আন্তর্জাতিক আদালতের রায় ও রোহিঙ্গা সংকটের ভবিষ্যৎ

rohingya-ICC-loy.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(২৬ জানুয়ারী) :: আইসিজে বা ‘ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস’ রোহিঙ্গা গণহত্যার ব্যাপারে বহুল আলোচিত একটি অন্তর্বর্তী রায় দিয়েছে গত বৃহস্পতিবার। গাম্বিয়ার পক্ষ থেকে গেল নভেম্বরে এ মামলাটি করা হয়েছিল, আর ১২ ও ১৩ ডিসেম্বর দ্য হেগে এর শুনানি হয়। মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি নিজে মিয়ানমারের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন। ওই সময় গাম্বিয়ার পক্ষ থেকে চারটি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ চাওয়া হয়েছিল। বলা ভালো ওআইসি গাম্বিয়াকে দায়িত্বটি দিয়েছিল এ মামলাটি করার। আর সে মোতাবেক গাম্বিয়া মামলাটি করেছিল। এখন একটি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ এলো। আইসিজের ১৭ জন বিচারপতি সর্বসম্মতিক্রমে এ রায়টি দেন। আদালতের প্রধান বিচারপতি আবদুলকোয়াই আহমেদ ইউসুফ আদালতের এই রায়টি পড়ে শোনান।

আদালত যে অন্তর্বর্তী আদেশ দেয়, তার মাঝে রয়েছে : ১. গণহত্যাসহ সব নিপীড়ন থেকে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা দেওয়া; ২. রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সামরিক, আধাসামরিক অথবা এ জাতীয় থেকে সংস্থা এমন কোনো ব্যবস্থা বা কাজ করবে না যাতে মিয়ানমারের পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে; ৩. গণহত্যার কোনো আলামত নষ্ট না করা; ৪. মিয়ানমারের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গাদের বিষয়ে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সেই সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রতি চার মাস অন্তর অন্তর আন্তর্জাতিক আদালতের কাছে পেশ করতে হবে।

আইসিজের এই অন্তর্বর্তী রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার কোনো সুযোগ নেই। মিয়ানমার এ আদেশ মানতে বাধ্য। কিন্তু তারপরও কথা থেকে যায়। মিয়ানমার এখন কী করবে? নিঃসন্দেহে এই রায় মিয়ানমারের বিপক্ষে গেছে। এই রায়ের মধ্য দিয়ে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে যে একটি বিশেষ সুরক্ষার অধিকারী গোষ্ঠী, তা প্রমাণিত হলো। এ আদেশ মানতে মিয়ানমার বাধ্য এবং মানবেও। কিন্তু এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা যে নিজ বাসভূমে ফেরত যাবে, তার কোনো গ্যারান্টি নেই। আইসিজে এ ধরনের কোনো আদেশ দিতে পারে না। এখানে চীনের ভূমিকাটাকেও বিবেচনায় নিতে হবে। চীন রোহিঙ্গা সংকটে মিয়ানমারের পক্ষ অবলম্বন করেছিল। এমনকি আইসিজের রায়ের মাত্র এক সপ্তাহ আগে চীনা প্রেসিডেন্ট মিয়ানমার সফর করেছেন।

গত ১৮ জানুয়ারি চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মিয়ানমার সফর শেষ করেছেন। গত ১৯ বছরের মধ্যে কোনো চীনা প্রেসিডেন্টের জন্য এটা ছিল প্রথম মিয়ানমার সফর। একাধিক কারণে এ সফরের গুরুত্ব রয়েছে। প্রসঙ্গত, রোহিঙ্গা গণহত্যার ব্যাপারে সারা বিশ^ যখন মিয়ানমারের বিরুদ্ধে সোচ্চার এবং আইসিজেতে একটি রায়ের জন্য যখন সবাই অপেক্ষা করছিল, ঠিক তখনই চীনা প্রেসিডেন্ট মিয়ানমার সফর করলেন। এর মধ্য দিয়ে মিয়ানমার সরকারের প্রতি চীনা সমর্থন আবারও ব্যক্ত হয়েছিল এবং বিশ^ আসরে মিয়ানমারের পাশে যে চীন থাকবে, তার নিশ্চয়তা দেওয়া হলো। দ্বিতীয়ত, ওই সফরে মিয়ানমার ও চীন ৩৩টি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যার মধ্য দিয়ে চীন-মিয়ানমার সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে। তৃতীয়ত, চীন রাখাইনে কিয়াউকপিউ (Kyaukpyu) গভীর সমুদ্রবন্দর উন্নয়নে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে। এ ব্যাপারে চুক্তি হয়েছে। এ গভীর সমুদ্রবন্দরটি চীনের জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এর মধ্য দিয়ে বঙ্গোপসাগরে চীনা জাহাজের প্রবেশাধিকার ও নিয়ন্ত্রণ আরও সহজ হবে। একই সঙ্গে ১২১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ কিয়াউকপিউ-কুনসিং রেলপথ নির্মাণ করা হবে।

এ ব্যাপারেও একটি চুক্তি হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ইউনান রাজ্যের পণ্য কিয়াউকপিউ গভীর সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করে বহির্বিবিশ্ব রপ্তানি করা সহজ হবে। এটা মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডরের অংশ। একসময় এ করিডরের সঙ্গে বাংলাদেশ সম্পৃক্ত ছিল, যা পিসিআইএস করিডর নামে পরিচিত ছিল (বাংলাদেশ-চীন-ভারত-মিয়ানমার)। পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ ও ভারতকে বাদ দিয়েই চীন মিয়ানমারকে সম্পৃক্ত করে এই অর্থনৈতিক করিডরের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে। জিসিআইএস করিডরের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল কক্সবাজারের সমুদ্র-উপকূলে সোনাদিয়ায় একটি গভীর সমুদ্রবন্দর। চীন এ বন্দরটি নির্মাণ করতে চেয়েছিল। কিন্তু ভারতের আপত্তির কারণে সেই পরিকল্পনাটি পরিত্যক্ত হয়। ফলে চীন বঙ্গোপসাগর ঘেঁষে রাখাইনের কিয়াউকপিউতে একটি গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ করছে এবং সেখানে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চলও গড়ে তুলছে চীন।

চীন যে ৩৩টি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, তার একটা বড় অংশ হচ্ছে বিনিয়োগ। এ বিনিয়োগ হবে রাখাইনে, যেখান থেকে রোহিঙ্গাদের উচ্ছেদ করা হয়েছিল। সারা বিশ্ব যেখানে বলছে রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে হবে এবং কফি আনান কমিশনের যেখানে সুপারিশ ছিল রোহিঙ্গাদের নিজ বাসভূমে তাদের নিজের বসতভিটায় পুনর্বাসন করতে হবে, সেখানে চীনা প্রেসিডেন্ট বিনিয়োগের চুক্তি স্বাক্ষর করে গেলেন, যাতে ওই রোহিঙ্গা বসতিতেই কৃষিভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে। ফলে রোহিঙ্গাদের নিজ বাসভূমে ফেরত আনার প্রশ্নের সৃষ্টি হলো বড় ধরনের অনিশ্চয়তার। তারা আর তাদের নিজ বাসভূমে ফিরতে পারছেন না। গেল নভেম্বরে (২০১৯) আইসিজেতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে যে মামলা (গাম্বিয়া কর্তৃক) হয়েছিল এখন তার রায় হলো। মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি নিজে দ্য হেগে মামলা পরিচালনা করেছিলেন।

তিনি তখন কোর্টে মিথ্যাচারও করেছিলেন। তিনি গণহত্যার পক্ষেই সেখানে সাফাই গেয়েছিলেন। বাস্তবতা হচ্ছে, অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে রোহিঙ্গা মুসলমানদের তাদের ঘরবাড়ি থেকে উৎখাত করা হয়েছিল। সেনাবাহিনীর সদস্যরা যে রোহিঙ্গাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিচ্ছে, এই ছবি স্যাটেলাইট থেকে ধারণ করা হয়েছিল। এখনো এসব ছবি ইন্টারনেটে পাওয়া যায়। সুতরাং সু চি যখন আদালতে সেনাবাহিনীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার কারণে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা দেশত্যাগ করেছেন বলে মন্তব্য করেছিলেন তখন তার ওই যুক্তি ধোপে টেকেনি। আদালতকে তিনি বলেছিলেন, রাখাইনের বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের (রোহিঙ্গা শব্দটি তিনি ব্যবহার করেননি) বিতাড়নের বিষয়টি ‘মানবতাবিরোধী’ অপরাধ হলেও গণহত্যা নয়। এটাও মিথ্যা কথা।

কেননা ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে ৪৪৪ পৃষ্ঠার এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। তাতে বলা হয়, হত্যা, গণধর্ষণ, শারীরিক লাঞ্ছনার ব্যাপক প্রমাণ রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ড মানবতাবিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ ও গণহত্যাবিষয়ক বিচারের আওতায় পড়ে। শীর্ষ স্থানীয় সামরিক কর্মকর্তাদের নাম উল্লেখ করে তদন্ত ও বিচারের কথা বলা হয়েছিল ওই প্রতিবেদনে। সু চি দ্য হেগে সেই প্রতিবেদনকেও অস্বীকার করেছিলেন। এটা মিথ্যাচার ও সত্যকে অস্বীকার করার শামিল। বলার অপেক্ষা রাখে না, যুক্তরাষ্ট্র সরকার সম্প্রতি চরমভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য মিয়ানমারের চার জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। সু চি তখন আদালতকে এ কথাও বলেছিলেন যে, মিয়ানমারের কয়েকজন সেনা কর্মকর্তার বিচার হয়েছে। তিনি মনে করেন, ১৯৪৮ সালের গণহত্যা সনদে মিয়ানমারের বিচার এ ক্ষেত্রে প্রয়োগ নয়। এটাও ভুল ব্যাখ্যা ও মিথ্যাচার।

মিয়ানমারের গণহত্যা হয়েছে এবং জাতিসংঘের অনুসন্ধানে তা প্রমাণিত হয়েছে। সুতরাং ১৯৪৮ সালের ‘জেনোসাইড কনভেনশন’ এখানে প্রযোজ্য। কনভেনশনের ৩নং অনুচ্ছেদে কোন ধরনের অপরাধ শাস্তিযোগ্য অপরাধ, তা উল্লেখ করা হয়েছে। অনুচ্ছেদ ২-এ ‘অপরাধ’-এর ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়েছে। অনুচ্ছেদ ৩-এ উল্লেখ করা হয়েছে যে, ‘গণহত্যা’, ‘ষড়যন্ত্র করে হত্যা’, ‘উত্তেজনা সৃষ্টি করে হত্যা’, কিংবা ‘কুকর্মের সহযোগিতায় হত্যা’ ইত্যাদি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে এবং জেনোসাইড কনভেনশনের ১নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সুতরাং রাখাইনে যে ‘অপরাধ’ সংঘটিত হয়েছে, তা সু চি অস্বীকার করলেও আইসিজে তা স্বীকার করেছে। সু চি আদালতকে আরও বলেছিলেন, রাখাইনের সংঘাতকে আরও গভীর করতে পারে, এমন কিছু আইজিসের করা উচিত নয়।’ এটা ছিল আদালতের কার্যক্রমে হস্তক্ষেপের শামিল। আদালত ব্যক্তি বা রাষ্ট্রের কথায় চলে না। আদালত চলে সত্য ঘটনার ওপর। রাখাইনে গণহত্যা হয়েছে। ধর্ষণ হয়েছে। বড় ধরনের অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। তদন্তে তা প্রমাণিতও হয়েছে।

‘জেনোসাইড কনভেনশন’ অনুযায়ী তাই বিচার হচ্ছে। সু চি আরও একটি মিথ্যাচার করছিলেন, যখন তিনি আদালতকে বলেছিলেন, বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রতিক্রিয়ার সহায়তা করছে! কী চমক মিয়ানমারে! রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রশ্নে বাংলাদেশের সঙ্গে একটি চুক্তি হয়েছে বটে। কিন্তু তা ছিল লোক দেখানো, বিভ্রান্তিকর। একজন লোকও ওই ‘প্রত্যাবাসন চুক্তি’ অনুযায়ী মিয়ানমারে ফেরত যায়নি। উপরন্তু নানা ফন্দি-ফিকির করে এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া বিলম্বিত করা হচ্ছে। প্রত্যাবাসনের জন্য যে ‘ফরম’ সরবরাহ করা হয়েছে, তা বিভ্রান্তিকর ও জটিল। রোহিঙ্গারা এই ‘ফরম’ প্রত্যাখ্যান করেছে। ফলে তারা ফেরত যেতে চাচ্ছে না। অথচ

সু চি আদালতকে বললেন, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ রাজি হয়েছে। এটা ভুল তথ্য। চুক্তি হয়েছে বটে। তবে নিজ নাগরিকদের ফেরত নেওয়ার দায়িত্ব মিয়ানমারের। কিন্তু মিয়ানমার সে কাজটি করেনি। বাংলাদেশের সঙ্গে প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও, নানা টালবাহানা করে মিয়ানমার একজন রোহিঙ্গাকেও ফেরত নেয়নি। কেননা এর সঙ্গে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বের বিষয়টি সরাসরি জড়িত। মিয়ানমারে ১৯৮২ সালে যে আইনটি পাস হয়েছে (১৯৮২ )ি, এর মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে অস্বীকার করা হয়েছে। সংকটের মূল সমাধান এখানে নিহিত। কিন্তু আইসিজে এ ব্যাপারে কোনো মতামত দিতে পারে না। সব মিলিয়ে মিয়ানমার রোহিঙ্গা প্রশ্নে এক ধরনের ‘চাপ’ আছে। অং সান সু চি নিজে দ্য হেগে আদালতে উপস্থিত থেকে এই ‘চাপ’ কমাতে পারেননি এবং বিতর্কিত হয়ে অত্যন্ত ক্ষমতাবান জেনারেল সিন আউং সাইয়ংয়ের স্বার্থ রক্ষা করে ২০২০ সালের নির্বাচনী বৈতরণী তিনি পার হতে চাচ্ছেন। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, মিয়ানমারের সংবিধান সংশোধনীতে সেনাবাহিনী সায় দেবে না এবং তার প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিযুক্তির সম্ভাবনাও ক্ষীণ।

গাম্বিয়ার প্রতিনিধি আদালতকে ওই সময়কার রোহিঙ্গা হত্যা ও নির্যাতনের কথা আদালতকে বলেছিলেন। আদালতের ১৭ জন বিচারপতি এখন গাম্বিয়ার এ আর্জি স্বীকার করলেন। রায়ে যাই বলা হোক না কেন, আইসিজের একটা সীমাবদ্ধতা আছে। আইসিজে নিজে কোনো ‘রায়’ বাস্তবায়ন করতে পারে না। রায় বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিতে হবে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে। ফলে আইসিজে গেল বৃহস্পতিবার যে অন্তর্বর্তী আদেশটি দিল, তাতে করে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রশ্নে মিয়ানমারের অবস্থান খুব একটা পরিবর্তন হবে বলে মনে হয় না। সব রোহিঙ্গাকে নিজ বাসভূমে ফেরত নিতে হবে। তাদের নাগরিকত্বের বিষয়টি সমাধান করতে হবে। রায়ের সূত্র ধরে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে বিচার করতে হবে। এটা করা যদি সম্ভব হয় এবং আন্তর্জাতিক কমিউনিটি যদি এ কাজটি করতে পারে, তাহলে সুবিচার নিশ্চিত হবে। না হলে আইসিজের একটি অন্তর্বর্তী আদেশ দিয়ে মিয়ানমারের গণহত্যার বিষয়টির কোনো সমাধান হবে না।লেখক

লেখক-তারেক শামসুর রেহমান : অধ্যাপক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

Share this post

PinIt
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri