buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort

করোনায় থমকে গেছে বিশ্বের ব্যাস্ততম শহর নিউইয়র্ক !(ভিডিও সহ)

ny-cv.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(১৯ মার্চ) :: বিশ্বের যতগুলো ব্যস্ততম শহর রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে নিউইয়র্ক সিটি। আর এ সিটির প্রাণ হচ্ছে ম্যানহাটন। করোনাভাইরাস সংক্রমণের ভয়ে সেই ব্যস্ততম ম্যানহাটন যেনো থমকে দাঁড়িয়েছে। জনজীবন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। শহর জুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। চারিদিকে সুনাশান নিরবতা। কোথাও তেমন কোনো জনসমাগম নেই। বলা হচ্ছে, স্মরণকালের ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে নিউ ইর্য়কে। বিশেষ করে শহরের সমস্ত থিয়েটার, মিউজিয়াম, ব্রডওয়ে আড্ডাখানা এরইমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। নিষিদ্ধ করা হয়েছে বড় ধরনের যে নোকো সভা-সমাবেশ। বার-রেস্টুরেন্ট বলতে গেলে প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। জনশূন্য নগর। শহরের এমটিএ (মেট্রোপলিটন ট্রান্সপোর্ট অথোরেটি) সার্ভিস একেবারে জনশূন্য হয়ে পড়েছে। যেখানে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের আনাগোনা থাকে। তা এখন একেবারে জনশূন্য।

ক্রেতার অভাবে অনেক নামদামি রেস্টুরেন্ট সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে অনেকের চাকরি হারানোর সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। খেলাধুলা, ব্রডওয়ে শোসহ সব অনুষ্ঠান স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। ট্রেন এবং বাসে যাত্রীসংখ্যা উল্লেখযোগ্যহারে কমে গেছে। ব্যস্ততম এয়ারপোর্টগুলোও এখন কার্যত ফাঁকা। অনেক বিমান সংস্থা তাদের ফ্লাইট সীমিত করেছে। অনেক স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

গতকাল রাত পর্যন্ত নিউইয়র্ক সিটিতে ১৮শ'র কিছু বেশি করোনা রোগী থাকলেও আজ এখনো পর্যন্ত চার হাজার! গত কালের ১১ থেকে বেড়ে এখন মৃত ২৬! এ অবস্থায় নিউইয়র্কের বাংলাদেশীরা কেমন আছেন দেখুন।

Posted by Time Television on Thursday, March 19, 2020

গত ১৪ মার্চ বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে নিউইয়র্ক সিটি মেয়র বিল ডি ব্লাজিও সিটির সব পাবলিক স্কুল ১৬ মার্চ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছেন। আইন করে রেস্টুরেন্ট, বার, থিয়েটার, জন সভা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। স্কুলের কার্যক্রম চলবে অনলাইনে। রেস্টুরেস্ট খোলা থাকবে সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। ব্যস্ততম ম্যানহাটানের টাইমস স্কোয়ার এখন জনমানবহীন। অনেক মসজিদে নামাজ বন্ধ বা নামাজের সময়সীমা কমিয়ে দেয়া হয়েছে। নিউইয়র্কের ট্যাক্সি ড্রাইভারদের অবস্থা আরো করুণ। একমাত্র গ্রোসারি বা সুপার মাকের্ট এবং ফার্মেসি মার্কেট ছাড়া সব ব্যবসায় ধ্বস নেমেছে। ছোট ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লালবাতি জ্বলে উঠেছে। অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাদের দোকান বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছেন।

জীবন্ত নিউইয়র্কের জীবনযাত্রা থমকে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই নিউইয়র্ক সিটিতে ট্যাক্সি চালাচ্ছেন কামাল আহমেদ। তিনি বলেন, আমাদের অবস্থা খুবই খারাপ। রাস্তাঘাট সুনশান। মানুষজন নেই। এ কারণে আমাদের ব্যবসা কম হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা বর্তমান সময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজে যাই। তারমধ্যে আবার কোন ইনকাম নেই। যদিও আমাদের ঘরভাড়াসহ অন্যান্য খরচ ঠিকই করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, আমি নিজে গাড়ি লিজ নিয়েছিলাম, এখন লিজের খরচই উঠাতে পারছি না। তাই ভাবছি, গাড়িটি জমা দিয়ে দেবো। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেও যদি অর্থই কামাতে না পারি, তাহলে কাজ করবো কিভাবে। তিনি আরো বলেন, আমি জীবনে এ রকম ভয়াবহ অবস্থা আর কখনোই দেখিনি।

উবার চালান বাংলাদেশি জামান। তিনি বলেন, করোনাভাইরাস আতঙ্কে সবাই ভুগছেন। যে কারণে কেউ বাইরে যেতে চাচ্ছেন না। নেহায়েত যাদের জরুরি কোন কাজ নেই, তারা ঘর থেকে একদমই বের হচ্ছেন না। এ কারণে আমাদের যাত্রী অনেক কমে গিয়েছে। বলতে গেলে ইনকাম প্রায় ৫০% কমে গিয়েছে।

তিনি বলেন, নিউইয়র্ক সিটিতে রেস্টুরেন্ট, ক্লাব, সিনেমা হল, থিয়েটার, ব্রডওয়ে শো, খেলাধুলা সব বন্ধ, যে কারণে যাত্রী নেই।তিনি বলেন, গাড়িটি আমার নিজস্ব, তাই আমাকে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। তাছাড়া আমি ভয়ে শুক্র এবং শনিবার কাজ করি না।

অন্য একটি সূত্রে জানা গেছে, যাত্রী কমে যাওয়ার কারণে ইয়েলো ট্যাক্সির গ্যারাজে মালিকরা ৫০% ছাড় দিয়েছেন। সেই সাথে যাত্রী না থাকার কারণে অনেক উবার এবং লিফ ড্রাইভার তাদের এ্যাপসই খুলতে পারছেন না।

টাইমস স্কোয়ারের একটি রেস্টুরেন্টে কাজ করেন আমানত হোসেন। তিনি বলেন, রেস্টুরেন্টে ব্যবসা নেই। যে কারণে আমাদের মালিক আমাদের লে-অফ করে দিয়েছে। রেস্টুরেন্ট সাময়িক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নিউইয়র্ক সিটির টাইমস স্কোয়ারের সৌন্দর্য্য ছিলো রাতে। সেই রাতের নগরী যেনো এখন ভূতড়ে নগরীতে পরিণত হয়েছে। এমনিতেই করোনাভাইরাসের কারণে টাইমস স্কোয়ারে মানুষজন কম। রাতে কেউ থাকে না বলেই চলে। অথচ দিনরাত ২৪ ঘন্টা মানুষের উপস্থিতিতে সরগরম থাকতো টাইমস স্কোয়ার।

জেএফকে এয়ারপোর্টে কাজ করেন একজন বাংলাদেশি। তিনি নাম প্রকাশ না করার শওর্ত বলেন, জেএফকে এয়ারপোর্টের এই করুণ চিত্র আমি আমার জীবনে দেখিনি। এয়ারপোর্ট বলতে গেলে একেবারেই ফাঁকা।

তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশ থেকে ফ্লাইট বন্ধ করে দেয়ার কারণেই এই অবস্থা। এছাড়া সবসময়ই দেখা যেতো অনেকেই প্রিয়জনকে বিদায় বা রিসিভ করতে এয়ারপোর্টে ভিড় জমাতেন। এখন কেউই কাউতে আনতে বা বিদায় জানাতে আসছেন না।

একই অবস্থা লাগোয়ার্ডিয়া এয়ারপোর্টেও। একজন বাংলাদেশি জানান, লোকজনের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। এ পরিস্থিতিতে কেউ ভ্রমণ করতে চাচ্ছেন না। এ ছাড়াও এসব এয়ারপোর্টে ব্যবসা-বাণিজ্যেও ধ্বস নেমেছে।

কামালউদ্দিন প্রতিদিন জ্যামাইকা থেকে ট্রেনে ম্যানহাটানে যান। তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে ট্রেনের যাত্রী অনেক কমে গিয়েছে। পুরো ট্রেনেই যাত্রী নেই। কোন বগিতে এক বা দু’জন দেখা যায়।

তিনি বলেন, নিউইয়র্ক সিটি মেয়র বিল ডি ব্লাজিও ঘোষণা করেছেন, পাবলিক বাহন বন্ধ করা যাবে না। যে কারণে যাদের প্রওয়াজন তারা কাজে যাচ্ছেন। আবার অনেকে বাসায় বসেই অফিসের কাজ করছেন।তিনি আরো বলেন, ভাল বিষয় হচ্ছে, ট্রেন এবং বাসগুলো প্রতিনিয়ত ধোয়ামোছা করা হচ্ছে।

এদিকে করোনাভাইরাসের কারণে নিউইয়র্কসহ আমেরিকার অনেক মসজিদ সাময়িক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আবার অনেক সমজিদের সময়সীমা কমিয়ে দেয়া হয়েছে। জ্যামাইকা-বাংলাদেশ মুসলিম সেন্টারে গত সপ্তাহের জুমার নামাজের ৫ মিনিট আগে মসজিদ খোলা হয়েছে। ২ রাকাত ফরজ আদায় করার পর আবার বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর আহমেদ চৌধুরী বলেন, জনস্বার্থে এ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং খুতবা ছোট করা হয়েছে। সর্বশেষ তিনি জানান, জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত মসজিদ বন্ধ থাকবে। নামাজ আদায়সহ মসজিদের সকল কর্মকান্ড স্থগিত করা হয়েছে। এ ছাড়া আল মামুর স্কুলও বন্ধ করা হয়েছে। শনিবার এবং রোববারের মোক্তবও বন্ধ থাকবে।

করোনা : ক্ষতি পোষাতে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক আমেরিকান পাবে ১০০০ ডলার

সিনেটে ট্রাম্প প্রশাসন প্রস্তাবিত ৮৫০ বিলিয়ন ডলারের ইকোনমিক স্টিমুলাস প্যাকেট অনুমোদন পেলে আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে সব বয়স্ক আমেরিকান সহস্রাধিক ডলারের সরাসরি চেক পাবেন। বিষয়টি জানিয়েছেন ট্রেজারি সেক্রেটারি মনুচিন। তিনি আরও জানান, ট্যাক্স পেমেন্ট ৯০ দিনের জন্য স্থগিত করা হবে।

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ার শুরুতে চলতি মাসের গোড়ার দিকে যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেস ৮.৩ বিলিয়ন ডলারের জরুরি ব্যয় পদক্ষেপ অনুমোদন করেছিল তৎকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য। কিন্তু সময়ের অগ্রযাত্রায় করোনাভাইরাস বর্তমানে সর্বগ্রাসী মহামারির আকার ধারণ করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ সারা বিশ্বের অর্থনীতি-শ্রমবাজার-শিল্পকারখানা-ব্যবসা-বাণিজ্যে লালবাতি জ্বলার উপক্রম হয়েছে।

শ্রমজীবী মানুষকে ঘরে থাকার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ এবং বার-রেস্টুরেন্ট, বিমান চলাচল ও অন্যান্য যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ফলে চরম বেকারত্ব মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। আয়-উপার্জন শূন্যের কোটায় নেমে আসায় হতদরিদ্র আমেরিকানদের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। সিনেটর রব পোর্টমেনের দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, গত সপ্তাহে ওহাইওতে বেকারের সংখ্যা ছিল সাড়ে ৬ হাজার। অথচ চলতি সপ্তাহে তা এক লাফে ৪৫ হাজারে পৌঁছেছে।

এমন বাস্তবতায় ট্রাম্প প্রশাসন অর্থনীতিকে চাঙা করার জন্য নতুন করে ৮৫০ বিলিয়ন ডলারের বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। প্যাকেজ ঘোষণাকালে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে বলা হয়, করোনাভাইরাসের নগ্ন থাবায় ব্যবসা-বাণিজ্য-বিমান ও পর্যটন সংস্থার যে বর্ণনাতীত ক্ষতি সাধিত হয়েছে, তা থেকে পরিত্রাণ এবং আমেরিকান শ্রমিকদের হাতে চেক তুলে দেওয়ার জন্যই এই প্যাকেজ ঘোষণা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।

ট্রেজারি সেক্রেটারি মনুচিন ক্যাপিটল হিলে রিপাবলিকান দলীয় সিনেটরদের এক রুদ্ধদ্বার লাঞ্চে প্যাকেটের রূপরেখা তুলে ধরেন। রিপাবলিকান সিনেটরদের আলোচনা শেষে মনুচিন পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক নিয়ে ডেমক্র্যাটিক দলীয় সিনেটরদের সাথে ব্যাপক আলোচনা করেন। পরে হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে মনুচিন বলেন, বাইপার্টিশন সমর্থনের মাধ্যমে পরবর্তী দুই সপ্তাহের মধ্যে আমেরিকানদের নিকট চেক পাঠানোর আমরা আয়োজন করছি।

তিনি আরও বলেন, ট্যাক্স পেমেন্ট ৯০ দিনের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ৯/১১ এর পর এয়ারলাইনগুলো আর কখনো এত ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়নি। ব্যবসা-বাণিজ্য ও হোটেলের একই অবস্থা। তাই ছোট ছোট ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে এবং এয়ারলাইন ও হোটেল জাতীয় ইন্ডাস্ট্রিগুলোর জন্য লোন মঞ্জুর করা হবে।

আইনপ্রণেতাদের সাথে মনুচিনের আলোচনাকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কর্ম হিসেবে অভিহিত করেছেন। ট্রাম্প বলেন, জাতীয় স্বার্থে তাদের উদ্যোগ প্রশংসার দাবি রাখে। এদিকে কেন্টাকির রিপাবলিকান দলীয় সিনেটর এবং সিনেট সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা মিট ম্যাককনেল বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের অনুরোধটি চলতি সপ্তাহেই অনুমোদন পাওয়ার সমূহ আশঙ্কা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ইকোনমিক রিলিফ প্রস্তাব অনুমোদন হওয়া পর্যন্ত সিনেটের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বর্তমানের পরিস্থিতিকে ২০০৮ সালের আর্থিক মহামন্দার চেয়েও ভয়াবহ উল্লেখ করে মনুচিন বলেন, হাজার হাজার বিমান চলাচল বাতিল করা হয়েছে, রেস্টুরেন্ট ও প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। গৃহে অবস্থানকারী সংখ্যক শ্রমিক-কর্মচারীসহ কতজন আমেরিকান চেক পাবেন তা মনুচিন সহসা ঘোষণা করবেন বলে জানা গেছে। মনুচিন বলেন, আমেরিকার রক্তশূন্য অর্থনীতির দেহে রক্ত সঞ্চালনের জন্যই এক প্যাকেজ ঘোষণা করা হচ্ছে।

রিপাবলিকান দলীয় ইউটাহর সিনেটর মিট রমনি বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক আমেরিকানকে ১ হাজার ডলারের চেক প্রদানের প্রস্তাব করেছেন। ১৭ মার্চ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পরিস্থিতির ভয়াবহতা নিয়ে রেস্টুরেন্ট এক্সিকিউটিভদের সাথে আলোচনা করেন।

এদিকে ডেমক্র্যাটিক দলীয় সিনেটররাও ৭৫০ ডলারের একটি প্যাকেট নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। সিনেট সংখ্যালঘিষ্ঠ নেতা নিউইয়র্কের ডেমক্র্যাটিক দলীয় সিনেটর চার্লস চাক শ্যুমার সিনেটরদের বড় সমাবেশ এড়ানোর লক্ষ্যে টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে ডেমক্র্যাটিক সভা পরিচালনা করবেন। নতুন প্যাকেটের অর্থ টেস্টিং, বাড়তি খাবার পরিবেশন এবং বেকারদের সাহায্য হিসেবেও ব্যয় করা হবে।

 

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri