buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

কক্সবাজারে একদিনে আরও ১৫ জন বেড়ে জেলায় করোনাক্রান্ত এখন ১৮৯

covid-19-positive-coxbangla17.jpg

কক্সবাংলা রিপোর্ট(১৭ মে) :: কক্সবাজার জেলায় একদিনে আরও ১৫ জন বেড়ে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৮৯ এ পৌঁছেছে।এভাবে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক করোনা আক্রান্তের খবরে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন জেলা মানুষ।

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ল্যাব সূত্রে জানা গেছে,১৭মে রবিবার জেলায় শনাক্ত হয়েছে নতুন শিশু সহ আরও ১৫ করোনা রোগী। এর আগের দিন ১৬মে এক রোহিঙ্গা সহ সর্বোচ্চ ২৩ জন শনাক্ত হয়েছিল।

রবিবার আক্রন্তদের মধ্যে সদরের ৯ জন,উখিয়ায় ৪ জন,পেকুয়ায় ১ জন এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ১ জন রয়েছে।

এনিয়ে জেলায় করোনাা রোগীর সংখ্যা দাড়াল ১৯০ জনে। আর প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এক জনের। এর মধ্যে গত টানা ১৩ দিনেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫ রোহিঙ্গা সহ ১৫২ জন।

আর জেলায় করোনা পরীক্ষা শুরুর মাত্র ৪৭তম দিনে জেলায় পাওয়া গেল ৫ রোহিঙ্গাসহ ১৮৯ জন করোনা রোগী।

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. অনুপম বড়ুয়া জানান,রবিবার ১৮৪ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৩ জন পজিটিভ হয়েছেন।১৫ জনই কক্সবাজার জেলার।এর মধ্যে ১ জন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের, ১ জন লামার এবং ৬ জন লোহাগাড়ার। এছাড়া সদর হাসপাতালে ফলোআপ রিপোর্টের মধ্যে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর এক শীর্ষ কর্মকর্তাও রয়েছেন। বাকী ১৬১ জনের নমুনায় সবারই নেগেটিভ এসেছে।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে সামাজিক দূরত্ব বলতে কিছুই নেই। মানুষ ঘর থেকে বেরিয়ে পড়েছে। যার কারণে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন থেকেই কক্সবাজারে বাড়ছে করোনা রোগী। তাই প্রতিষেধকহীন এই ভাইরাসকে ঠেকানোর একমাত্র কার্যকর উপায় হচ্ছে জনসমাগম এড়িয়ে চলা।

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ সূত্রে আরও জানা যায়,গত ২ এপ্রিল থেকে ১৭মে পর্যন্ত ৩৬৬৬ জনের করোনা নেগেটিভ পাওয়া গেছে এবং ১৯০ জনের পজিটিভ পওয়া গেছে। আর জেলায় করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে ১৭৫ জন।এর মধ্যে মৃত্যূ হয়েছে রামুর ১ জনের। আক্রান্তদের মধ্যে সর্বোচ্চ চকরিয়া উপজেলায় ৬০ জন,সদরে ৫৫ জন,উখিয়ায় ২৬ জন,পেকুয়ায় ২৩ জন,মহেশখালীতে ১২ জন,টেকনাফে ৭ জন এবং রামুতে ৪ জন,কুতুবদিয়ায় ১ জন এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৫ জন রয়েছেন।

আর রামু করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে চিকিতসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ১৬মে পর্যন্ত বাড়ি ফিরেছেন মহেশখালীর ৬ জন ও চকরিয়ার ৬ জন,টেকনাফের ১জন,রামুর ১ জন,সদরের ১জন সহ মোট ৩৩ জন। চিকিতসা নিচ্ছেন ১৮ জন রোগী এবং হোম কোয়ারান্টাইনে চিকিতসা নিচ্ছেন ৭৫ জন।

এদিকে গত এক সপ্তাহ ধরে হঠাত করোনা রোগী বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলাবাসীর মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। জেলায় গত ৫মে ১১ জন, ৬মে ২ জন,৭মে সর্বো্চ্চ ১৯জন, ৮মে ৪ জন,৯মে ৬জন, ১০মে ১০ জন,১১ মে ১১ জন,১২মে ৯ জন,১৩মে ৯জন,১৪মে ১২জন,১৫ মে ২১জন,১৬মে সর্বোচ্চ ২৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর আজ ১৭মে রবিবার কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ল্যাবে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ১ জনসহ নতুন আরও ১৫ জন করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে। আর এনিয়ে জেলায় করোনাা রোগীর সংখ্যা দাড়াল ৫ রোহিঙ্গা সহ ১৯০ জনে। এর মধ্যে গত ১৩ দিনেই আক্রান্ত হয়েছেন ১৫২ জন।

এদিকে গত ৫মে থেকে ১৭মে পর্যন্ত টানা মাত্র ১৩ দিনে শতাধিক করোনায় আক্রান্তের খবরে চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন জেলার সর্বস্তরের মানুষ। এরই মধ্যে জেলায় চিকিৎসক, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তা,উপজেলা চেয়ারম্যান,জনপ্রতিনিধি সহ ১৯০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এরপরেও বেপরোয়াভাবে চলাচল যনে থামছেই না।জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার কথা বলা হলেও, স্থানীয়রা তা সঠিকভাবে মেনে চলছেন না।

তবে স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়রা অনেকটাই অসচেতন। চলাচলে অসতর্কতা এবং সামাজিক দূরত্ব ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বাস্থ্যবিধি কেউ সঠিকভাবে মেনে চলছেন না। সাধারণ মানুষ হাঁটবাজার, দোকানপাট ও রাস্তাঘাটে অবাধে চলাচল করছেন। এতে করোনার ভয়াবহ সংক্রমণের আশঙ্কা করছেন তারা। এ অবস্থা চলতে থাকলে রোহিঙ্গা অধ্যূষিত কক্সবাজার একদিন ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ জেলার মত করোনা রোগী বাড়তে পারে।

 

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
en English Version bn Bangla Version
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri