buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort

কক্সবাজার শহরে করোনা শৃঙ্খলায় মাঠে নামল সেনাবাহিনী-বিজিবি ও পুলিশ

IMG_20200325_151021.jpg

কক্সবাংলা রিপোর্ট(২৫ মার্চ) :: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস প্রতিরোধ, সামাজিক দূরত্ব ও সতর্কতা নিশ্চিত এবং জনসমাগম রোধে প্রশাসনকে সহায়তা করতে সারাদেশের ন্যায় পর্যটন শহর কক্সবাজারেও মাঠে নেমেছেন সেনাবাহিনী-বিজিবি ও পুলিশ সদস্যরা।

জেলা প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য বুধবার (২৫ মার্চ) দুপুর ১টা থেকে সেনাবাহিনীর সদস্যদের শহরের প্রধান সড়কসহ বিভিন্ন রাস্তায় টহল দিতে দেখা যায়।

কক্সবাজার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী ও বিজিবির সদস্যরা করোনা ভাইরাস সর্ম্পকে সাধারন মানুষজনকে সচেতন করার পাশাপাশি কোন জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ যেন ঘরের বাহিরে বের না হন সেই পরামর্শ ও তাদের।

এই জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বিদেশ থেকে ফেরৎ প্রবাসীদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কোন প্রবাসী হোম কোয়ারেন্টাইনে না থেকে কোন দেশে ফেরৎ লোকজন প্রকাশ্যে লোক সমাগমে আসলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগের মাধ্যমে শাস্তি প্রদান করা হবে বলে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো.কামাল হোসেন কর্তৃক এক আদেশে বলা হয়েছে।

পাশাপাশি সন্ধ্যা ৭টার পর শহরের বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে ঔষধের দোকান, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ,কাচামালের দোকানপাঠ খোলা থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে এবং গণমাধ্যমকর্মীরা সংবাদ সংগ্রহে সব সময় তাদেরকে উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

কক্সবাজারে মাঠে সেনাবাহিনী নেমেছে জানিয়ে এক পেস নোট পাঠিয়েঠেছে রামু ১০ পদাতিক ডিভিশন । এতে বলা হয় পর্যটন নগর কক্সবাজার জেলার ৫টি উপজেলা ও সকল জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মায়ানমার নাগরিক ক্যাম্প এলাকা এবং বৃহত্তর চট্টগ্রামের ৮টি উপজেলায় বুধবার (২৫ মার্চ) ভোর থেকেই মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশনের চিকিৎসাদলসহ সেনাসদস্যরা। সেনাবাহিনীর একাধিক গাড়ি জেলাগুলোর প্রায় প্রতিটি এলাকাতেই টহল দিতে দেখা গেছে। এর আগে গত মঙ্গলবার কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করে সেনাবাহিনীর কর্মপরিকল্পনা ঠিক করা হয় ও স্হানসমূহ সরেজমিনে পর্যবেক্ষন করা হয়।

বুধবার সকাল থেকেই সেনাবাহিনী টহল কার্যক্রম শুরু করেছে। কোনো জায়গায় বেশি লোকজন যেন সমবেত হতে না পারে, সবাই যেন নির্দিষ্ট সামাজিক দূরত্ব মেনে চলাফেরা করে এবং যথাযথভাবে সরকারী নির্দেশনাসমূহ মেনে চলে সেনাবাহিনী এই বিষয়গুলো নিশ্চিত করবে। প্রশাসনের তালিকা অনুযায়ী হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতের কাজে বেসামরিক প্রশাসনকে সহযোগিতা করবে সেনাবাহিনী। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কোনো রোগী পাওয়া গেলে তাদের চিকিৎসার ক্ষেত্রেও সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবে। এছাড়া জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মায়ানমার নাগরিক ক্যাম্প এলাকায় সেনাবাহিনীর পর্যাপ্ত সংখ্যক নতুন চেক্ পোষ্ট স্থাপন ও টহল কার্যক্রমের পরিধি বহুগুনে বৃদ্ধি করা হয়েছে। সীমিত করা হয়েছে বহিরাগতদের চলাচল।

বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সেনাবাহিনী মাঠে নামার পর থেকেই সাধারণ মানুষের বাহিরে আসার প্রবণতা কমে এসেছে। রাস্তাঘাটে খুব কম সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। অনেক এলাকা প্রায় জনমানবশূন্য। সমুদ্র সৈকতসহ পর্যটনকেন্দ্রগুলোও জনমানব শূন্য অবস্থায় দেখা গেছে। জেলার রাস্তাঘাট প্রায় ফাঁকা হয়ে পড়েছে। সেনাসদস্যরা মাইকিং করে, লিফলেট বিতরণ করে এবং প্রেষণার মাধ্যমে বাহিরে অবস্থানরত লোকদের ঘরে ফিরে যাওয়ার জন্য তাগিদ দিচ্ছেন।

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri