buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

তিন মাসেই পৃথিবী থেকে মঙ্গল গ্রহে যাবে নিউক্লিয়ার থার্মাল রকেট

Mars-Triple-NERVA-fleet-light-paint.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(৩০ ডিসেম্বর) :: বর্তমানে যে ধরনের রকেটচালিত মহাকাশযান রয়েছে তাতে চড়ে মঙ্গলে যেতে ৯ মাস সময় লাগবে। একজন অভিজ্ঞ নভোচারীর জন্য ৯ মাস বেশ দীর্ঘ সময়। মূলত মঙ্গলগ্রহে মানুষ পাঠানো নিয়ে সেই ধরনের কোনো প্রকল্প না থাকার কারণেই হয়তো এক্ষেত্রে এখনো খুব বেশি অগ্রগতি হয়নি।

তবে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসাসহ নানা প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীরা কাজ করছেন এমন এক প্রযুক্তি আবিষ্কার করতে—যাতে দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই পৃথিবী থেকে মঙ্গলে যাওয়া সম্ভব হয়।

নাসার একদল বিজ্ঞানীর বক্তব্য, সৌরশক্তি ব্যবহার করে মঙ্গলগ্রহে মানুষ পাঠানোর আগে অন্যান্য সরঞ্জাম পাঠানো যেতে পারে। তবে এতে জ্বালানি কম লাগলেও এ প্রকল্পে দুই থেকে আড়াই বছর পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে।

অন্য বিজ্ঞানীরা বলছেন, দ্রুত মঙ্গলে পৌঁছানোর একটি উপায় হচ্ছে নিউক্লিয়ার থার্মাল ইলেকট্রিক প্রোপালশন—সোজা বাংলায় যাকে বলা যেতে পারে পরমাণু শক্তিচালিত রকেট ইঞ্জিন ব্যবহার করা। আরেকটি উপায় হচ্ছে ইলেকট্রিক আয়ন প্রোপালশন—যাতে ব্যবহূত হবে বিদ্যুত্শক্তি।

এসব প্রযুক্তি ব্যবহার করেই চলছে নতুন ধরনের নভোযান নির্মাণের চেষ্টা যা আগের চেয়ে কম সময়ে মঙ্গলে যেতে সক্ষম হবে।

গবেষকদের পরিকল্পনা হলো প্রথমে রাসায়নিক জ্বালানিচালিত রকেট দিয়ে পৃথিবী থেকে রকেট উেক্ষপণ হবে। নভোচারীদের প্রথমে নিয়ে যাওয়া হবে ওরায়ন ক্যাপসুলে—যা বর্তমানে নির্মাণাধীন একটি পুনর্ব্যবহারযোগ্য নভোযান। এটি আগে থেকেই চাঁদের কক্ষপথে থাকা গেটওয়ে নামের একটি স্পেস স্টেশনের সঙ্গে যুক্ত হবে।

সেখান থেকে অন্য আরেকটি ট্রান্সফার ভেহিকলের সঙ্গে যুক্ত হবে ওরায়ন এবং নভোচারীরা রওনা দেবেন মঙ্গলের উদ্দেশ্যে। এই নভোযানটি হবে একটি পারমাণবিক বৈদ্যুতিক রকেট। নভোচারীরা থাকবেন একটি ক্রু ক্যাপসুলে, সঙ্গে থাকবে একটি ট্রান্সপোর্ট মডিউল।

দুটিকেই মঙ্গলের কাছাকাছি পর্যন্ত নিয়ে যাবে এই পারমাণবিক বৈদ্যুতিক রকেট। মঙ্গলের কক্ষপথে আগে থেকেই থাকবে আরেকটি প্রদক্ষিণরত নভোযান, যাতে থাকবে একটি ল্যান্ডার অর্থাত্ মঙ্গলের মাটিতে অবতরণকারী যান। তার সঙ্গে ডকিং অর্থাত্ সংযুক্ত হবে পারমাণবিক বৈদ্যুতিক রকেট। তার পরই আসবে মঙ্গলের মাটিতে নভোচারীদের নামার পালা।

একই সঙ্গে পারমাণবিক বৈদ্যুতিক রকেটের যে পরিকল্পনা করা হয়েছে সে সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন বিজ্ঞানীরা।

এরোজেট রকেটডাইন প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক জো ক্যাসিডি বলছেন, আমরা মনে করছি নিউক্লিয়ার থার্মাল প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যা দিয়ে দ্রুত মহাকাশ ভ্রমণ সম্ভব হতে পারে। এ্যালাবামা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেল টমাস এ রকম একটি মহাকাশ রকেট ডিজাইনের কাজ করছেন।

তিনি বলছেন, ল্যাবরেটরি পরীক্ষা থেকে মনে হচ্ছে আমরা হয়তো মঙ্গলে যাত্রার সময়টা তিন মাসে কমিয়ে আনতে পারব।

নাসার সময়সূচি অনুযায়ী ২০৩৩ সাল নাগাদ মঙ্গলগ্রহে মানুষ পাঠানোর মিশন শুরু হতে পারে। তবে এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ মিশন শুরু হতে ২০৩৯ সাল পর্যন্ত লেগে যেতে পারে।-

বিবিসি

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
en English Version bn Bangla Version
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri