buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

পেকুয়ায় কমিটি ঘোষনা নিয়ে আ’লীগের নেতা ও শিক্ষকের মধ্যে মারপিট

marpit-mardhor.jpg

নাজিম উদ্দিন,পেকুয়া(৩ মার্চ) :: কক্সবাজারের পেকুয়ায় রাজাখালী ইউনিয়ন আ’লীগের পকেট কমিটি ঘোষনাকে কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীন দল আ’লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি ও মারপিট হয়েছে। এ সময় সদর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি এম,আজম খান আহত হয়েছেন বলে দলীয় সুত্র নিশ্চিত করে। তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

এর সুত্র ধরে পেকুয়া মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও আ’লীগ নেতা হানিফ চৌধুরীকে উত্তেজিত কয়েক জন নেতা-কর্মী মারধর করে। তাকেও লাঞ্চিতও করা হয়েছে। খবর পেয়ে ক্ষমতাসীন দলের আরেকটি গ্রুপ এসে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে। উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। উত্তেজনা প্রশমিত করতে পেকুয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে।

এ সময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। তবে বড় ধরনের মারপিট ও সংঘাতের শংকায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের প্রশাসনিক প্রাণকেন্দ্র চৌমুহনী কলেজ গেইট ষ্টেশনে লোকজন মুহুর্তের মধ্যে সটকে পড়ে। নিরাপত্তার ভয়ে ব্যবসায়ীরা বেশ কিছু দোকান পাট বন্ধ করে। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম এসে দোকান পাট খুলে দেন। পুলিশ পৌছলে উভয়পক্ষ ওই স্থান ত্যাগ করে। তবে বড় ধরনের অপ্রীতিকর তেমন ঘটনা সংঘটিত হয়নি।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৩ মার্চ (মঙ্গলবার) রাত ৯ টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত চৌমুহনী কলেজ গেইটে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। বিরাজ করছে থমথমে অবস্থা। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পেকুয়া থানা পুলিশ চৌমুহনী মোড়ে অবস্থান নিয়েছে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭ টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের কলেজ গেইট চৌমুহনীতে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই দিন রাত সাড়ে ৭ টার দিকে চৌমুহনী মসজিদ মার্কেটের একটি কুলিং কর্ণারে বসে সদর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি এম,আজম খান ও আ’লীগ নেতা ও প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি পেকুয়া উপজেলার সভাপতি মাষ্টার হানিফ চৌধুরী, উজানটিয়া আ’লীগের সভাপতি এম,তোফাজ্জল করিমসহ ৪/৫ জন নেতা কর্মী চা-নাস্তা করছিলেন।

এ সময় রাজাখালীতে সম্প্রতি একটি পকেট কমিটি ঘোষিত হয়েছে। ওই কমিটির সভাপতি ছৈয়দ নুর ও সাধারন সম্পাদক নাছির উদ্দিনের কর্মকান্ড নিয়ে নানাবিধ কথাবার্তা হয়। কমিটির পক্ষ বিপক্ষ নিয়ে হানিফ চৌধুরী ও আজম খানের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এ সময় এ দু’জনের মধ্যে হাতাহাতি হয়। কিছুক্ষনের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়।

পেকুয়া থানার ওসি কামরুল আজম জানান, আসলে তারা সবাই আ’লীগ। দু’জনই শিক্ষিত লোক। এটি খুবই বিশ্রী হয়েছে।

তবে ক্ষমতাসীন দল আ’লীগের দায়িত্বশীল কয়েকজন সিনিয়র নেতা জানান, পেকুয়ায় রাজাখালীর কমিটি ঘোষনা আ’লীগের জন্য অশনি সংকেত। কাউন্সিল না করে এ ধরনের গোপন কমিটির বৈধতা নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে মত তৈরী হয়েছে। হয়েছে আ’লীগ নেতা-কর্মীদের মধ্যে অন্ত;কোন্দল। এর পরিধি আরও বাড়তে থাকবে। দ্রুত ওই পকেট কমিটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে হবে। না হয় হানাহানি বাড়বে।

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri