buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

করোনা প্রাদুর্ভাব নিয়ে ডব্লিউএইচওর প্রথম বৈঠক : অভিযোগের তীর ঠেকাতে ততপর চীন

china-corona.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(১৭ মে) :: বৈশ্বিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে ১৮মে থেকে দুদিনের জন্য অধিবেশনে বসছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। নভেল করোনাভাইরাস পুরো বিশ্বকে নাড়িয়ে দেয়ার পর এ প্রথম বৈঠকে বসবে সংস্থাটির গভর্নিং বডি। করোনার উৎসদেশ চীনও এতে যোগ দেবে। তবে এবার খুব একটা স্বস্তি নিয়ে বৈঠকে যেতে পারছে না চীন। আর কিছু হোক না হোক, অন্তত দুটি বিষয় নিয়ে তাদের প্রশ্নবাণে জেরবার করবে কয়েকটি দেশ। বিষয় দুটি হলো ভাইরাসটির সংক্রমণের প্রাথমিক পর্যায়ে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি কী ব্যবস্থা নিয়েছে এবং করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে তাইওয়ান যদি সফল হতে পারে, তবে তারা কেন পারল না। খবর ব্লুমবার্গ।

চীনের অর্থনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী যুক্তরাষ্ট্র তো প্রতিদিনই তাদের প্রতি বিষোদ্গার করে চলেছে। ওয়াশিংটন মনে করে, উহানের একটি পরীক্ষাগার থেকেই নভেল করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। এছাড়া জেনেভায় ডব্লিউএইচওর অধিবেশনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও অস্ট্রেলিয়া করোনা উত্পত্তির কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত পরিচালনার দাবি জানাবে বলে ওয়াকিবহাল একটি সূত্রে জানা গেছে।

করোনা মোকাবেলায় খুব কম দেশই সাফল্য দেখাতে সক্ষম হয়েছে। তাইওয়ান সেই গুটিকয়েকের অন্যতম। যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রপক্ষ চায়, তাইওয়ান যেন এবারের অধিবেশনে পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিত থাকে। বিষয়টি বেইজিংকে যথেষ্ট্রই খেপিয়ে তুলেছে। চীন তাইওয়ানকে নিজেদের একটি প্রদেশ হিসেবে বিবেচনা করে এবং দীর্ঘ সময় তারা দ্বীপটিকে আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা থেকে আলাদা করে রাখতে সমর্থ হয়েছে। এ অবস্থায় তাইওয়ানকে ডব্লিউএইচওর অধিবেশনে যোগ দিতে বলা মানে তাদের সেই শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হতে সহায়তা করা। চীন মনে করছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রপক্ষ তাইওয়ানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের চেষ্টা করছে।

ডব্লিউএইচওর বৈঠককে সামনে রেখে এ বিভক্তি এটাই প্রমাণ করে যে করোনা মহামারী যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রপক্ষের সঙ্গে চীনের ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্ব আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশ্বজুড়ে তিন লাখের বেশি মানুষের প্রাণ নিয়েছে কভিড-১৯। যুক্তরাষ্ট্র ও তার অনুসারীরা মনে করছে, শি জিনপিং প্রশাসনের একগুঁয়েমি আচরণের কারণেই নভেল করোনাভাইরাস বৈশ্বিক মহামারী আকার ধারণ করেছে। এছাড়া ডব্লিউএইচও করোনা ইস্যুতে চীনের পক্ষ নিয়েছে বলে অভিযোগ ওয়াশিংটনের। এ কারণে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ডব্লিউএইচওতে তহবিল সরবরাহ বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। এমনকি ডব্লিউএইচওর অনুরূপ একটি সংস্থা গঠনের হুমকিও দিয়ে রেখেছে হোয়াইট হাউজ।

এবারের অধিবেশনে প্রায় ২০০টির বেশি দেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করবেন। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র পক্ষ চীনের বিরুদ্ধে কথা বললেও বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, বেইজিংয়েরও সমর্থকের অভাব হবে না। কারণ বৈঠকে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর বেশির ভাগেরই চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। আর করোনা এসব দেশের অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে দিয়েছে। এ অবস্থায় তাদের অর্থনৈতিক পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় চীনের সহায়তা বড্ড দরকার। স্বভাবতই তারা চাইবে না বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির বিরাগভাজন হয়ে নিজেদের সর্বনাশ ডেকে আনতে। এছাড়া ডব্লিউএইচওর বিকল্প কোনো সংস্থা গঠনও তাদের কাছে অপ্রয়োজনীয় মনে হতে পারে।

এদিকে অস্ট্রেলিয়া করোনা ইস্যুতে চীনের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানানোর ঘোষণা দেয়ায় তাদের ওপর চটেছে বেইজিং। এর পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে তারা অস্ট্রেলিয়ার পণ্য বর্জনের হুমকি দিয়েছে। এছাড়া তারা অস্ট্রেলিয়ার চারটি প্রক্রিয়াজাত কারখানা থেকে মাংস আমদানি বন্ধ করে দিয়েছে। চীন এর পেছনে ‘কৌশলগত’ কারণ রয়েছে বলে জানিয়েছে। তবে অস্ট্রেলিয়া এ হুমকিকে ‘অর্থনৈতিক বলপ্রয়োগ’ হিসেবে অভিহিত করেছে এবং বলেছে, চীনের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি থেকে তারা পিছু হটবে না।

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri