buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

ইতালিতে করোনায় মৃতদের দাফনে কবরস্থানে জায়গার সংকট : ইরান ও স্পেনে মৃত্যূর মিছিল

milan_graveyard-1.jpg

ইতালির বারগেমো শহরের একটি কবরস্থানে কফিন সাজানোর কাজ করছেন কর্মীরা। ছবি: রয়টার্স

কক্সবাংলা ডটকম(২০ মার্চ) :: রীতিমতো উদ্বেগজনক পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে সারা বিশ্ব। করোনার জেরে ভয়ঙ্কর অবস্থা ইতালি সহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে। নতুন করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যায় চীনকে ছাড়িয়ে গেছে ইতালি। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে ৪২৭ জন মারা গেছেন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪০৫ জনে। এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ৪১ হাজার ৩৫ জন। অন্যদিকে, চীনে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ২৪৫ জনের।

ইতালির হাসপাতালগুলোতে প্রতি মুহূর্তে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা, চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইতালিতে যারা নিজ থেকে হাসপাতালে এসে যোগাযোগ করছেন কেবল তাদেরই স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসা করা হচ্ছে। এর বাইরে বিপুল জনগোষ্ঠীর অনেকেই হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আসছেন না।

দেশটির স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

মিলানের লম্বার্ডি এলাকার এক হাসপাতালে কর্তব্যরত নার্স ড্যানিয়েলা কনফালোনিরি বলেন, ‘আমরা অনেক দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপের ভেতরে আছি। হাসপাতালে কতজন মারা গেছেন সে হিসাবও আমার জানা নেই। পুরো দেশে ভাইরাসটি কী পরিমাণে ছড়িয়েছে সেটা চিন্তাও করা যাচ্ছে না।’

দেশটির সেনাবাহিনীর একজন মুখপাত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, মিলানের কবরস্থানগুলোতে জায়গা না থাকায় কাছের বারগেমো শহরে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ৫০ জন সেনাসদস্য ১৫টি কফিন নিকটবর্তী শহরের কবরস্থানে দাফনের জন্য নিয়ে যাচ্ছেন।থানীয় কবরস্থানের সংশ্লিষ্টরা বিপুল সংখ্যক মরদেহ সৎকারের কাজ করতে গিয়ে শারীরিক ও মানসিক চাপের মুখে পড়ছেন বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

এদিকে, করোনা নিয়ে সামনে এল আরও এক ভয়াবহ রিপোর্ট। মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে ইরানের অবস্থা সবচেয়ে ভয়াবহ।ইরানে প্রতিঘন্টায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ আর প্রতি ১০ মিনিটে মৃত্যু হচ্ছে ১ আক্রান্তের। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১৮ হাজার ৪০৭ জন আক্রান্ত এবং ১ হাজার ২৮৪ জন মারা গেছেন। তবে প্রকৃত আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

ইরানের এক স্বাস্থ্য আধিকারিক টুইট বার্তায় জানিয়েছেন, “আমাদের তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রতি ১০ মিনিটে ১ জনের করোনা ভাইরাসের কারণে মৃত্যু হচ্ছে। এছাড়াও প্রতি ঘন্টায় ৫০ জন করে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন।

পাকিস্তানেও অবস্থা খুব একটা স্থিতিশীল নয়। বিশ্বজুড়ে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া নভেল করোনাভাইরাসে পাকিস্তানে একদিনেই দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা বৃহস্পতিবারেই ছাড়িয়ে গেছে ৩০০।

অন্যদিকে চীন, ইতালি ও ইরানের পর করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা হাজার ছাড়াল স্পেনে। ইউরোপে ইতালির পরই সর্বাধিক আক্রান্ত এ দেশ। স্পেনে এখন পর্যন্ত কভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ১৯ হাজার ৯৮০ জন এবং মারা গেছেন ১ হাজার ২ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৫৮৮ আক্রান্ত।

প্রসঙ্গত,গতবছরের ৩১ ডিসেম্বর থেকে এখনও পর্যন্ত চিনে করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৩ হাজার আড়াইশ’ মানুষের। ইতালিতে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪২৭ জন মারা গিয়েছে। আর এই নিয়ে সে দেশে এখনও পর্যন্ত ৩ হাজার ৪০৫ জনের মৃত্যু ঘটল। এর ফলে মৃতের সংখ্যায় ইউরোপের এই দেশেই ভাইরাসের একেবারে উৎপত্তিস্থল চিনকেও ছাড়িয়ে গেছে।

ইতিমধ্যে চিনের সরকারি তরফে জানানো হয়েছে বেজিংয়ে আসা আন্তর্জাতিক বিমানের ক্ষেত্রে ১৪ দিনের স্থগিতাদেশ জারি করা হয়েছে। এই নয়া হাসপাতালে রয়েছে ১৬০০ বেড এবং ৬০০ বেশী অভিজ্ঞ চিকিৎসকের দল, যারা ওই ভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসাতে নিযুক্ত থাকবেন। এমনটাই জানা গিয়েছে বেজিং হেলথ কমিশনের মুখপাত্রের তরফে।

 

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
en English Version bn Bangla Version
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri