buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

লা লীগায় আবারও ড্র করে বার্সেলোনার শিরোপা স্বপ্ন শেষ!

barca1.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(১ জুলাই) :: আরও একটি হতাশার গল্প ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনার জন্য। আবারও পয়েন্ট খুইয়েছে তারা। প্রতিপক্ষ যদিও শক্তিশালী অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ। তবে লা লিগায় টিকে থাকতে হলে এ ম্যাচ জয়ের বিকল্প ছিল না তাদের। সে কাজটি করতে পারেনি তারা। দুই দুইবার এগিয়ে থেকেই পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছাড়তে হয়েছে কাতালানদের। ন্যু ক্যাম্পে গুরুত্বপূর্ণ এ ম্যাচটি ড্র হয় ২-২ গোলে।

করোনাভাইরাসের কারণে বিরতির পর ফের খেলা শুরু হওয়ার পর শেষ চার ম্যাচে এটা তাদের তৃতীয় ড্র। এদিন জিতলে ক্ষণস্থায়ীভাবে শীর্ষে ফিরতে পারতো বার্সেলোনা। যদিও তা কেবল রিয়াল মাদ্রিদের পরবর্তী ম্যাচের আগ পর্যন্ত। তারপরও জয় পেলে কিছুটা হলেও চাপে থাকতো চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীরা। তবে পয়েন্ট খোয়ানোয় বড় সুবিধা পেল রিয়াল। একটি ম্যাচে হারলেও শীর্ষে থাকবে তারা। ৩২ ম্যাচেই তাদের সংগ্রহ ৭১ পয়েন্ট। অন্যদিকে এক ম্যাচ বেশি খেলা বার্সার সংগ্রহ ৭০ পয়েন্ট। তৃতীয় স্থানে থাকা অ্যাতলেতিকোর পয়েন্ট ৫৮।

মঙ্গলবার রাতে ন্যু ক্যাম্পে ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই পিছিয়ে পড়তে পারতো বার্সা। সাউলের নেওয়া ফ্রিকিকে পা ছোঁয়াতে পারলেই গোল পেতে পারতেন দিয়াগো কস্তা। কিন্তু অল্পের জন্য বলের নাগাল পাননি তিনি। দুই মিনিট পর ডি-বক্সের বাইরে থেকে অসাধারণ এক শট নিয়েছিলেন ইভান রাকিতিচ। তবে ঝাঁপিয়ে পড়ে তার শট ঠেকিয়ে দেন অ্যাতলেতিকো গোলরক্ষক জন ওবলাক।

১১তম মিনিটে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। মেসির নেওয়া কর্নার কিক ঠেকাতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন কস্তা। অথচ এর আগেই মেসির ফ্রিকিক একই জায়গা থেকে কর্নারের বিনিময়ে ঠেকিয়ে দেন এ ফরোয়ার্ড।

আর মিনিট পরই সমতায় ফেরে সফরকারীরা। সফল স্পটকিক থেকে দলকে সমতায় ফেরান সাউল নিগুয়েজ। ডি-বক্সের মধ্যে জানিক কারাস্কোকে ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। তবে এর আগে স্পটকিক নিয়েছিলেন কস্তা। তার শট ঠেকিয়ে দিয়েছিলেন বার্সা গোলরক্ষক মার্ক-আন্দ্রেস টের স্টেগেন। কিন্তু পরে ভিএআরে দেখা যায় কস্তা শট নেওয়ার আগেই গোললাইন থেকে এগিয়ে যান স্টেগেন। যে কারণে হলুদ কার্ডও দেখতে হয় তাকে।

২২তম মিনিটে দলকে এগিয়ে দেওয়ার দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন মেসি। রিকি পুচের কাটব্যাক থেকে পাওয়া বলে দারুণ এক শট নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। যত মিনিট পর জর্দি আলবার কাটব্যাক থেকেও ভালো সুযোগ ছিল মেসির। কিন্তু এবারও লক্ষ্যে শট নিতে পারেননি বার্সা অধিনায়ক। ৪২তম মিনিটে মেসির নেওয়া ফ্রিকিক এক খেলোয়াড়ের মাথায় লেগে দিক বদলে লক্ষ্যেই দিকেই যাচ্ছিল। শেষ মুহূর্তে ফিস্ট করে কর্নারের বিনিময়ে ফিরিয়ে দেন গোলরক্ষক ওবলাক।

দ্বিতীয়ার্ধের পাঁচ মিনিট পার হতেই ফের ব্যবধান বাড়ায় বার্সা। সফল স্পটকিকে দলকে এগিয়ে নেন বার্সা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ক্যারিয়ারে এটা তার ৭০০তম গোল। তবে ৫৫তম মিনিটে দিনের সেরা সুযোগটি নষ্ট করেন কস্তা। ডান প্রান্ত থেকে সান্তিয়াগো আরিয়াসের ক্রস একেবারে ফাঁকায় পেয়ে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তার হেড লক্ষ্যে থাকেনি। পরের মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ ছিল পুচের। মেসির বাড়ানো বলে পা ছোঁয়াতে পারলেই গোল পেতে পারতেন এ তরুণ।

তবে ৬২তম মিনিটে ফের সমতায় ফিরে অ্যাতলেতিকো। ডি-বক্সে কারাস্কোকে ফাউল করায় পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। আরও একটি সফল স্পটকিকে বল জালে জড়ান সাউল। যদিও ঝাঁপিয়ে পড়ে বল হাতে লাগিয়েছিলেন স্টেগেন। তবে শেষ রক্ষা করতে পারেননি। ৭৫তম মিনিটে আলবার ক্রস থেকে ফাঁকায় হেড দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন ভিদাল। কিন্তু লক্ষ্যে রাখতে পারেননি। এরপরও বেশ কিছু সুযোগ ছিল দুই দলের। কিন্তু কেউ জালের দেখা না পাওয়ায় ড্র মেনেই মাঠ ছাড়তে হয় তাদের।

মেসির ৭০০তম গোলের দিনে হতাশাও সঙ্গী থাকলো

মেসির ৭০০তম গোলের দিনে হতাশাও সঙ্গী থাকলো।

লা লিগার শিরোপা জেতার পথে আবারও ধাক্কা খেলো বার্সেলোনা। অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের সঙ্গে তারা ড্র করেছে ২-২ গোলে।রিয়াল মাদ্রিদ ১ পয়েন্টের ব্যবধান রেখে শীর্ষেই থাকলো। ৩৩ ম্যাচে বার্সার সংগ্রহ ৭০ পয়েন্ট আর ৩২ ম্যাচে রিয়ালের ৭১।

ন্যু ক্যাম্পে শুরুটা ভালো ছিল বার্সেলোনার। প্রতিপক্ষ তারকা ডিয়েগো কস্তার আত্মঘাতী গোলের সুবাদেই ১১ মিনিটে এগিয়ে যায় তারা। অবশ্য এই গোলটিতে কৃতিত্ব ছিল মেসির। তার কর্নার থেকে আসা বলটিই কস্তার গায়ে লেগে জড়ায় জালে। ১৯ মিনিটে সাউলের পেনাল্টি থেকে দ্রুতই সমতা ফেরায় অ্যাতলেতিকো।

বার্সার বিপক্ষে শুরুর দিকেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল অ্যাতলেতিকোর। কারাসকো বল বাড়িয়েছিলেন ঠিকই, কিন্তু পা লাগাতে পারেননি কস্তা।

বলতে গেলে ম্যাচটা পেনাল্টি পাল্টা পেনাল্টির মাঝেই সীমাবদ্ধ ছিল। তার ওপর অনেক দিন ধরে ৬৯৯ গোলে আটকে ছিলেন লিওনেল মেসি। অ্যাতলেতিকোর বিপক্ষে ৭০০তম ক্যারিয়ার গোল পূরণ করেছেন অবশেষে। তাও সেটা স্পট কিক থেকে পানেকা গোলেই। এছাড়া বার্সার হয়ে ৭২৪টি ম্যাচ খেলে পূরণ করেছেন ৬৩০তম গোল। তবে এই অগ্রগামিতাও ধরে রাখতে পারেনি বার্সা। ৬২ মিনিটে আবারও পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরান সাউল।

বার্সা শেষ পর্যন্ত ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়লেও ব্যক্তিগত অর্জনে তৃপ্ত হতে পারেন মেসি। ৭০০ গোলের মাইলফলকে কিংবদন্তিদের কাতারে চলে এসেছেন।

৮০৫ গোল ক্যারিয়ার গোল নিয়ে সবার উপরে আছেন চেক-অস্ট্রিয়ান জোসেফ বিকান। তার পরেই আছেন ব্রাজিল লিজেন্ড রোমারিও। তার গোল ৭৭২টি। তারই স্বদেশি আরেক কিংবদন্তি পেলে আছেন তৃতীয় স্থানে। পেলের গোল ৭৬৭টি। হাঙ্গেরির লিজেন্ড পুসকাস ৭৪৬ গোল নিয়ে এর পরেই রয়েছেন। সাবেক জার্মান স্ট্রাইকার ম্যুলার ৭৩৫ গোল নিয়ে সেরা পাঁচে রয়েছেন। ৭২৬ গোল নিয়ে ছয়ে রয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। এর পরেই মেসির স্থান। অবশ্য এমন অর্জনের দিনে দল না জেতায় হতাশাও মেসির সঙ্গী হয়ে থাকলো

ভবিষ্যৎ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী বার্সা কোচ

কিকে সেতিয়েন

সম্প্রতি ‘গৃহদাহের’ খবরে আবার আলোচনায় বার্সেলোনা। কোচ কিকে সেতিয়েনকে নিয়ে ঝামেলা বেঁধেছে মেসি-সুয়ারেসদের। সর্বশেষ অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্রয়ের পর আবারও আলোচনায় এলো সেতিয়েনের ভবিষ্যৎ। তবে বার্সা কোচ আবারও এড়িয়ে গেলেন নেতিবাচক সেসব খবর।সেল্তা ভিগোর বিপক্ষে ড্রয়ের পরই সুয়ারেস অভিযোগের আঙুলটা তুলেছিলেন কোচের দিকেই। বলেছিলেন, ‘ঘরের বাইরে অনেক পয়েন্ট হারিয়েছি, অন্য মৌসুমে এমনটা হতো না। আমার মনে হয় কোচরা পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্যই আছেন।’

অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে আবারও ড্র করায় চাপটা আরও বেড়েছে সেতিয়েনের ওপর। কিন্তু শেষ ৪ ম্যাচের ৩টিতে ড্র করেও ভবিষ্যৎ প্রশ্নে সেতিয়েন খুব আত্মবিশ্বাসী, ‘আমি মনে করি না, কোনও ধরনের ঝুঁকির মধ্যে আছি।’

তবে শেষ ম্যাচগুলোর ফলাফলের দিকে তাকিয়ে সেতিয়েন স্বীকার করেছেন, সংগ্রাম করতে হচ্ছে তার শিষ্যদের, ‘এটা সত্যিই লজ্জার ব্যাপার। যত দিন যাচ্ছে আমাদের সংগ্রামটা বৃদ্ধি পাচ্ছে।’

অ্যাতলেতিকোর বিপক্ষে পয়েন্ট হারিয়ে বার্সেলোনা শিরোপা লড়াই থেকে আরও পিছিয়ে পড়েছে। রিয়াল মাদ্রিদ ১ পয়েন্টের ব্যবধান রেখে শীর্ষে রয়েছে। ৩৩ ম্যাচে বার্সার সংগ্রহ ৭০ পয়েন্ট আর ৩২ ম্যাচে রিয়ালের ৭১। সেতিয়েন নিজেও মানছেন এভাবে পয়েন্ট খোয়ানো মানে শিরোপা থেকে দূরে সরে যাওয়া, ‘এভাবে পয়েন্ট খোয়ানো মানে আমরা শিরোপা থেকে আরও দূরে সরে যাচ্ছি। তবে আমাদের আরও চেষ্টা করে যাওয়া উচিত।’

এই ম্যাচে পয়েন্ট হারিয়েও হতাশ নন সেতিয়েন। তিনি বরং শিষ্যদের পারফরম্যান্সে খুবই খুশি, ‘আমি ওদের পারফরম্যান্সে খুবই খুশি। এটা সত্যি আমরা ম্যাচটা জিততে পারিনি, তবে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করেছি। তবে যারা শৃঙ্খলভাবে খেলে তাদের বিপক্ষে খেলাটা সহজ নয়। ’

 

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
en English Version bn Bangla Version
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri