buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

চিনা সীমান্তে শক্তি বাড়াচ্ছে ভারত : যুদ্ধ বাধলে কতটা তৈরি ভারত ?

indian-army-2.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(২৯ মে) :: ডোকলাম নিয়ে ভারত-চিন বিবাদ শুরু হয়েছিল ২০১৭-য়। সে সময় কূটনৈতিক স্তরে সমঝোতা হয়েছিল দু’পক্ষের। তার পর কেটে গিয়েছে তিন বছর। এ বার লাদাখ-সহ একাধিক সীমান্ত এলাকায় দুই পরমাণু শক্তিধর প্রতিবেশীর মধ্যে নতুন করে বিরোধের সূত্রপাত। সীমান্তে সঙ্ঘাতের এই বাতাবরণ ঘিরেই উত্তেজনা বাড়ছে নয়াদিল্লি ও বেজিংয়ের মধ্যে। পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়েছে, চিনা প্রেসিডেন্ট চিনফিং সেনাকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেওয়ায়। চিনকে টক্কর দিতে কতটা তৈরি ভারত?

এদিকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর স্পর্শকাতর এলাকাগুলোয় ভারত বাড়তি সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি এই সিদ্ধান্তও হয়েছে, সামরিক প্রয়োজনে অবকাঠামো তৈরির চলমান প্রকল্পগুলো দ্রুত শেষ করা হবে। চীনের চাপে নির্মাণকাজ বন্ধ করে পিছু হটবে না।

লাদাখে সীমান্ত উত্তেজনা প্রশমনে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক মন্তব্যকে গুরুত্ব দিলেও ভারত এখনো তার অবস্থানে অটল। ভারত মনে করছে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা যেসব স্থানে লঙ্ঘিত হয়েছে, সেখান থেকে চীনা ফৌজ সরে না গেলে পরিস্থিতির বদল ঘটবে না।

চলতি মাসের শুরু থেকে ভারত-চীন সীমান্তের দুটি সেক্টরে উত্তেজনা ছড়ায়। ৫ মে লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় গালওয়ানে ভারতকে রাস্তা তৈরিতে চীনা ফৌজ বাধা দেয়। একই সময় প্যাংগং লেকে ভারতীয় টহলদারি দলকেও বাধা দেওয়া হয়। চার দিন পর ৯ মে সিকিম-তিব্বত সীমান্তে নাকুলায় মুখোমুখি দাঁড়িয়ে পড়ে দুই দেশের সেনারা। দুই সেক্টরেই দুই দেশের সেনারা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। ঢিল ছোড়াছুড়িও চলে। অভিযোগ, লাদাখে কয়েকজন ভারতীয় জওয়ানকে চীনারা আটকও করে রাখে। যদিও ভারত তা অস্বীকার করেছে।

করোনাকালে এই উত্তেজনা বাড়তি একটা সংকট সৃষ্টি করেছে। উত্তেজনার খবর পাওয়া মাত্র ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল নারভানে লাদাখের ফরোয়ার্ড সেক্টরে চলে যান। দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দফায় দফায় আলোচনায় বসেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল, চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত ও তিন বাহিনীর পদস্থ কর্তাদের সঙ্গে। ঠিক হয়, সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরে আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যা মেটাতে হবে। কিন্তু তা না হওয়া পর্যন্ত ভারতীয় সেনা তার বর্তমান অবস্থান থেকে সরবে না। অবিতর্কিত এলাকায় অবকাঠামো নির্মাণের কাজও বন্ধ করা হবে না।

আরও ঠিক হয়, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর চীন তার অংশে বাড়তি সেনা ও অস্ত্র মোতায়েন করলে ভারতও করবে। উপগ্রহ চিত্রে দেখা গেছে, চীন তাদের অংশে বেশ কিছু বাংকার ও নতুন ছাউনি তৈরি করেছে। তিব্বতের গারি গুনশা ঘাঁটিতে ব্যাপক নির্মাণকাজ চলছে। সেখানে কয়েকটি যুদ্ধ বিমানের উপস্থিতিও উপগ্রহ চিত্রে দেখা গেছে। ওই অঞ্চলে ওই সময়ে চীনা সামরিক হেলিকপ্টার একাধিকবার ভারতীয় সীমানায় ঢুকেছে বলেও ভারতের দাবি।

এই উত্তেজনার মাঝে চলতি সপ্তাহের শুরুতে চীন জানায়, ভারতে অবস্থানরত চীনা নাগরিকেরা চাইলে তাঁদের ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। মঙ্গলবার চীনা প্রেসিডেন্ট শি চিনফিং জানান, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাকে সব ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

বুধবার একই সঙ্গে দুটি বিবৃতি আসে। চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান সুর নরম করে বলেন, চীন-ভারত সীমান্ত পরিস্থিতি এখন স্থিতিশীল ও নিয়ন্ত্রণে। দুই দেশের সীমান্ত সমস্যা মেটানোর ব্যবস্থা যথেষ্ট ভালো। সামরিক ও কূটনৈতিক চ্যানেলও কার্যকর। কাজেই আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যা মিটবে। দিল্লিতে প্রায় একই সুরে কথা বলেন চীনা রাষ্ট্রদূতও।

তবে আগ্রহ সঞ্চারিত হয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য ঘিরে। এক টুইটে তিনি বলেন, ভারত ও চীন দুই দেশকেই বলেছি, সীমান্ত উত্তেজনা প্রশমনে আমেরিকা প্রস্তুত, ইচ্ছুক ও পারদর্শী।

করোনা সংকটের সময় সীমান্তে চীন কেন এভাবে সক্রিয়? সাবেক সেনাপ্রধান ভি কে সিং মনে করেন, করোনার দরুন প্রায় একঘরে চীন নজর ঘোরাতে আগ্রহী। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে চীন-বিরোধী জোটে ভারত শামিল হোক বেইজিং তা চায় না। তা ছাড়া এমনও মনে করা হচ্ছে, সীমান্তবর্তী এলাকায় সামরিক প্রয়োজনে ভারতের নানা ধরনের অবকাঠামো নির্মাণ চীনের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই ভারতকে তারা একটা বার্তা দিতে চাইছে।

যুদ্ধ বাধলে কতটা তৈরি ভারত?

চিনকে টক্কর দিতে কতটা তৈরি ভারত? এক নজরে দেখে নেওয়া যাক দেশের বিপুল অস্ত্র সম্ভার।
 PIC 1
ভারতের স্থল বাহিনী খুব গুরুত্বপূর্ণ। সেনা রয়েছে ১২ লক্ষ ৩৭ হাজারেরও বেশি। এ ছাড়াও সংরক্ষিত বাহিনী রয়েছে ৯ লক্ষ ৫০ হাজারেরও বেশি।
 PIC 2
অটোম্যাটিক কালাশনিকভ সিরিজের স্বয়ংক্রিয় রাইফেল ছাড়াও, ভারতের হাতে রয়েছে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্রের সম্ভার। তার মধ্যে রয়েছে টি ৯১অ্যাসল্ট রাইফেল, কার ৮১৬, টিআরজি এম ১০, এম ২৪৯, বিভিন্ন মডেলের মেশিন গান-সহ বহু আগ্নেয়াস্ত্র।
PIC 3
সম্মুখ সমরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র ট্যাঙ্ক। ভারতের হাতে রয়েছে অর্জুন, টি ৯০ ভীষ্ম, টি ৭২ অজেয়-এর মতো মেন ব্যাটল ট্যাঙ্ক। এ ছাড়াও রয়েছে টি ৫৫ ও বৈজয়ন্ত ট্যাঙ্ক। এ দেশে মোট ট্যাঙ্কের সংখ্যা পাঁচ হাজার ৯৭৮টি।
 PIC 4
বিপক্ষের ট্যাঙ্ক ধ্বংস করার জন্য ভারতের হাতে রয়েছে নাগের মতো বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র।
 PIC 5
এ ছাড়াও রয়েছে মেশিনগানবাহী গাড়ি। রয়েছে সাঁজোয়া গাড়ি। রয়েছে মাইনের মতো বিস্ফোরক সাফ করার যানও। রয়েছে মাইন বসানোর যানও। যুদ্ধক্ষেত্র থেকে আহতদের উদ্ধার করার জন্য তালিকায় রয়েছে আর্মার্ড অ্যাম্বুল্যান্সও।
 PIC 6
ভারতের হাতে রয়েছে ডিআরডিও-র তৈরি করা ২টি অ্যাডভান্সড টাওড আর্টিলারি সিস্টেম।
 PIC 7
ভারতের হাতে রয়েছে ১৪৫টি এম ৭৭৭ হাউইৎজার কামান। সেগুলি ২৪ থেকে ৩০ কিমি দূরে গোলাবর্ষণ করতে সক্ষম। এ ছাড়াও রয়েছে এম ৪৬ হাউইৎজার কামান, হুবিটস হাউইৎজার কামান ও ডি ৩০ হাউইৎজার কামান। সেগুলির সংখ্যা সবমিলিয়ে ১৮৬০টি। রয়েছে ধনুষ গোত্রের হাউইৎজার কামানও।
 PIC 8
সেনাবাহিনীতে এমকে সিরিজের ফিল্ড গান রয়েছে ১৭০০টি ও হালকা ফিল্ড গান রয়েছে ৭০০-র বেশি।
 PIC 9
ভারতের হাতে রয়েছে পিনাকা ও বিএম ২১ গোত্রের রকেট লঞ্চার সিস্টেম। সব মিলিয়ে সেই সংখ্যাটা ২০০-র বেশি।
 PIC 10
ভারতের যুদ্ধাস্ত্র সম্ভারের মধ্যে রয়েছে অমোঘ, নাগ, মিলান ২টি, কোমেল-সহ বিভিন্ন রকমের অ্যান্টি ট্যাঙ্ক মিসাইল।
 PIC 11
ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তিতে অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে ভারত। একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে ভারতের। এর মধ্যে অগ্নির সর্বোচ্চ পাল্লা নিয়ে ইতিমধ্যেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বেজিং। পাঁচ থেকে আট হাজার কিমি দূরে আঘাত হানতে সক্ষম অগ্নি ৫। এটা অন্তর্মহাদেশীয় গোত্রের মিসাইল। এ ছাড়াও রয়েছে ব্রহ্মস ও কে সিরিজের বিভিন্ন পাল্লার মিসাইল। রয়েছে অরিহন্ত গোত্রের সাবমেরিন থেকে ছোড়া যায় সাগরিকা নামের ক্ষেপণাস্ত্রও।
 PIC 12
এ ছাড়াও পৃথ্বী সিরিজ, প্রহার, নির্ভয়ের মতো নানা পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে ভারতের।
 PIC 13
বিভিন্ন রকমের ব্যালিস্টিক মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম রয়েছে ভারতের হাতে। রয়েছে ভূমি থেকে আকাশে ছোড়ার বিপুল ক্ষেপণাস্ত্রের সম্ভারও। রয়েছে অ্যান্টি এয়ারক্র্যাফ্ট আর্টিলারিও।
 PIC 14
স্থলের যুদ্ধের মতো আকাশ যুদ্ধের জন্যও বিপুল সম্ভার মজুত ভারতের হাতে। রয়েছে অ্যাপাশে, হ্যাল রুদ্র, হ্যাল ধ্রুব, হ্যাল লাইট কমব্যাট অ্যাটাক হেলিকপ্টার। এ ছাড়াও রয়েছে প্রয়োজন মাফিক বিভিন্ন কাজে ব্যবহারের জন্য একাধিক কপ্টার।
 PIC 15
নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি হ্যাল চিতা, ল্যান্সার, চেতক ও চেতনের মতো কপ্টার রয়েছে ভারতের কাছে। ঝুলিতে রয়েছে একাধিক আনম্যানড এরিয়াল ভেহিকলও।
 PIC 16
ভারতের ঝুলিতে রয়েছে ইজরায়েল থেকে আনা ফ্যালকন রাডার। এ ছাড়াও রয়েছে ইন্দ্র, রাজেন্দ্র, স্বাতী, রোহিণীর মতো অত্যাধুনিক রাডার সিস্টেমও।
 PIC 17
ডগফাইট হোক বা বোমাবর্ষণ, ভারতের বিমানবাহিনীতে রয়েছে বিভিন্ন অত্যাধুনিক বিমান। রয়েছে মিগ সিরিজের ১১৯টি বিমান। সুখোই ৩০ রয়েছে ২৭২টি। রয়েছে ৫১টি মিরাজ। এ ছাড়াও ১০৬টি জাগুয়ার ও হ্যাল তেজস রয়েছে ৫১টি। সব মিলিয়ে বিমানের সংখ্যা ৫৪৮টি। তবে এর বাইরেও পরিবহণ, এয়ারলিফট ইত্যাদির জন্য রয়েছে বেশ কিছু বিমান।
 PIC 18
ফ্রান্স থেকে ইতিমধ্যেই ভারতের হাতে এসে পৌঁছেছে তিনটি রাফাল যুদ্ধবিমান।
 PIC 19
এ ছাড়াও বিভিন্ন রকম যুদ্ধাস্ত্র মালপত্র বয়ে নিয়ে যাওয়া, বাহিনী নিয়ে যাওয়া ও নজরদারির জন্য বিভিন্ন বিমান রয়েছে। রয়েছে ১১টি সুপার হারকিউলিস ও ১১টি গ্লোবমাস্টারের মতো অত্যাধুনিক বিমানও।
 PIC 20
আইএনএস অরিহান্ত ও আইএনএস চক্র নামে দুটি পরমাণু শক্তিচালিত সাবমেরিন রয়েছে ভারতের। ভারতেই তৈরি হয়েছে আইএনএস অরিহান্তের মতো পরমাণু শক্তিচালিত সাবমেরিন। এটাই সবচেয়ে বড় সাবমেরিন।
 PIC 21
রাশিয়ার থেকে লিজে নেওয়া আইএনএস চক্র।
 PIC 22
ভারতের হাতে রয়েছে অত্যাধুনিক স্করপেন গোত্রের অ্যাটাক সাবমেরিন।
 PIC 23
ভারতের নৌবহরে রয়েছে ১৪টি সাধারণ সাবমেরিন। এগুলি ডিজেল-ইলেকট্রিক প্রযুক্তিতে চালিত। তার মধ্যে রয়েছে সিন্ধুঘোষ, শিশুমারের মতো অ্যাটাক সাবমেরিন।
 PIC 24
নৌবহরে রয়েছে বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রমাদিত্য।
 PIC 25
নৌবহরে মিসাইল ডেস্ট্রয়ার রয়েছে ১০টি।
 PIC 26
এ ছাড়াও নজরদারি, পাহারা ইত্যাদির জন্য ছোট-বড় বিভিন্ন আকারের জাহাজ রয়েছে ভারতীয় নৌসেনার। রয়েছে উভচর যুদ্ধজাহাজও।
 PIC 27
শুধুমাত্র পরমাণু বোমাই নয়, হাইড্রোজেন বোমা তৈরির প্রযুক্তি রয়েছে ভারতের হাতে। জানা গিয়েছে, ১১০টির মতো পরমাণু বোমা রয়েছে ভারতের হাতে।
 PIC 28
স্থল, জল ও অন্তরীক্ষ, এই তিনটি জায়গা থেকেই বিভিন্ন লক্ষ্যে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারে সক্ষম ভারত। তবে পরমাণু অস্ত্র নিয়ে ভারতের নীতি হল, নো ফার্স্ট ইউজ। অর্থাৎ প্রথমেই পরমাণু অস্ত্রের ব্যবহার নয়। প্রতিপক্ষ ওই অস্ত্র ব্যবহার করলে তবেই জবাব দেবে ভারত।
 PIC 29
ডিআরডিও-র তৈরি করা অগ্নি সিরিজের সব ক্ষেপণাস্ত্রই নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড বা পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম
 PIC 30
ভারতের হাতে রয়েছে অ্যান্টি স্যাটেলাইট মিসাইলের মতো উন্নততমর অস্ত্রও। এই রকম উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন নিয়ন্ত্রিত (গাইডেড) ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে মহাকাশে অবস্থিত কৃত্রিম উপগ্রহ ধ্বংস করা যায়। বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসাবে ভারতের কাছে এই প্রযুক্তি রয়েছে। ২০১৯-এ অ্যাস্যাট ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা করে ভারত।

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
en English Version bn Bangla Version
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri