buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

কক্সবাজারের পিছু ছাড়ছে না করোনাভাইরাস : এক রোহিঙ্গাসহ নতুন আক্রান্ত ১২

corona-lab-cox-positive-9.jpg

কক্সবাংলা রিপোর্ট(১৪ মে) :: কক্সবাজার জেলায় শক্ত কামড় বসিয়েছে মরণব্যাধি করোনা। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে বেড়ে গেছেন আরও ১২ রোগী। বুধবার (১৩ মে) বিকাল ৪টা পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যাটি ছিলো ১১৯। তবে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ১৪মে সে সংখ্যা দাঁড়ালো ১৩১ জনে। আর গত ৫মে থেকে টানা ১০ দিন এক রোহিঙ্গাসহ করোনার এমন রেকর্ড আক্রান্তে নতুন করে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন কক্সবাজারের সর্বস্তরের মানুষ।

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ল্যাব সূত্রে জানা গেছে, ১৪ মে বৃহস্পতিবার জেলায় শনাক্ত হয়েছে নতুন আরও ১২ করোনা রোগী।এর মধ্যে নুরুল আলম নামে একজন রোহিঙ্গা রয়েছে।

আক্রন্তদের মধ্যে সদরে ৯ জন, চকরিয়ার ১জন ও উখিয়ার ২ জন (স্থানীয় ও বালুখালীর একজন রোহিঙ্গা)। এনিয়ে জেলায়  করোনাা রোগীর সংখ্যা দাড়াল ১৩১ জনে। আর প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এক জনের। এর মধ্যে গত টানা ১০ দিনেই আক্রান্ত হয়েছেন ৯৩ জন।

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. অনুপম বড়ুয়া জানান,বৃহস্পতিবার ১৮৬ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২ জন পজিটিভ হয়েছেন।১২ জনই কক্সবাজার জেলার।এর মধ্যে একজন রোহিঙ্গা। এছাড়া রামুর একজন,পেকুয়ার একজন ও চকরিয়ার ৩ জন ফলোআপ রোগী রয়েছেন। বাকী ১৬৯ জনের নমুনায় সবারই নেগেটিভ এসেছে। তিনি আরও জানান, প্রতিদিনই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষ।মুলত অসচেতনতার কারনেই প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। তাই প্রতিষেধকহীন এই ভাইরাসকে ঠেকানোর একমাত্র কার্যকর উপায় হচ্ছে জনসমাগম এড়িয়ে চলা।

কক্সবাজার সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান কক্সবাংলাকে বলেন, বৃহস্পতিবার উখিয়া থেকে দুজন কভিড-১৯ করোনা ভাইরাসে পজিটিভ হন। একজন রোহিঙ্গা নুর আলম(৩৫)। সে বালুখালী শরনার্থী শিবিরের ক্যাম্প-১ ও ব্লক-এফ এর বাসিন্দা।অপরজন উখিয়ার এমএসএফ হাসপাতালে চিকিতসা নিতে আসা ৬০ বছর বয়সী স্থানীয় অঙ্কি মোহন বড়ুয়া। তিনি এমএসএফ হাসপাতাল থেকে চিকিতসা নেয়ায় প্রথমে তাকে রোহিঙ্গা ভাবা হয়েছিল।কিন্তু তিনি উখিয়ার স্থানীয় বাসিন্দা।আর বৃহস্পতিবার করোনা আক্রান্ত দুজনকেই পৃথক আইসোলেশন হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।আর তাদের দুজনকেই উখিয়ার (করোনা শনাক্ত) রোগী হিসাবে গণ্য করা হবে।

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ সূত্রে জানা যায়,গত ২ এপ্রিল থেকে ১৪মে পর্যন্ত ৩১৭৭ জনের করোনা নেগেটিভ পাওয়া গেছে এবং ১৪৫ জনের পজিটিভ পওয়া গেছে। আর জেলায় করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে ১৩২ জন।এর মধ্যে মৃত্যূ হয়েছে রামুর ১ জনের। আক্রান্তদের মধ্যে সর্বোচ্চ সদর উপজেলায় ৩৯ জন,চকরিয়াতে ৩৭ জন,পেকুয়ায় ২০ জন,উখিয়ায় ১৬ জন(রোহিঙ্গা-১),মহেশখালীতে ১২ জন,টেকনাফে ৭ জন  এবং রামুতে ৪ জন রয়েছেন। তবে এখনো করোনা মুক্ত রয়েছে কুতুবদিয়া উপজেলা।

আর রামু করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে চিকিতসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ১৩মে পর্যন্ত বাড়ি ফিরেছেন মহেশখালীর ৬ জন ও চকরিয়ার ৬ জন,টেকনাফের ১জন,রামুর ১ জন,সদরের ১জন সহ মোট ১৭ জন। চিকিতসা নিচ্ছেন ১৮ জন রোগী এবং হোম কোয়ারান্টাইনে চিকিতসা নিচ্ছেন ৫৯ জন।

এদিকে গত এক সপ্তাহ ধরে হঠাত করোনা রোগী বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলাবাসীর মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। জেলায় গত ৫মে ১১ জন, ৬মে ২ জন,৭মে সর্বো্চ্চ ১৯জন, ৮মে ৪ জন,৯মে ৬জন, ১০মে ১০ জন,১১ মে ১১ জন,১২মে ৯ জন,১৩মে ৯জন করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর আজ ১৪মে বুধবার কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ল্যাবে এক রোহিঙ্গা সহ আরও নতুন ১২ জন করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে। আর এনিয়ে জেলায় করোনাা রোগীর সংখ্যা দাড়াল ১৩১ জনে। এর মধ্যে গত ১০ দিনেই আক্রান্ত হয়েছেন ৯৩ জন।

অপরদিকে সচেতনমহল বলছেন,কক্সবাজার জেলায় প্রতিদিন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ছে না। বরঞ্চ সময়ের সাথে সাথে মানুষ ক্রমেই অসচেতন হয়ে অপ্রয়োজনেই ঘর থেকে বেরিয়ে পড়ছে, বাজারে-রাস্তায় জড়ো হচ্ছে এবং সামাজিক দূরত্ব মানছে না। এ কারণে জেলায় লাফ দিয়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি কক্সবাজারবাসীকে ঘিরে ধরা আতঙ্ক আরো বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে ১৪মে প্রথম এক রোহিঙ্গার করোনা শনাক্ত হওয়া। এছাড়া কিছু মার্কেট ও দোকান-পাট খোলা রেখে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ও শারীরিক দূরত্ব বজায় না মেনে চলছে প্রতিদিন কেনাবেচা। এতে কক্সবাজারে ঘটতে পারে চরম বিপর্যয়।

 

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
en English Version bn Bangla Version
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri