buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

চকরিয়ায় করোনা রোগী ৮৬, সুস্থ-১৭ : টেষ্টের নমুনা দিয়েই ঘুরছে যততত্র, বাড়ছে আক্রান্ত

coronavirus-risk-warning-chakoria.jpg

মুকুল কান্তি দাশ,চকরিয়া(২১ মে) :: কক্সবাজারের চকরিয়ায় হু হু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। করোনার হটস্পর্টে পরিণত হয়েছে চকরিয়া। মুলত হোম-কোয়ারান্টাইন বা প্রাতিষ্টানিক কোয়ারান্টাইন না মানায় দিনদিন বাড়ছে রোগির সংখ্যা। এতে আতংক দেখা দিয়েছে পুরো উপজেলা জুড়ে। তবে আতংক দেখা দিলেও থামছেনা শপিং আর বাইরে বের হওয়ার প্রবণতা। প্রতিনিয়ত ভাংচে সরকারি আদেশ। প্রশাসন সাধারণ মানুষদের ঘরে রাখতে একের পর এক অভিযান চালালেও তাতেও থামানো যাচ্ছেনা।

চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সুত্রে জানা গেছে, চকরিয়ায় ২০ মে পর্যন্ত ৮৬ জন করোনা আক্রান্ত রোগি পাওয়া গেছে। সুস্থ হয়েছে ১৭জন। মোট নমুনা সংগ্রক করা হয়েছে ৬১৩জনের কাছ থেকে। এদের অধিকাংশই সংস্পর্শে এসে আক্রান্ত হয়েছে। যার কারণে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে বই কমছেনা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২৭ এপ্রিল চট্টগ্রাম গার্মেন্টেসে কর্মরত এক কর্মকর্তার মাধ্যমে চকরিয়ায় প্রথম করোনার সংক্রমণ শুরু হয়। এরপর থেকে বাড়তে থাকে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এখন আক্রান্ত রোগির দিক দিয়ে জেলার মধ্যে চকরিয়ায় এখন শীর্ষে। এর মুল কারণ হচ্ছে সঠিকভাবে কোয়ারান্টাইন বা আইসোলেশন মেনে না চলা। যার কারণে প্রতিদিন নতুনভাবে যুক্ত হচ্ছে আক্রান্ত রোগির সংখ্যা।

আরো জানা গেছে, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধ এবং ত্রাণ সহায়তা করতে গিয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) মো.তাবভীর হোসেন, করোনায় আক্রান্ত হয়। পরে সেবা দিতে গিয়ে উপজেলা ¯^াস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা.নাহিদা আক্তার, নার্স, সিএইচসিপি মাঈনুল হোসেন চৌধুরী, ওয়ান ফার্মার এরিয়া ম্যানেজার মো.নাসির উদ্দিন, তার ছোট ভাই নাজেম উদ্দিন, পল্লী চিকিৎসক সুজন দেব, ¯^পন মল্লিকসহ আরো কয়েকজন,উপজেলা পরিষদের অফিস সহকারি ছৈয়দ আকবরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

এলাকার সচেতন মহল জানান, নিয়ম রয়েছে যারা করোনা টেষ্ট দিবে তারা রেজাল্টা না আসা পর্যন্ত হোম-কোয়ারান্টাইনে থাকবেন। কিন্তু দেখা যাচ্ছে অধিকাংশ লোকজন করোনা ভাইরাস টেষ্টের জন্য নমুনা দেয়ার পর পরই তারা যেখানে-সেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বাজারে যাচ্ছে, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছে। একসাথে বসে চা-পান করছে। এসবের কারণে আক্রান্তের সংখ্যাটা দিন বেড়ে যাচ্ছে।

তারা আরো বলেন, যারা করোনা ভাইরাস টেষ্টের জন্য নমুনা দিচ্ছেন তাদেরকে অবশ্যই কোয়ারান্টাইন মেনে চলতে হবে। এটা যদি কঠোরভাবে মেনে চলা যায় তাহলে চকরিয়ায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমে আসবে। নচেৎ মারাত্মক আকার ধারণ করবে।

সম্প্রতি করোনায় আক্রান্ত ওয়ান ফার্মার এরিয়া ম্যানেজার মো.নাসির হোসেন বলেন, চাকুরীর সুবাদে প্রতিদিন বাইরে বের হতে হয়। অবশ্যই বাইরে বের হওয়া আগে মুখে মাস্ক, হাতে গ্লাভসসহ প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো পড়ে বের হই। মুলত আমি আক্রান্ত হয়েছি একজনের সংষ্পর্শে গিয়ে।

তিনি আরো বলেন, আমার এলাকার এক যুবক করোনার টেষ্ট দেয়। এরপর থেকে ওই যত্রতত্র ঘুরাফেরা করছিলো। এরমধ্যে একটি বিচারের সুবাধে তার সাথে আমার দেখা হয়। ওখানে একপর্যায়ে সে আমার সংষ্পর্শে চলে আসে। আমি তখনও জানাতাম না সে করোনা টেষ্ট দিয়েছে। পরদিন রেজাল্টা আমার পর জানতে পারি সে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। পরে আমি গত ১৭ তারিখ টেষ্ট করালে আমারও পজিটিভ রেজাল্ট আসে।

এব্যাপারে জানতে চাইলে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তত্বাধায়ক ডা.মোহাম্মদ শাহবাজ বলেন, নিয়ম হচ্ছে একজন রোগি যখন করোনার টেষ্ট দিবেন তখন থেকেই তাকে রেজাল্ট না আসা পর্যন্ত কোয়ারাইন্টাইন মেনে চলতে হবে। যেহেতু আমাদের কোন প্রাতিষ্টানিক কোয়ারান্টাইন নেই তাই তাদেরকে কঠোরভাবে নির্দেশনা প্রদান করি হোমকোয়ারান্টাইন মেনে চলতে।

তিনি আরো বলেন, আসলে আমাদের এখানে প্রাতিষ্টানিক কোয়ারান্টাইনের ব্যবস্থা নেই। তাই যারা নমুনা দিচ্ছেন তাদেরকে হোম-কোয়ারান্টাইন মেনে চলার জন্য বলা হচ্ছে। তিনি যারা টেষ্টের জন্য নমুনা েিদবন তাদেরকে সঠিক নিয়মে এবং সবসময় মাস্ক, গ্লাভস ব্যবহার এবং ঘনঘন সাবান দিয়ে হাত পরিস্কার করতে অনুরোধ করেন।

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri