buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

কক্সবাজার জেলায় ১০ দিনের লকডাউনে সেনাবাহিনীর টহল শুরু

cx-ld-army-1.jpg

কক্সবাংলা রিপোর্ট(২৬ মার্চ) :: করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থার ১০ দিনের লকডাউনের অংশ হিসেবে সারাদেশের ন্যায় কক্সবাজারেও আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে সেনাবাহিনীর টহল। কক্সবাজার শহর সহ জেলার সর্বত্রই টহল দেবে সশস্ত্র এই বাহিনী।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানোর লক্ষ্যে কক্সবাজারের সব এলাকায় সামাজিক দূরত্ব ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুবিধার্থে প্রশাসনকে সহায়তায় নিয়োজিত হয়েছে সেনাবাহিনী। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সমন্বয়ে তারা জেলায় করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাব্যবস্থা, সন্দেহজনক ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থা পর্যালোচনা করবে।সরেজমিনে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সম্মুখ থেকে শুরু করে শহরের বিভিন্ন জায়গায় সেনাবাহিনী ও পুলিশকে টহল দিতে ও বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া মানুষকে ঘর থেকে বের না হতে পরামর্শ দেন তারা। বিভিন্ন উপজেলায়ও শুরু হয়েছে সেনাবাহিনীর টহল।

এ বিষয়ে আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো.কামাল হোসেন জানান, গত মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের শহীদ এটিএম জাফর আলম সম্মেলন কক্ষে এক জরুরি মিটিং হয়। তার পরদিন বুধবার থেকেই সেনাবাহিনী মাঠে নামার প্রস্তুতি নেয়। তবে আজ বৃহস্পতিবার থেকে পুরোদমে টহল দিচ্ছে তারা।

এদিকে, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক (DC Cox’s Bazar) ফেসবুক একাউন্ট থেকে এক পোস্টের মাধ্যমে বুধবার জানানো হয়, ‌’আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত কেউ ঘরের বাইরে বের হবেন না। বিদেশ থেকে ফিরে যারা তথ্য গোপন করেছেন, তাদের তালিকা আমাদের কাছে রয়েছে। প্রশাসন কে জানান। হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকুন। নইলে আপনাদের পাসপোর্ট বাতিলের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ডিসি‘র ফেসবুক একাউন্ট থেকে পোস্টে আরও জানানো হয়, করোনা সংক্রান্ত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকার প্রদত্ত নির্দেশনা মেনে চলুন। অন্যথায় কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সকাল থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে থাকবে।

এদিকে, সেনাবাহিনী, বিজিবি,নৌবাহিনী ছাড়াও কক্সবাজারে জনমাগম রোধ করতে পুলিশেরও টহল জোরদার করা হয়েছে বলে জানালেন জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ গোসেন বিপিএম(বার)। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সকল বাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রমেই আমরা এ পরিস্থিতিটা মোকাবেলা করার চেষ্টা করছি। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি পুলিশও কক্সবাজারে বিশেষভাবে টহল দেবে- যাতে জসমাগম না করার সরকারি নির্দেশটা কার্যকর হয় এবং ভয়ঙ্কর এই ভাইরাসটার সংক্রমণ না ঘটে।

তিনি আরও বলেন, ইতিপূর্বে জোলা পুলিশের উদ্যোগে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে মাইকিং করা হয়েছে, আগামীতে আরও করা হবে। এই অবস্থায় কাউকে বাইরে অযথা ভিড় করতে দেখলে বাধ্যতামূলক ঘরে পাঠানো হবে, প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri