিনেই বই তুলে দিয়ে আনন্দিত করতে পারাটা আমাদের জন্যও আনন্দের।

এনসিটিবির চেয়ারম্যান নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেন, বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীরা বই হাতে পাবে এটি মূলত দেশের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তনের ইঙ্গিত।

২০১০ সাল থেকে সরকার বছরের প্রথমদিন উৎসবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে বই বিতরণ করে আসছে। ২০১৯ সালে এ আয়োজনের এক দশক পূর্ণ হয়েছে।

গত ১০ বছরে ২৯৬ কোটি ৭ লাখ ৮৯ হাজার ১৭২টি বই শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।

পিইসি-জেএসসির ফল প্রকাশ ৩১ ডিসেম্বর

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা এবং জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফল মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) প্রকাশ করা হবে। ওই দিন সকালে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী ও প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এ ফল হস্তান্তর করবেন। পরে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত ফল প্রকাশ করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের জানান, প্রধানমন্ত্রীর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তরের পর শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বেলা সাড়ে ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জেএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল বিস্তারিত তুলে ধরবেন। অন্যদিকে দুপুর ১টায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলের বিস্তারিত তুলে ধরবেন বলে জানান মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রবীন্দ্রনাথ রায়।
আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক জানান, বেলা ১২টায় নিজ নিজ কেন্দ্র বা প্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে জেএসসি ও জেডিসির ফল জানতে পারবে শিক্ষার্থীরা।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের (www.dhakaeducationboard.gov.bd) রেজাল্ট কর্নারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।
এছাড়া www.educationboard.gov.bd ওয়েবসাইট থেকেও রেজাল্ট কর্নারে গিয়ে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।
এছাড়া বেলা আড়াইটা থেকে সব জেলা, উপজেলা বা থানায় নিজ নিজ পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে প্রাথমিক সমাপনীর ফল পাওয়া যাবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইট (www.dpe.gov.bd) ও (http://dperesult.teletalk.com.bd) এই ঠিকানায় পাওয়া যাবে প্রাথমিক সমাপনীর ফল। বেলা ১২টায় প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনীর ফল পাওয়া যাবে।
মোবাইল অ্যাপস থেকেও জেএসসি-জেডিসির ফল পাওয়া যাবে এই (www.educationboardresults.gov.bd) ঠিকানায়। বেলা আড়াইটায় জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার ফল পাওয়া যাবে।
মোবইলে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির ফল পাওয়া যাবে যেভাবে
প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার ফল
DPESTUDENT IDYEAR & SEND TO 16222
Example: DPE 1120194142432222 2019 & SEND TO 16222

ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফল
EBTSTUDENT IDYear & SEND TO 16222
Example: EBT 1120194142432222 2019 & SEND TO 16222

JSC পরীক্ষার ফল
JSCBOARDROLLYEAR & SEND TO 16222
Example: JSC DHA 123456 2019 & SEND TO 16222

JDC পরীক্ষার ফল
JDCMADROLLYEAR & SEND TO 16222
Example: JDC MAD 123456 2019 & SEND TO 16222

গত ১৭ থেকে ২৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষায় সারাদেশে ২৯ লাখ তিন হাজার ৬৩৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। দেশব্যাপী সাত হাজার ৪৫৮টি কেন্দ্রে তাদের পরীক্ষা নেওয়া হয়। এ সময় বহিষ্কৃত দুই শতাধিক শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়ে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ফল প্রকাশের নির্দেশনা দেন উচ্চ আদালত। অন্যদিকে, জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় ২৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। সূচি অনুযায়ী, ২ থেকে ১১ নভেম্বর তাদের পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও ঘূর্ণিঝড়ের কারণে পরীক্ষা পিছিয়ে ১২ নভেম্বর নেওয়া হয়।

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri