buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

কক্সবাজার সদর হাসপাতালে শ্বাসকষ্টের চিকিতসা না পেয়ে এলজিইডি কর্মচারীর মৃত্যু : তদন্ত দাবী

suvash-da-2.jpg

কক্সবাংলা রিপোট(২ জুলাই) :: কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে আইসিইউ,হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা,ভ্যান্টিলেটার থাকা স্বত্বেও শ্বাসকষ্টজনিত কারণে চিকিতসা না পেয়ে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর(এলজিইডি) কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের কার্য-সহকারী সুভাষ হালদার।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টায় চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।সুভাষ চন্দ্র বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলার জানেরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিলো ৫০ বছর। তিনি স্ত্রী ও দুই পুত্র রেখে গেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজারে কর্মরত ছিলেন।

এলজিইডি‘র কর্মকর্তা সূত্রে জানা যায়, গত ১০/১২ দিন ধরে অসুস্থতা ভুগেন সুভাষ হালদার। প্রথম দিকে জ্বর হয়ে পরে শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি হয়। এর মধ্যে তাকে করোনা পরীক্ষা করা হলে গত ২৮জুন তার সে রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। এরপর তার শ্বাসকষ্ট আরও বেড়ে গেলে ওই দিনই তাকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে জরুরী বিভাগে নিয়ে আসা হয়।সেখানে প্রাথমিক চিকিতসায় তার শরীরের অক্সিজেনের মাত্রা মাত্র ৬০ ভাগ পায় ডাক্তাররা। এসময় শ্বাসকস্ট ও অক্সিজেন স্বল্পতার কারণে জরুরী বিভাগ থেকে তাকে ৫ম তলায় সাধারণ ওয়াডে রেফার করা হয়। এসময় ওয়াডে তাকে সাধারণ অক্সিজেন সরবরাহ করা হলে তা ৮১ ভাগে উঠে আসে। পরে ওইদিনই ডাক্তাররা তার কিছু পরীক্ষা দিলে সন্ধ্যায় সে রিপোট চলে আসে। পরের দিন ডাক্তাররা তার রিপোট দেখে জানায় তার ফুসফুসে নিউমোনিয়া হয়েছে। এভাবে তাকে ৩৬ ঘন্টা ৫ম তলার বেডে রেখে দেওয়া হয় এবং তার শরীরের অক্সিজেনের মাত্রা ৮১ ভাগই বিদ্যমান ছিল।কিন্তু তখনও পযর্ন্ত তাকে উন্নত চিকিতসা দেয়া হয়নি।

তবে পরিবারের অভিযোগ,৩৬ ঘন্টা হাসপাতালে থাকলেও তাকে কোন উন্নত চিকিতসা দেয়নি হাসপাতাল কতৃপক্ষ। যখন শরীরের অক্সিজেনের মাত্রা কম ছিল(৮১ ভাগ) তখন দরকার ছিল হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা দিয়ে দ্রুত অক্সিজেন দিয়ে শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিকে(৯৫ ভাগে) আনা। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে সদর হাসপাতাল কতৃপক্ষ সেটি সরবরাহ করেনি। উপরন্তু কোন চিকিতসা না দিয়ে তাকে চট্রগ্রাম মেডিকেলে রেফার করে দেন সদর হাসপাতাল কতৃপক্ষ। কিন্তু ততক্ষণে তার শরীরের অক্সিজেন মাত্রা আরও কমে যায় এবং অবণতি হয়। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে নেয়ার পরই মৃত্যূবরণ করেন সুভাষ হালদার।

এদিকে কক্সবাজার এলজিইডি বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অভিযোগ সদর হাসপাতালে আইসিইউ,হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা, ভ্যান্টিলেটার থাকা স্বত্বেও শ্বাসকষ্টজনিত কারণে সুভাষ হালদারের মৃত্যূকে তারা কোনভাবে মেনে নিতে পারছেন না।হাসপাতালে সব ধরনের সুবিধাদি থাকা স্বত্বেও কেন তাকে উন্নত চিকিতসা দেয়া হল না। সদর হাসপাতাল কতৃপক্ষের অবহেলাতেই তার মৃত্যূ হয়েছে। তারা এর সুষ্ঠ তদন্ত দাবী করেছেন।

এ ব্যাপারে জানতে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়কে ডা: মহিউদ্দিনের মুঠোফোনে কয়েকবার চেষ্টা করা স্বত্বওে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

অপরদিকে কক্সবাজার এলজিইডি বিভাগের কার্য-সহকারী সুভাষ হালদারের মৃত্যুতে জেলা এলজিইডি বিভাগের কর্মরত সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সবাই তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
en English Version bn Bangla Version
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri