buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

চকরিয়া-পেকুয়ার সড়ক-মহাসড়কে ধাপিয়ে বেড়াচ্ছে সিএনজি-টমটম

cng-cp.jpg

মুুকুল কান্তি দাশ,চকরিয়া(১৭ মে) :: করোনা ভাইরাসের সংক্রমন রোধে চলতি মাসের ৮তারিখ কক্সবাজার জেলাকে লকডাউনের ঘোষনা দেন জেলা প্রশাসক মো.কামাল হোসেন। এই লকডাউনের আওতায় চলে আসে চকরিয়া উপজেলা। এরপর থেকে চকরিয়া উপজেলার অপ্রয়োজনীয়ভাবে মানুষের চলাচল এবং গণপরিবহণ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

শুধুমাত্র পণ্য,ওষুধ এবং জরুরী সেবার আওতায় যেসব যানবাহণ রয়েছে সেগুলো চলাচল করতে পারবে। কিন্তু গণপরিবহণ বন্ধের সুযোগ নিয়ে সড়ক-মহাসড়কে প্রতিনিয়ত ধাপিয়ে বেড়াচ্ছে সিএনজি চালিত অটোরিক্সা ও টমটম। এতে এক জায়গার মানুষ অন্য জায়গায় যাচ্ছে হরহামেশা। তাই সিএনজি চলাচল বন্ধের দাবি জানিয়েছে সচেতন মহল।

এদিকে, ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের আওতায় ১০৩টি উপজেলা রয়েছে। এসব উপজেলার মধ্যে চকরিয়া এখন করোনা আক্রান্তের দিক দিয়ে শীর্ষে। চকরিয়ায় গত এক মাসে প্রায় ৬০ জন করোনা আক্রান্ত রোগি পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে মাত্র ৯জন রোগি সুস্থ হয়েছে। বাকিরা এখনো চিকিৎসাধীন। এরমধ্যে প্রতিদিন বাড়ছে করোনা আক্রান্তর সংখ্যা।

চকরিয়ার বেশ ক’জন সচেতন নাগরিক মনে করছেন, চকরিয়ায় করোনা সংক্রমন নিয়ন্ত্রণে আনতে চাইলে প্রশাসনকে হার্টলাইনে যেতে হবে। গত ২ মাস ধরে সাধারণ মানুষদের মাঝে সচেতনতা তৈরী করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করে গেলেও তাদের কথায় কর্ণপাত করেনি। তাই এই মুহুর্ত্বে প্রশাসনকে কঠোন হতে হবে। মানুষকে অপ্রয়োজরে বাড়ি বের থেকে বের হওয়া, সিএনজি-টমটম চলাচল কয়েকদিনের জন্য বন্ধ রাখতে হবে। যেসব ব্যবসা প্রতিষ্টান খোলা রয়েছে সেসব ব্যবসা প্রতিষ্টানের খোলার রাখার সময় সংক্ষিপ্ত করতে হবে। তা না হলে চকরিয়ায় সংক্রমণের হার ঠেকানো কঠিন হয়ে যাবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক এবং বাঁশখালী-আনোয়ারা-চকরিয়া সড়কের একাধিক পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেকপোস্ট রয়েছে। কিন্তু যাত্রীদের জরুরী সেবার কথা বলে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ফাঁকি দিয়ে সিএনজি’র চালকরা তাদের গাড়ি চালাচ্ছে। ওইসব চালকরা প্রতিদিন ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত যাত্রী আনা-নেয়ার কাজ করে যাচ্ছে। এতে করে ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং নারায়নগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুুষ আসছে চকরিয়ায়। ফলে আতংক কাজ করছে সাধারণ মানুষদের মাঝে।

চকরিয়ার জাহেদুল নামের এক সিএনজি চালক বলেন, গাড়ি চালাতে না পারলে খাবো কোথা থেকে। একদিন রোজগার না করলে সংসার চালাতে কষ্ট হয়ে যায়। খাবার সংকট না থাকলে রাস্তায় বের হতাম না।

তিনি আরো বলেন, মুলত চকরিয়া থেকে যাত্রী নিয়ে বাঁশখালী-আনোয়ারা হয়ে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী ব্রীজের আগে পর্যন্ত যায়। সড়কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক চেকপোস্ট রয়েছে। যাত্রীদের আনা-নেওয়া করতে ওইসব চেকপোস্টে বিভিন্ন মিথ্যা কথা বলতে হয়।

টিটু সুশীল নামের এক স্কুল শিক্ষক বলেন, করোনা ভাইরাস নিয়ে আমরা খুব আতংকের মধ্যে রয়েছি। সরকার করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে নানা প্রদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। মানুষ যাতে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে না পারে সেজন্য জরুরী সেবার গাড়ি ছাড়া সব ধরনের যানবাহণ চলাচল বন্ধ রেখেছেন। সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিভিন্ন জায়গায় চেকপোস্ট বসিয়েছে বলে শুনেছি। কিন্তু এতো চেকপোস্ট আর সরকারের নিষেধাঘ্জার পরও এসব সিএনজি কীভাবে চলছে বুঝতে পারছিনা। সিএনজি চলাচলে আরো কঠোর হতে হবে আইনশৃৃঙ্খলা বাহিনীদের।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, মুদির দোকানের ব্যবসা করি। তাই সপ্তাহে অন্তত দুই থেকে তিনবার আমাকে চট্টগ্রাম যেতে হয়। গণপরিবহণ বন্ধ থাকলেও সিএনজি নিয়ে চট্টগ্রাম চলে যাওয়া যায় সহজেই। আমি প্রতিবারই সিএনজি নিয়ে চট্টগ্রাম যায়। যতবার চট্টগ্রাম গিয়েছি কোথায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেকপোস্টের কবলে পড়িনি।

সচেতন মহলের দাবি, কক্সবাজারের জেলায় দেখা যাচ্ছে বেশিরভাগ করোনা আক্রান্ত রোগি ঢাকা-নারায়নগঞ্জ এবং চট্টগ্রামের। কক্সবাজারের ঢুকার বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের একাধিক চেকপোস্ট রয়েছে। এসব চেকপোস্ট ফাঁকি দিয়ে এরা কীভাবে কক্সবাজার প্রবেশ করছে তা খতিয়ে দেখতে হবে। চেকপোস্টগুলোকে আরো দায়িত্বশীল হতে হবে।

চিরিংগা পুলিশ ফাঁড়ির আইসি ইন্সপেক্টর আনিসুর রহমান বলেন, আমাদের সাধ্যমতো কাজ করছি। ঢাকা-চট্টগ্রাম থেকে আসা পণ্যবাহি গাড়িকে ড্রাইভার-চালকের বাইরে কেউ থাকলে তাদের নামিয়ে দেয়া হচ্ছে। এছাড়া সিএনজি-টমটম কোন অবস্থাতেই মহাসড়কে উঠতে দেয়া হচ্ছেনা। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি সিএনজি – টমটম জব্দ করা হয়েছে।

সিএনজি চলাচলের ব্যাপারে জানতে চাইলে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, পেকুয়া সীমান্ত দিয়ে কোন ধরনের সিএনজি-টমটম চলাচল করার সুযোগ নেই। আমরা এটা কঠোরভানে নিয়ন্ত্রণ করছি। শুধুমাত্র মুমুর্ষ রোগি ছাড়া কাউকে যেতে দেয়া হচ্ছেনা। সাধারণ মানুষরা বিকল্প সড়ক দিয়ে পায়ে হেটে চলাচল করছে।

তিনি আরো বলেন, আমরা আমাদের যতটুকু সাধ্য আছে চেষ্টা করছি সিএনজি-টমটম চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে। কিন্তু যারা এসব যানবাহনে চড়ে তাদেরও সচেতন হতে হবে। সবাইতে সম্মেলিতভাবে করোনার সংক্রমর রোধে কাজ করতে হবে।

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
en English Version bn Bangla Version
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri