buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

কক্সবাজারে ১০ দিনের লকডাউন শুরু : ফাকাঁ পর্যটন শহর !

LockDown-coxsbazar.jpg

কক্সবাংলা রিপোর্ট(২৬ মার্চ) :: করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে সারাদেশের ন্যায় কক্সবাজারেও আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে ১০ দিনের লকডাউন। ২৬ মার্চ থেকে ছুটি ভোগ করছে সরকারি-বেসরকারি অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীরা। তা চলবে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত। ২৯ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের সব আদালতে সাধারণ ছুটি।

বৃহস্পতিবার সকালে শহর ঘুরে দেখা যায়, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মুখ, কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গন,৬নং সড়কের চৌরাস্তা পয়েন্ট,কলাতলী ও  লালদিঘী পাড়,বার্মিজ মার্কেট সড়ক,হলিডে মোড়,বাজার ঘাটা সড়ক সহ বিভিন্ন স্থানে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী অবস্থান নিয়েছে। একসঙ্গে একাধিকজন দেখলে সচেতন করে দেয়া হচ্ছে । সেই সাথে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার দেখলেই থামাচ্ছেন পুলিশ সদস্যরা, জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তাদের, পরামর্শ দেয়া হচ্ছে ঘরে থাকার।  সড়কে কোন পরিবহনই ছিল না। দু একটি রিকসা দেখা গেলেও আগের মতো পরিলক্ষিত হচ্ছে না। কিছুক্ষণ পর পর আসছে দু-একটি রিকসা। খোলা রয়েছে কিছু ফার্মেসী,মুদির দোকান,পত্রিকার দোকান এবং মাছ-শাক সবজির বাজার।তবে লকডাউনের প্রথম দিনে কক্সবাজার থেমে মাত্র ৪টি স্থানীয় পত্রিকা প্রকাশিত হয়েছে।তাও স্বল্প পরিসরে।হকারের অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে সৈকত পেপার এজেন্সি। টার্মিনালে থেকে ছেড়ে যাচ্ছে না কোনো বাস বা বাসের সারি। বন্ধ সব ধরণের গণপরিবহন। পুরো পর্যটন শহর যেন নিরব-নিস্তব্ধ।

এদিকে কক্সবাজারে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত জেলার সকল প্রতিষ্ঠান-যানবাহন বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক মো: কামাল হোসেন এর নির্দেশনায় বলা হয়, করোনা ভাইরাস বিস্তার রোধে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সকল দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যানবাহন বন্ধ থাকবে। তবে কাঁচা বাজার, মুদি দোকান, হাসপাতাল ও জরুরী পরিসেবা এ আদেশের আওতামুক্ত থাকবে।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধের অন্যতম নির্দেশনা জনসমাগম রোধ করতে বাস,সিএনজি, নৌযান, অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিপণিবিতান বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে প্রয়োজন অনুসারে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর, কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকান, হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিসসহ অন্যান্য জরুরি সেবাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে। সীমিত পরিসরে প্রতিদিন দুই ঘণ্টা ব্যাংকও খোলা।

এমনিতেই কয়েক দিন ধরে কক্সবাজার শহর অনেকটাই ফাঁকা। বন্ধ রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।শহরের প্রধান গণপরিবহন টমটম ও রিক্সা অনেকটাই কম, বুধবার সীমিত আকারে চললেও বৃহস্পতিবার সড়কে দেখা মিলেনি কোন সিএনজি-টমটমের। এই অবস্থা আজ আরো প্রকটভাবে দৃশ্যমান। প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া ব্যক্তিগত যানবাহন নিয়েও কেউ বের হচ্ছেন না। এরপর সেনাবাহিনী মাঠে নামায় মানুষের স্থানান্তর আরো অনেকটা কমে এসেছে।

যদিও সংবাদপত্র,ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, ওষুধ, জরুরি সেবা, জ্বালানি, পচনশীল পণ্য পরিবহন নিষেধাজ্ঞার বাইরে রয়েছে।

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri