buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

পেকুয়ার রাজাখালীতে গোপনে কমিটি ঘোষনা নিয়ে তুমুল বিতর্ক

Screenshot_2020-02-28-nazim-pekua-28-02-20-chanchalcox-gmail-com-Gmail.jpg

নাজিম উদ্দিন,পেকুয়া(২৮ ফেব্রুয়ারী) :: পেকুয়ায় আ’লীগের মিছিলে গুলি বর্ষনকারী সেই ছৈয়দ নুর চেয়ারম্যানকে সভাপতি ঘোষনা করা নিয়ে তুমুল বিতর্ক ও হট্টগোল দেখা দিয়েছে। সম্মেলন ও কাউন্সিল ছাড়া বিতর্কিত ব্যক্তিদের নিয়ে ক্ষমতাসীন দল আ’লীগের রাজাখালী ইউনিয়ন কমিটি ঘোষনাকে কেন্দ্র করে এ বিতর্কের সুত্রপাত হয়েছে। আ’লীগের মিছিলে গুলিবর্ষণকারী সেই ছৈয়দ নুরকে কেন সভাপতি ঘোষনা করা হয়েছে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত হতে চলছে। কমিটি ঘোষনা ও ঘোষিত কমিটিকে প্রতিহত করতে রাজাখালীতে উত্তপ্ত অবস্থা বিরাজ করছে।

এ উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে রাজাখালী ইউনিয়ন আ’লীগ এক জরুরী বৈঠকে মিলিত হয়েছে। বৈঠকে ইউনিয়ন আ’লীগের বর্তমান কমিটির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের নেতৃত্বে সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠনও যোগ দিয়েছে। মুল রাজনৈতিক শক্তি আ’লীগের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে এ ইউনিয়ন আ’লীগের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসমুহও। বৈঠক থেকে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলন আহবান করা হয়েছে।

ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি বর্ষিয়ান নেতা নুরুল ইসলাম বিএসসির বাসভবনে অনুষ্টিত জরুরী বৈঠকে ইউনিয়ন আ’লীগের অধিকাংশ নেতা ও ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি-সম্পাদক ছাড়াও জৈষ্ট্য নেতারা উপস্থিত হয়েছেন। ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি নুরুল ইসলাম বিএসসির সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক আবুল কাশেম আজাদের সঞ্চালনায় অনুষ্টিত জরুরী বৈঠকে সিনিয়র ও কনিষ্ট নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

২৮ ফেব্রুয়ারী (শুক্রবার) বিকেলে অনুষ্টিত জরুরী সভা ও প্রেস ব্রিফিংয়ে নেতৃবৃন্দরা বলেছেন রাজাখালীতে আ’লীগ এক এবং অভিন্ন। ৬০এর দশক থেকে আ’লীগের নেতা-কর্মীরা ঐক্যবদ্ধ থেকে এখানে অবিচার ও জুলুমের বিরুদ্ধে সোচ্চার। নীতি ও আদর্শ নিয়ে আ’লীগের নেতা-কর্মীরা রাজনীতি করে। কোন অপশক্তির কাছে কখনো আপোষ করেননি। কিন্তু পরিতাপের বিষয় এ ঐক্যবদ্ধ আ’লীগকে স্তব্দ করার জন্য একটি চক্র আমাদের উপর অবিচার করছে।

এর প্রেক্ষিতে গত ২৮ ফেব্রুয়ারী বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় ও অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে দু’ব্যক্তিকে আ’লীগের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক উল্লেখ করে সংবাদ প্রকাশ করেছে। ওই সংবাদ দেখে আমরা বিস্মিত ও স্তম্ভিত হয়েছি।

সংবাদে বলা হয়েছে রাজাখালী ইউনিয়ন আ’লীগের কমিটিতে ছৈয়দ নুর সভাপতি ও নাছির উদ্দিনকে সাধারন সম্পাদক করা হয়েছে। আমরা ওই সংবাদের মর্মমতে ইউনিয়ন আ’লীগের দু’জনকে নিয়ে ঘোষিত কমিটি দেখামাত্র জরুরী সভায় মিলিত হয়েছি। ওই কমিটি ঘোষনা ও প্রকাশিত সংবাদ আমরা একযোগে প্রত্যাখ্যান করছি। আমরা রাজাখালী ইউনিয়ন আ’লীগ স্পষ্ট বলছি ঘোষিত কমিটি মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আ’লীগ একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল।

এ দলের নেতা নির্বাচিত হন নেতা-কর্মীদের ভোটে। দল পরিচালনার জন্য কমিটি আছে। রয়েছে স্বতন্ত্র গঠনতন্ত্রেও। একক ব্যক্তির ইশারায় কোন ব্যক্তি সভাপতি-সম্পাদক হতে পারেননা। বর্তমান কমিটি ত্রিবার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিলের মাধ্যমে নির্বাচিত। আমরা একটি সফল সম্মেলন ও কাউন্সিলের জন্য একীভূত হয়েছিলাম। ওয়ার্ড কমিটির সম্মেলন সমাপ্ত করেছি।

কাউন্সিলার তালিকা প্রস্তুত করে অনুমোদনের জন্য উপজেলা আ’লীগের সম্মেলন প্রস্তুতির কাছে প্রেরন করেছি। সম্মেলনের জন্য দিনক্ষন চুড়ান্ত করা হয়েছিল। কিন্তু প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক আবু হেনা মোস্তফা কামাল চৌধুরী কাউন্সিলার তালিকা অনুমোদন না দিয়ে আটকিয়ে রাখে। যার ফলে বিলম্ব হয়েছে। আমরা একটি পকেট কমিটি গঠনের পূর্বাভাস দেখতে পেয়েছি।

সম্মেলন ছাড়া কমিটি অনুমোদন না করতে আমরা জেলা আ’লীগ বরাবর লিখিত আবেদন দিয়েছি। জেলা আ’লীগের কার্যকরী কমিটির মিটিংয়ে রাজাখালীকে নিয়ে নির্দেশনা এসেছে। কিন্তু এর চারদিন পর হঠাৎ পত্রিকায় এ দুইজনকে নিয়ে কমিটি দেখতে পায়। ছৈয়দ নুর সভাপতি ও নাছির উদ্দিনকে সাধারন সম্পাদক করে কমিটি ঘোষনা দেখে আমরা স্তম্ভিত হয়েছি। উপজেলা আ’লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক আবু হেনা মোস্তফা কামাল ও সদস্য সচিব আবুল কাশেম দুইজনে কমিটি অনুমোদন দিতে পারেননা।

ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি নুরুলইসলাম বিএসসি জানান, ষাটের দশক থেকে আমি আ’লীগের নেতৃত্ব দিচ্ছি। যে সময় এখানে মানুষ আ’লীগ করতেন না। সে সময় থেকে আমরা হাল ধরেছি। শেষ বয়সে এভাবে অপমান করবে বুঝতে খুবই কষ্ট পাচ্ছি।

ছৈয়দনুর ২০১৩ সালের ২৭ অক্টোবর সবুজ বাজারে আ’লীগের নেতাকর্মীদের উপর আক্রমন চালায়। অর্ন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান হচ্ছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। এর প্রতিবাদে বিএনপি জামাত সারা দেশে সহিংস ঘটনা ঘটায়। রাজাখালীতে ছৈয়দনুর তার ভাই যুবদল সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নুরুল আবছার বদুসহ বিএনপি জামাত স্বসস্ত্র ক্যাডাররা গুলি ছোঁড়ে সবুজ বাজারে। সে সময় আ’লীগ নেতাকর্মীদের উপর গুলি চালায় এ ছৈয়দনুর। তাকে সভাপতি করা মানে আ’লীগ নিধন করা।

সম্পাদক আবুল কাসেম আযাদ জানান, ছৈয়দনুর ও নাছির আমাদের ইউনিয়ন কমিটি ও ওয়ার্ড় কমিটিতেও ছিলেন না। একজন আ’লীগের উপর আক্রমন করেছে। অন্যজন বিএনপি থেকে অনুপ্রবেশ করেছে।

তারা বির্তকিত।ইউনিয়ন আ’লীগের যুগ্ন সম্পাদক এতেরাফ সিকদার বলেন, সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক আবুহেনা একজন বিতর্কিত ব্যক্তি। তার পুরো পরিবার বিএনপি করে। তার চাচা জিয়ার সাথে বিএনপি প্রতিষ্টা করেছে। তারা মনে প্রানে আ’লীগ বিদ্বেসী। চেতনা ভিন্ন তাই আ’লীগকে দুর্বল করার মিশনে লিপ্ত। এ ব্যক্তির দ্বারা কিভাবে আ’লীগ ঐক্যবদ্ধ হবে এ প্রশ্ন আমাদের।

ইউনিয়ন আ’লীগের সহ-সভাপতি মাষ্টার আহমদ হোসেন, মাষ্টার নুর মুহাম্মদ, সেকান্দার, হাজি শাহ আলম, আইন বিষয়ক সম্পাদক মাষ্টার মোজাহেরুল হক, মুক্তিযুদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক হাজী আবু তাহের, সাংগঠনিক সম্পাদক ছৈয়দুল আলম, দপ্তর সম্পাদক আবুল কালাম আযাদ,প্রচার সম্পাদক জালাল আহমদ, অর্থ সম্পাদক গোলাম, মোস্তফা জানান, আমরা সম্মেলন ও কাউন্সিল ছাড়া ইউনিয়ন কমিটি মেনে নিবনা। প্রয়োজনে রাজপথে নামব। তবু বিতর্কিত ব্যক্তি ও সাম্প্রদায়িক শক্তির অনুচরদের নিয়ে আ’লীগ করবা না।

ইউনিয়ন আ’লীগ নেতা জহির উদ্দিন, রাজা মিয়া, আহমদ ছবি, নুরুল আলম,শাহ আলম জানায়, ছৈয়দ নুর ও নাছির দু’জনেই অক্ষর জ্ঞানহীন ব্যক্তি। এ দু’জনের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, অস্ত্র আইনে ৩০/৩৫টি মামলা আছে। র‌্যাব আটক করেছিল বিপুল পরিমান অস্ত্র নিয়ে। তারা জানান, ছৈয়দনুর ইউপি নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন। নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট করে জিতেছে।

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri