buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

করোনা আক্রান্তে চট্টগ্রাম বিভাগে শীর্ষে চকরিয়া, আক্রান্ত-৫১, সুস্থ-৯ : বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা!

coronavirus-risk-warning-chakoria.jpg

মুকুল কান্তি দাশ,চকরিয়া(১৬ মে) :: কক্সবাজারের চকরিয়া এখন করোনা আক্রান্তের হটস্পর্টে পরিণত হয়েছে। আক্রান্তের দিক দিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে চকরিয়া উপজেলা। লকডাউন পুরোপুরি কার্যকর না হওয়ায় আশংকাজনক হারে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এতে আতংক বিরাজ করছে পাড়া-প্রতিবেশিদের মাঝে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ১৫ মে পর্যন্ত চকরিয়ায় দুই শিশুসহ ৫১ জন করোনা আক্রান্ত রোগি পাওয়া গেছে। আক্রান্তের মধ্যে উপজেলা চেয়ারম্যান, সহকারি কমিশনার (ভুমি)সহ হাসপাতালের নার্স-স্টাফও রয়েছেন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়েছে মাত্র ৯জন। আক্রান্তের তুলনায় সুস্থতার হার খুব কম।

সহকারি কমিশনার (ভুমি) তারভীর হোসের বর্তমানে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ ফজলুল করিম সাঈদী সরকারি বাসভবনে আইসোলেটেড রয়েছেন। আক্রান্তের মধ্যে বেশিরভাগই বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

স্থানীয় লোকজন জানায়, চকরিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার মুল কারণ হচ্ছে ঠিক মতো লকডাউন কার্যকর না হওয়া। আক্রান্তদের সংষ্পর্শে আসা অনেকেই হোমকোয়ারান্টাইন মানছে। তারা যত্রতত্র ঘুরে বেড়াচ্ছে। এর ফলে আক্রান্তের হারও বাড়ছে।

তারা আরো জানান, চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন ৩০ থেকে ৩৫ জনের করোনা ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ করে। ক্ষেত্র বিশেষে তা বেড়েও যায়। কিন্তু যাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয় তাদের নমুনা দেয়ার পর রেজাল্ট না আসা পর্যন্ত বাড়িতে থাকার নিয়ম থাকলেও তারা তা মানছেনা।

তারা এলাকায় ঘুরাফেরা করছে। যখনই তাদের রেজাল্ট পজিটিভ আসে তখনই তারা বাড়িতে বা হাসপাতালে আইসোলেশনে যাচ্ছে। এর ফলে তাদের সংস্পর্শে যারা ছিলো তারাও হোমকোয়ারান্টাইন মানছেনা। এরাও অবাধে চলাফেরাসহ ব্যবসা-বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। যার কারণে আক্রান্তের হার বাড়ছে।

চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প:প কর্মকর্তা ডা.মোহাম্মদ শাহবাজ জানান, জেলার মধ্যে করোনা আক্রান্তের দিক দিয়ে চকরিয়ায় প্রথমে রয়েছে। আক্রান্তদের অধিকাংশ বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের সাথে আমরা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা দিচ্ছি। যখন যে রকম ওষুধ দেয়া দরকার তা তাদের দিচ্ছি। এই পর্যন্ত ৯জন সুস্থ হয়েছে। আরো বেশ কিছু আক্রান্ত রোগি সুস্থতার পথে রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে আক্রান্তের তথ্য প্রশাসনকে জানানো। তারাই মুলত লকডাউনের বিষয়টি কার্যকর করবে। আমরা এতে সহয়তা করবো। এসময় তিনি সবাইকে মাস্ক, বার হাত ধোয়া এবং অপ্রয়োজনে বাড়ির বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দেন।

লকডাউনের বিষয়ে জানতে চাইলে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ছৈয়দ শামসুল তাবরীজ বলেন, আসলে প্রথম থেকেই আমি আর আমার এসিল্যান্ড খুব চেষ্টা করেছি লকডাউন কার্যকর করতে। প্রথমে যখন আক্রান্তের সংখ্যা কম ছিলো তখন আমরা প্রতিটি বাড়ি লকডাউন কার্যকর করেছি। কিন্তু দিন দিন রোগির সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। এই লকডাউন কার্যকর করতে গিয়ে আমার এসিল্যান্ড করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

তিনি আরো বলেন, এসিল্যান্ড আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে মুলত আমি একা হয়ে গেছি। আমি সারাদিন কাজ করে যাচ্ছি মানুষকে ঘরে ফেরাতে। তারপরও তারা বুঝছেনা। আমি আক্রান্তদের বাড়ি লকডাউনের বিষয়ে পুলিশ, স্থানীয় মেয়র, চেয়ারম্যান, কাউন্সিলর এবং মেম্বারদের বলেছি। প্রশাসনের পাশাপাশি তাদের আক্রান্তদের বাড়ি লকডাউনের বিষয়ে কাজ করতে নিদের্শ দিয়েছি।

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
en English Version bn Bangla Version
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri