buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

কক্সবাজারে করোনার ভয়াল থাবা : একদিনে ২ রোহিঙ্গা ১ এনজিও কর্মীসহ সর্বোচ্চ ২১ জন আক্রান্ত

corona-lab-cox-positive-11.jpg

কক্সবাংলা রিপোর্ট(১৫ মে) :: কক্সবাজার জেলায় শক্ত কামড় বসিয়েছে মরণব্যাধি করোনা ভাইরাস।প্রতিদিন যেভাবে লাফিয়ে লাফিয়ে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তাতে মনে হয় কক্সবাজারকে যেন দ্বিতীয় নারায়নগঞ্জ বানিয়ে ছাড়বে। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে জেলায় বেড়ে গেছেন ২ রোহিঙ্গা সহ আরও ২১ রোগী। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যাটি ছিলো ১৩১। আর ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ১৫মে শুক্রবার সে সংখ্যা দাঁড়ালো ১৫২ জনে।

জেলায় করোনা পরীক্ষা শুরুর মাত্র ৪৫তম দিনে জেলায় পাওয়া গেল তিন রোহিঙ্গাসহ ১৫২ জন করোনা রোগী। সর্বশেষ কুতুবদিয়ায়ও এক করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে।এর ফলে কক্সবাজারের ৮ উপজেলার সবকটিতেই পাওয়া গেছে করোনায় আক্রান্ত রোগী। সবেচেয়ে বেশি করোনা পাওয়া গেছে চকরিয় উপজেলায়। আর গত ৫মে থেকে ১৫মে পর্যন্ত টানা ১১ দিন করোনার এমন রেকর্ড আক্রান্তে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন কক্সবাজার জেলার সর্বস্তরের মানুষ।

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ল্যাব সূত্রে জানা গেছে, ১৫মে শুক্রবার জেলায় শনাক্ত হয়েছে নতুন আরও ২১ করোনা রোগী।এরআগে গত ৭ই মে জেলায় সর্বোচ্চ ১৯ করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছিল। আর ৩০ এপ্রিল হয়েছিল ১৩ করোনা রোগী।

আক্রন্তদের মধ্যে সদরে ১ জন, চকরিয়ার ১৫জন,কুতুবদিয়ায় ১ জন, পেকুয়ায় ১ জন এবং ২ জন রোহিঙ্গা ও উখিয়ায় ১ জন এনজিও কর্মী রয়েছে। এনিয়ে জেলায় করোনাা রোগীর সংখ্যা দাড়াল ১৫২ জনে। আর প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এক জনের। এর মধ্যে গত টানা ১১ দিনেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন চার রোহিঙ্গা সহ ১১৪ জন।

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. অনুপম বড়ুয়া জানান,শুক্রবার ১৮৪ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ২১ জন পজিটিভ হয়েছেন।২১ জনই কক্সবাজার জেলার।এর মধ্যে ২ জন রোহিঙ্গা ১ জন এনজিও কর্মী । এছাড়া রামুর ২ জন ফলোআপ রোগী রয়েছেন। বাকী ১৬১ জনের নমুনায় সবারই নেগেটিভ এসেছে।

তিনি আরও জানান, প্রতিদিনই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষ।মুলত অসচেতনতার কারনেই প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। তাই প্রতিষেধকহীন এই ভাইরাসকে ঠেকানোর একমাত্র কার্যকর উপায় হচ্ছে জনসমাগম এড়িয়ে চলা।

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ সূত্রে জানা যায়,গত ২ এপ্রিল থেকে ১৫মে পর্যন্ত ৩৩৪৬ জনের করোনা নেগেটিভ পাওয়া গেছে এবং ১৬৬ জনের পজিটিভ পওয়া গেছে। আর জেলায় করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে ১৫২ জন।এর মধ্যে মৃত্যূ হয়েছে রামুর ১ জনের। আক্রান্তদের মধ্যে সর্বোচ্চ চকরিয়া উপজেলায় ৫২ জন,সদরে ৪০ জন,পেকুয়ায় ২১ জন,উখিয়ায় ১৫ জন,মহেশখালীতে ১২ জন,টেকনাফে ৭ জন এবং রামুতে ৪ জন,কুতুবদিয়ায় ১ জন এবং রোহিঙ্গা-৩ জন রয়েছেন।

আর রামু করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে চিকিতসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ১৪মে পর্যন্ত বাড়ি ফিরেছেন মহেশখালীর ৬ জন ও চকরিয়ার ৬ জন,টেকনাফের ১জন,রামুর ১ জন,সদরের ১জন সহ মোট ৩০ জন। চিকিতসা নিচ্ছেন ১৮ জন রোগী এবং হোম কোয়ারান্টাইনে চিকিতসা নিচ্ছেন ৫৯ জন।

এদিকে গত এক সপ্তাহ ধরে হঠাত করোনা রোগী বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলাবাসীর মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। জেলায় গত ৫মে ১১ জন, ৬মে ২ জন,৭মে সর্বো্চ্চ ১৯জন, ৮মে ৪ জন,৯মে ৬জন, ১০মে ১০ জন,১১ মে ১১ জন,১২মে ৯ জন,১৩মে ৯জন,১৪মে ১২জন করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর আজ ১৫মে শুক্রবার কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ল্যাবে ৩ রোহিঙ্গা সহ আরও নতুন ২১ জন করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে। আর এনিয়ে জেলায় করোনাা রোগীর সংখ্যা দাড়াল ১৫২ জনে। এর মধ্যে গত ১১ দিনেই আক্রান্ত হয়েছেন ১১৪ জন।

অপরদিকে সচেতনমহল বলছেন,কক্সবাজার জেলায় প্রতিদিন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ছে না। বরঞ্চ সময়ের সাথে সাথে মানুষ ক্রমেই অসচেতন হয়ে অপ্রয়োজনেই ঘর থেকে বেরিয়ে পড়ছে, বাজারে-রাস্তায় জড়ো হচ্ছে এবং সামাজিক দূরত্ব মানছে না। এ কারণে জেলায় লাফ দিয়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি কক্সবাজারবাসীকে ঘিরে ধরা আতঙ্ক আরো বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে ১৪ ও ১৫ মে পরপর দুদিন ৩ রোহিঙ্গার করোনা শনাক্ত হওয়া। এছাড়া কিছু মার্কেট ও দোকান-পাট খোলা রেখে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ও শারীরিক দূরত্ব বজায় না মেনে চলছে প্রতিদিন কেনাবেচা। এতে কক্সবাজারে ঘটতে পারে চরম বিপর্যয়।

 

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
en English Version bn Bangla Version
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri