buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

করোনা ভাইরাসের বহু নমুনা নষ্ট করে ফেলেছে বলে স্বীকার করল চিন

wuhan.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(১৬ মে) :: মার্কিন স্টেট সেক্রেটারি মাইক পম্পেও অনেকবার দাবি করেছেন যে, করোনা ভাইরাসের নমুনা ধ্বংস করে ফেলেছে চিন। সেটাই এবার স্বীকার করে নিল চিন। তারা জানাল যে প্রথমদিকের কিছু স্যাম্পেল তারা নষ্ট করে ফেলেছে।

শুক্রবার চিনের ন্যাশনাল হেল্থ কমিশনের এক সুপারভাইজার লিউ ডেংফেং বলেন, চিনের সরকারের তরফে করোনা ভাইরাসের স্যাম্পেল নষ্ট কর ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল জানুয়ারি মাসের ৩ তারিখে। ‌অননুমোদিত ল্যাবে নষ্ট করে ফেলতে বাল হয়েছিল সেগুলিকে।

তবে প্রমাণ লোপাটের জন্য ভাইরাস নষ্ট করে ফেলা হয়নি বলে দাবি ওই চিনা আধিকারিকের। তাঁর দাবি, গবেষণাগাররে সুরক্ষার কথা ভেবেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চিনের স্বাস্থ্য আইন অনুযায়ী নাকি সেগুলিকে নষ্ট করে ফেলা হয় বলে জানানো হয়েছে।

এমনিতেই করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পরার নেপথ্যে রয়েছে চিন, এমনটাই মনে করে গোটা বিশ্ব। এমনই মনে করে শক্তিশালী আমেরিকাও। একাধিকবার অভিযোগ তোলার পাশাপাশি সম্প্রতি, সরাসরি দুই দেশের সবরকম সম্পর্ক ভেঙে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বিশ্ব মহামারী করোনা ভাইরাসে এখনও অবধি প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ৩ লাখ মানুষ, আমেরিকায় সেই সংখ্যা ৮০ হাজারের বেশি।

আমেরিকার একটি নিউজ চ্যানেলকে একটি সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানিয়েছেন, “আমরা অনেক কিছুই করতে পারি। আমরা সব সম্পর্ক শেষ করে দেব”।

জানা গিয়েছে, চিনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে প্রেসিডেন্টের উপর নানা চাপ আসছে। সেখানকার ল’মেকার এবং ওপিনিয়ন মেকারদের বক্তব্য চিনের নিষ্ক্রিয়তার জন্য উহান থেকে গোটা বিশ্বে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে।

এই প্রসঙ্গে ট্রাম্প জানিয়েছেন, “আমার সঙ্গে খুবই ভালো সম্পর্ক, তবে এই মুহূর্তে চিনের প্রেসিডেন্ট জিনপিংয়ের সঙ্গে কথা বলতে চাই না”।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একাধিকবার চিনকে জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটিদের ইউহানের ল্যাবরেটরিতে গিয়ে করোনা ভাইরাসের উৎস সম্পর্কে তদন্তের অনুমতি দিতে। তবে তা নিয়ে রয়েছে ধন্ধ।

ট্রাম্প জানিয়েছে, “আমরা যেতে চাইলে তাঁরা মুখের ওপর না করে দিয়েছে। আমাদের সাহায্য চাই না। আমার মনে হয়েছে সেটা ঠিক আছে কারণ তাঁরা নিশ্চয় জানে তাঁরা কি করছে। এটা নয় বোকামো নয় ইচ্ছাকৃত”।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই জানিয়েছিলেন, যেহেতু চিনের ইউহান থেকে করোনা সংক্রমণ শুরু হয়েছে, তাই চিনের থেকে ক্ষতিপূরণ চাইতে পারে আমেরিকা। তবে তা কি হবে সে বিষয়ে কিছু জানাননি।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের মধ্যে নিউ ইয়র্কের অবস্থা সবচেয়ে ভয়াবহ। এরপরেই রয়েছে নিউ জার্সি। অন্যদিকে, হু-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংক্রমণ রুখতে বিভিন্ন দেশের সীমান্ত সিল করে দেওয়ার ফলে বন্ধ হয়ে গিয়েছে আন্তঃরাষ্ট্র বাণিজ্য। এতে মার খাচ্ছে ওষুধ ব্যবসা।

সম্প্রতি এক সংবাদ মাধ্যমকে সাক্ষাত্কার দিতে গিয়ে মার্কিন সেক্রেটারি অফ স্টেট মাইক পম্পেও বলেন, উহানের ল্যাবরেটরি থেকেই যে এই মহামারী উৎপত্তি সে ব্যাপারে অজস্র প্রমাণ রয়েছে। তবে কি চিন ইচ্ছাকৃতভাবে এই ভাইরাস ছড়িয়েছে? না এ ব্যাপারে মুখ খুলতে নারাজ তিনি।

তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সম্প্রতি জানিয়েছে, চিনা ল্যাব করোনা ভাইরাস ছড়িয়েছে, এমন প্রমাণ আমেরিকা এখনও দিতে পারেনি।

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
en English Version bn Bangla Version
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri