buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

ইউরোপে দলবদলের বাজারে বিশ্বের শীর্ষ দশ ফুটবলার

FOOTBALLER-696x464.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(১৯ মার্চ) :: লিওনেল মেসি অনেকের কাছেই বিশ্বের সেরা ফুটবলার। অনেকের কাছে সর্বকালের অন্যতম সেরাও। এ নিয়ে পাল্টা যুক্তিও কম নেই। তবে বার্সেলোনা তারকা এ মুহূর্তে কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলার নন। এমনকি বর্তমান বাজার মূল্য হিসেব করলে মেসি শীর্ষ পাঁচেও নেই। করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে ইউরোপে থেমে গেছে শীর্ষ পাঁচ লিগ। মাঠে খেলা না থাকায় দলবদলের বাজারে চোখ পড়েছে বিশ্লেষকদের। আগামী মৌসুমে কার কত দাম হতে পারে? দলবদলের বাজার ও ফুটবলারদের নানা হালনাগাদ তথ্য-উপাত্ত সরবরাহকারী জার্মান ওয়েবসাইট ‘ট্রান্সফারমার্কেট’ বর্তমানে দামের দিক থেকে শীর্ষ দশ ফুটবলারের তালিকা করেছে। আসুন দেখে নেই—

১০. আঁতোয়ান গ্রিজমান (বার্সেলোনা):
ফ্রান্সের হয়ে বিশ্বকাপজয়ী গ্রিজমান গত বছর অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ছেড়ে যোগ দেন বার্সেলোনায়। কাতালান ক্লাবটির হয়ে এবার প্রথম মৌসুমে এখন পর্যন্ত ৩৭ ম্যাচে করেছেন ১৪ গোল। বার্সা আক্রমণভাগের এ তারকার দামের এতটুকু হেরফের ঘটেনি। বার্সা তাঁকে যে দামে কিনেছিল বাজারে গ্রিজমানের দাম এখনো সে অঙ্কই আছে—১২০ মিলিয়ন বা ১২ কোটি ইউরো।

জ্যাডন সাঞ্চো। ছবি: এএফপি

৯. জ্যাডন সাঞ্চো (বরুসিয়া ডর্টমুন্ড):
বিশ্বের সবচেয়ে প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ ফুটবলারদের একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয় সাঞ্চোকে। ২০১৭ সালে তাঁকে ম্যানচেস্টার সিটি থেকে ৮ মিলিয়ন পাউন্ডে কিনেছিল জার্মান ক্লাবটি। ডর্টমুন্ডের হয়ে দুর্দান্ত দুটি মৌসুম কাটিয়েছেন ১৯ বছর বয়সী এ ইংলিশ উইঙ্গার। এ মৌসুমের খেলা মাঠে গড়াক বা না গড়াক, সামনের মৌসুমে ক্লাবগুলো যে তাঁকে কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়বে এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। সে ক্ষেত্রে ইংলিশ তরুণকে বিক্রি করতে বেশ বড় অঙ্কের অর্থ কামানোর সুযোগ রয়েছে ডর্টমুন্ডের। এখন তাঁর বাজার মূল্য যে ১২০ মিলিয়ন বা ১২ কোটি ইউরো।

৮. লিওনেল মেসি (বার্সেলোনা):
৩২ বছর বয়সেও তিনি বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলারদের একজন। বার্সা এখনো তাঁর পায়ে ভরসা রেখেই মাঠে নামে। কিন্তু সত্যটা হলো, রিলিজ-ক্লজ (বার্সেলোনার ইচ্ছার বাইরে মেসিকে কিনতে গেলে যে দাম দিতে হবে আগ্রহী ক্লাবকে) মূল্য ৭০০ মিলিয়ন ইউরো হলেও মেসির বাজার দর কমেছে। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতেও আর্জেন্টাইন তারকার দাম ছিল ১৮০ মিলিয়ন ইউরো। ডিসেম্বরে তা নেমে আসে ১৬০ মিলিয়ন ইউরোয়। তবে গত বছরের ডিসেম্বরে মেসির যে দাম ছিল তা এখনো টিকে আছে—১৪০ মিলিয়ন বা ১৪ কোটি ইউরো।

৭. কেভিন ডি ব্রুইনা (ম্যানচেস্টার সিটি):
ম্যানচেস্টার সিটিতে পেপ গার্দিওলার অন্যতম ভরসা। বেলজিয়ামের এ অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার সাম্প্রতিক সময়ে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে দুর্দান্ত খেলেছেন। ২০১৫ সালে ভলফসবুর্গ থেকে ৫৫ মিলিয়ন পাউন্ডে সিটিতে যোগ দিয়েছিলেন ব্রুইনা। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে তাঁর দাম উঠেছিল ১৮০ মিলিয়ন ইউরো। সে তুলনায় ডি ব্রুইনার দাম এখন কমেছে। এখন তাঁর বাজার মূল্য ১৫০ মিলিয়ন বা ১৫ কোটি ইউরো।

৬. হ্যারি কেন (টটেনহাম হটস্পার্স):
টটেনহাম হটস্পার্সের হয়ে নিজেকে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকারে পরিণত করেছেন হ্যারি কেন। গত পাঁচ মৌসুমে গড়ে ৩০টির বেশি করে গোল করেছেন এই ইংলিশ স্ট্রাইকার। কেনের দাম তাই গত দুই বছরে কম-বেশি হয়নি। ২০১৮ সালের মার্চে তাঁর বাজার দর ছিল ১৫০ মিলিয়ন বা ১৫ কোটি ইউরো। এখনো দামটা একই আছে।

মোহাম্মেদ সালাহ। ছবি: এএফপি

৫. মোহাম্মেদ সালাহ (লিভারপুল):
লিভারপুলের হয়ে নিজের জাতটা চিনিয়ে যাচ্ছেন মোহাম্মেদ সালাহ। মিসরীয় এ ফরোয়ার্ড পারফরম্যান্সে টেক্কা দিয়েছেন ইউরোপের বাঘা বাঘা তারকাদের। ২০১৭ সালে এএস রোমা থেকে ৪২ মিলিয়ন ইউরোয় তাঁকে কিনেছিল লিভারপুল। এই তিন বছরে নিজের দামটা এক শ মিলিয়নের ওপাশে নিয়ে গেছেন ২৭ বছর বয়সী তারকা। ২০১৮ সালের মে মাসেও সালাহর বাজার দর ছিল ১৫০ মিলিয়ন বা ১৫ কোটি ইউরো। এ দুই বছরে তাঁর দাম না বাড়লেও কমেনি।

৪. সাদিও মানে (লিভারপুল):
লিভারপুলের ‘ত্রয়ী’ আক্রমণভাগের অন্যতম তারকা। কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপের অধীনে অপ্রতিরোধ্য ফর্মে আছেন সেনেগালিজ ফরোয়ার্ড। গত বছরও তাঁর দাম ছিল ১২০ মিলিয়ন ইউরো। কিন্তু এ বছর তা বেড়েছে। ১৫০ মিলিয়ন বা ১৫ কোটি ইউরো বাজার দর মানের।

৩. নেইমার (পিএসজি):
বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা তিন ফুটবলারের একজন। ব্রাজিলিয়ান এ তারকা খেলা এবং খেলার বাইরের কর্মকাণ্ডে আলোচনায় থাকেন সব সময়ই। তবে গত বছরের তুলনায় নেইমারের বাজারদর কিন্তু কমেছে। গত বছর জুনেও তাঁর দাম ছিল ১৮০ মিলিয়ন ইউরো। চোট এবং নানা কারণে পরের কয়েক মাসে দাম কমেছে নেইমারের। গত বছরের ডিসেম্বরে ১৬০ মিলিয়ন বা ১৬ কোটি ইউরো দামটা এখনো ধরে রাখতে পেরেছেন নেইমার।

২. রাহিম স্টার্লিং (ম্যানচেস্টার সিটি):
এমনিতে দেখে তেমন কিছু মনে হয় না। তবে মাঠের খেলা দেখলে মনে হবে, এ ছেলের মধ্যে আগুন আছে। ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে এভাবেই নিজেকে মেলে ধরছেন স্টার্লিং। গত বছর জুনে তাঁর দাম ছিল ১৪০ মিলিয়ন ইউরো। এ কয়েক মাসে দাম বেড়েছে ইংলিশ তারকার। এখন স্টার্লিংয়ের দাম ১৬০ মিলিয়ন বা ১৬ কোটি ইউরো।

কিলিয়ান এমবাপ্পে। ছবি: এএফপি

১. কিলিয়ান এমবাপ্পে (পিএসজি):
ফ্রান্সের ‘গোল্ডেন বয়’ বললে মোটেও অত্যুক্তি হবে না। প্রায় কিশোর বয়সেই জিতেছেন বিশ্বকাপ। খেলা দিয়ে কেড়েছেন জগতের আলো। ২১ বছর বয়সী এ ফরোয়ার্ডের দাম গত দুই বছরে কমেনি। ২০১৮ সালে তাঁর দাম যা ছিল এখনো সেই ২০০ মিলিয়ন বা ২০ কোটি ইউরোই আছে। রিয়াল মাদ্রিদ বেশ আগে থেকেই এমবাপ্পেকে কিনতে আগ্রহী।

৩৬ হাজার কোটি টাকা হারাতে বসেছে ইউরোপের পাঁচ লিগ

ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগ আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে। ছবি: টুইটার

 

 

 

 

করোনাভাইরাসের কারণে ইউরোপের সব ফুটবল লিগ বন্ধ। পরিস্থিতির অবনতি হলে খেলা যদি আর মাঠে না গড়ায় তাহলে প্রচুর রাজস্ব হারাবে ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ ফুটবল লিগ। করোনাভাইরাস মহামারি হয়ে ওঠায় ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগ স্থগিত হয়েছে। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ, লা লিগা, ইতালিয়ান সিরি ‘আ’, বুন্দেসলিগা ও লিগ ওয়ান। ইংল্যান্ড, স্পেন, ইতালি, জার্মানি ও ফ্রান্সের লিগগুলো কবে আবার শুরু হবে কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছে না। এর মধ্যে শুরু হয়ে গেছে লোকসানের হিসেব কষাও। মৌসুমের বাকি সময়ে এ পাঁচ লিগ আর মাঠে না গড়ালে আর্থিক ক্ষতিটা কেমন হবে? রাজস্ব হারাতে হবে কত?

ডাচ বহুজাতিক গবেষণা সংস্থা ‘কেপিএমজি’ জানিয়েছে, ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের খেলা এ মৌসুমে আর না গড়ালে বেশ বড় অঙ্কের রাজস্বই হারাতে হবে। সব মিলিয়ে অঙ্কটা ৪.৩৩ বিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৬ হাজার ৯৬৪ কোটি টাকা)। বিশ্বের অন্যতম সেরা এই গবেষণা সংস্থা পাঁচটি লিগের বাকি ম্যাচের তারিখ, সম্প্রচার এবং বাণিজ্যিক খাতের সম্ভাব্য রাজস্ব হিসেব করে এ তথ্য জানিয়েছে।

কেপিএমজির হিসেব মতে, সবচেয়ে বেশি রাজস্ব হারাবে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ। এ মৌসুমে আর খেলা না গড়ালে সব মিলিয়ে ১.২৫ বিলিয়ন ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১১হাজার ৬৩৫ কোটি টাকা) রাজস্ব হারাবে প্রিমিয়ার লিগ। এর মধ্যে শুধু সম্প্রচার খাত থেকেই ৮০০ মিলিয়ন ইউরো হারাবে (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৭ হাজার ৪৪৬ কোটি টাকা) তারা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘লিগের সঙ্গে যেসব সম্প্রচার সংস্থার চুক্তি রয়েছে তারা অর্থ ফেরত চাইতে পারে যদি খেলা আর মাঠে না গড়ায়।’

একইভাবে সম্প্রচার সংস্থার কাছ থেকে ৬০০ মিলিয়ন ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫ হাজার ৫৮৫ কোটি টাকা) হারাতে পারে লা লিগা। আর সিরি ‘আ’ হারাতে পারে ৪৫০ মিলিয়ন ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪ হাজার ১৮৮ কোটি টাকা)। বুন্দেসলিগা হারাতে পারে ৪০০ মিলিয়ন ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩ হাজার ৭২৩ কোটি টাকা) ও লিগ ওয়ান ২০০ মিলিয়ন ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ হাজার ৮৬১ কোটি টাকা)।

৩০ জুনের মধ্যে ক্লাব মৌসুম শেষ করার কথা উয়েফার। কিন্তু করোনাভাইরাস বিশ্বব্যাপী যেভাবে ছড়িয়ে পড়েছে তাতে এ সময়ের মধ্যে ক্লাব মৌসুম শেষ না হওয়ার শঙ্কাই এখন বেশি মনে হচ্ছে।

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri