buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

বাংলাদেশে মানি লন্ডারিংয়ের ঝুঁকি বেড়েছে

taka-dolar.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(২৭ জুলাই) :: সুইজারল্যান্ডের সুইস ফাউন্ডেশন পরিচালিত গবেষণা সংস্থা ব্যাসেল ইনস্টিটিউট অন গভর্নেন্সের এক জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে মানি লন্ডারিংয়ের ঝুঁকি বেড়েছে। পাশাপাশি মানব পাচারে উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে দক্ষিণ এশিয়া। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানি লন্ডারিং নিয়ে কাজ করা এই সংস্থাটি গত সপ্তাহে এ জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

সংস্থাটির মতে, মানি লন্ডারিংয়ের ঝুঁকি বেড়েছে বাংলাদেশে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ থেকে মানব পাচারের মতো ঘটনা বেড়েছে। মানব পাচার আর আমদানি-রপ্তানির আড়ালে অর্থ পাচার করা হচ্ছে। এর ফলে সুইস ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ কমছে না। যদিও পার্শ্ববর্তী অনেক দেশের ক্ষেত্রেই সুইস ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ দ্রুত কমছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জরিপের ক্ষেত্রে তারা একটি দেশের ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্কফোর্স (এফএটিএফ) ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল, দ্য ওয়ার্ল্ড ব্যাংক অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের কাছ থেকে তথ্য নিয়েছেন। এক্ষেত্রে ১৬ ধরনের নির্দেশককে বিবেচনায় নেওয়া হয়। এ ছাড়া একটি দেশের আরও পাঁচটি ক্ষেত্রকে বিবেচনা করা হয়। যেগুলোর মধ্যে রয়েছে মানি লন্ডালিংয়ের সার্বিক অবস্থা, ঘুষ ও দুর্নীতি, আর্থিক স্বচ্ছতা ও মানদন্ড, সরকারি কেনাকাটা ও জবাবদিহিতা এবং আইন ও রাজনৈতিক ঝুঁকি।

জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি অর্থ পাচার এবং সন্ত্রাসবাদী অর্থায়ন ঝুঁকির দিক থেকে বিশ্বের শীর্ষ ৪০ দেশের তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ বিশ্বের ১৪১টি দেশের মধ্যে মানি লন্ডারিং ঝুঁকির তালিকায় বর্তমানে ৩৮ নম্বরে রয়েছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্কোর ৫.৮৮। এর আগের সংস্করণে (জরিপে) বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৫.৮০। এতে বাংলাদেশের মানি লন্ডারিং ঝুঁকি প্রতিবছর বাড়ছে বলে মনে করে সংস্থাটি।

সূত্র জানায়, জরিপের সময় সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে সরকারি কেনাকাটায় অনিয়ম-দুর্নীতি বেড়ে যাওয়া, আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে অনিয়ম, মানব পাচারের দায়ে এমপি পাপুলের কুয়েতে আটক হওয়ার বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, এখানে যে দেশের স্কোর যত কম, সে দেশের মানি লন্ডারিং ঝুঁকিও তত কম। অথচ গত বছর এই সংস্থাটির বিচারে মানি লন্ডারিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ৪৫তম। আর ২০১৭ সালে অবস্থান ছিল ৮২তম।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তান। আর দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর মধ্যে পাকিস্তান, মিয়ানমার ও চীন রয়েছে বাংলাদেশের ওপরে। ভারতের অবস্থান ৭০তম। সবচেয়ে কম ঝুঁকিতে রয়েছে এস্তোনিয়া, অ্যান্ডোরা ও ফিনল্যান্ড। শুধু তাই নয়, দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলটি মানব পাচারেরও উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে অঞ্চলভিত্তিক বিভাজনে দক্ষিণ এশীয় অঞ্চল সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ স্কোর অর্জন করেছে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে জানতে চাইলে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, পাচার বেড়ে যাওয়া কিংবা মানি লন্ডারিংয়ের ঝুঁকি বাড়া অবশ্যই দেশের জন্য অসম্মানজনক। এটা দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করে। মানি লন্ডারিং কমাতে সবার আগে দরকার সরকারের সদিচ্ছা। এরপর দরকার আর্থিক খাতের নজরদারি। এ খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে না পারলে মানি লন্ডারিং কমানো কঠিন।

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)-এর একজন পদস্থ কর্মকর্তা বলেন, আমাদের দেশের ঝুঁকি বেড়েছে এটা ঢালাওভাবে বিচার করলে হবে না। তাদের প্রতিবেদনটা তারা কী কী প্রক্রিয়া অনুসরণ করে করেছেন- সেটা আমরা দেখব। আমরা কিন্তু বিশ্বাস করি আমাদের ঝুঁকি কমেছে।

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
en English Version bn Bangla Version
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri