buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort

ক‌রোনার ভ‌য়ে কক্সবাজার শহরে পত্রিকা বিক্রিতে ধ্বস : আতঙ্কে এজেন্ট ও হকাররা

pt-1arj-ppr.jpg

কক্সবাংলা রিপোর্ট(২৫ মার্চ) :: বিশ্বজুড়ে মহামারি ছড়ানো করোনা ভাইরাসের ছোবল পড়েছে কক্সবাজারের পত্রিকা বিক্রিতেও।যার কারণে আতঙ্কে রয়েছেন এজেন্ট ও হকাররা।জানা যায়,কক্সবাজার শহরে প্রতিদিন নিয়মিত ২০ স্থানীয় পত্রিকা প্রকাশিত হয় এবং অর্ধশত জাতীয় পত্রিকা বের হয়। যার মাধ্যমে কয়েকটি এজেন্ট ও অর্ধশত হকার এর উপর নির্ভরশীল।কিন্তু এ মরণব্যাধী করোনার কারণে হকাররা পত্রিকা বিলি করতে চাইলেও মানুষ পত্রিকা নিচ্ছেনা।পত্রিকার সাথে ভাইরাস ঢুকতে পারে ঘরে, এ ভয়ে কেউ পত্রিকা নিতে চাচ্ছেনা।আর করোনার কারণে হঠাত মানুষের চলাফেরা কমে যাওয়ায় এবং শহরের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকা বিক্রিতে ভয়াবহ ধ্বস নেমেছে।

বুধবার (২৫ মার্চ) বিকালে এমনটাই জানা‌লেন শহরের পত্রিকা বি‌ক্রির এজেন্ট ও হকাররা।

কক্সবাজার শহ‌রের স্বনামধন্য এ‌জেন্ট মেসার্স খবর বিতানের মালিক মো হাশেম আ‌ক্ষেপ করে জানান, করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে সরকারি-বেসরকারী কর্মকর্তাসহ সাধারণ মানুষ পত্রিকা নিতে চাচ্ছেনা।সকলের চিন্তাধারণা পত্রিকা বা হকারের মাধ্যমে প্রবেশ করতে পারে করোনা ভাইরাস।এছাড়া কক্সবাজার শহরের বেশিরভাগ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ,কলাতলীর হোটেল-মোটেল বন্ধ সহ পর্যটক আসা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মারাত্বক প্রভাব পড়েছে পত্রিকা বিক্রিতে।

তিনি আরও জানান,আমার প্রতিষ্টান থেকে প্রতিদিন ১৪-১৫ জন হকার নিয়মিত জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকা নিয়ে যেতেন।কিন্তু করোনার কারনে কিছু বিধি নিষেধ আরোপ হওয়ায় বুধবার মাত্র ৭-৮ জন হকার পত্রিকা নিয়ে গেছে।তাও আবার অর্ধেক সংখ্যায়।কারণ হকাররা যেমন আতঙ্কে থাকেন পত্রিকা বিক্রি হবে কিনা তেমনি গ্রাহকও আশংকাজনকভাবে কমে গেছে।কারণ হকাররা নগদ টাকায় পত্রিকা কিনে যদি পাঠক পত্রিকা না কিনে তাতে হকারদের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।এতে আতঙ্কিত হকাররা পত্রিকা নেয় বন্ধ করে দিচ্ছে।এর ফলে হুমকির মুখে পরতে যা‌চ্ছে প্রিন্ট পত্রিকা প্রতিষ্ঠান,এজেন্ট ও হকাররা।

কক্সবাজারে এক হকার নেতা বলেন,মহরে প্রায় অর্ধশত হকার কাজ করে।কিন্তু করোনার আতঙ্কে আমাদের হকারদের বাসাতেই উঠতে দিচ্ছে না পত্রিকা দিতে।পত্রিকা বিলির সময় অনেকে পত্রিকা নিতে অনীহা প্রকাশ করে করোনা ভাইরাসে ভয়ে। এক্ষেত্রে আমাদের কি আর করার আছে। তিনি আরও বলেন,বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের টানা হরতালেও আমরা কমবেশি পত্রিকা বিক্রি করেছি।কিন্তু এ রকম পরিস্থিতির কোন দিন সম্মুখ হয়নি।এছাড়াও হকারদের মাঝে মাক্স, হ্যান্ডগ্লাভস কিংবা পোশাক বিলি এবং সচেতনতায় কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি।যার কারণে আমরাও আতঙ্কে। এ অবস্থা চললে আমাদের না খেয়ে থাকতে হবে।কেউ আমাদের সহযোগীতায় এগিয়ে আসছে না।অথচ আমরা সংবাদপত্র জগতে বিপননে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে যাচ্ছি।এখন আমাদের সংসার কিভাবে চলবে বুঝতে পারছিনা।

শহরের সৈকত পেপার এজেন্সির স্বত্বাধিকারী অর্জুন দাশ জানান,করোনার কারণে প্রায় ৪০% হকার কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। অধিকাংশ লোকজন বর্তমানে পত্রিকা না দেওয়ার কথা বলে দিয়েছে।পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণে আসলে তখন পত্রিকা দিতে বলছে।এছাড়া বাসাবাড়ি থেকে মানুষের বের না হওয়ায় হকাররা বড় একটি গ্রাহক হারিয়ে ফেলেছে। শহরের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান,যানবাহন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হকাররা নিয়মিত পেপার দিতে পারছে না।আর ২৬ মার্চ থেকে লকডাউন শুরু হলে পত্রিকা বিক্রি অনেকাংশে কমে যাবে।অনেক জাতীয় পত্রিকাও ঢাকা থেকে আসা বন্ধ হতে পারে।এরকম অবস্থায় কতদিন পত্রিকা বিক্রি করতে পারবো  জানি না। এছাড়া সরকারি কোন প্রশাসন থেকে কোন রকমের সহায়তা আমরা পাচ্ছিনা।

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri