কক্সবাংলা ডটকম(২৫ নভেম্বর) :: যুক্তরাজ্যে আশ্রয়ের জন্য গত জুন পর্যন্ত এক বছরে সাড়ে ছয় হাজারের বেশি বাংলাদেশি আবেদন করেছেন।
দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্প্রতি প্রকাশিত এক পরিসংখ্যানে এসব তথ্য উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
এছাড়া আশ্রয়প্রার্থীর হার বেশি এমন দেশগুলোর নাগরিকদের বৈধপথে ভ্রমণের ক্ষেত্রে ভিসা প্রদানে কঠোরতা আরোপ করা হতে পারে বলেও জানিয়েছে দেশটির মন্ত্রণালয়
ওই পরিসংখ্যানের সবশেষ উপাত্ত অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত ১২ মাসে বিভিন্ন দেশের এক লাখ ১১ হাজার ৮৪ জন যুক্তরাজ্যে আশ্রয় আবেদন করেছেন, ২০০১ সাল থেকে নথিবদ্ধ হিসাবে যা সর্বোচ্চ৷
এই আবেদনকারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১১ হাজার ২৩৪ জন বা ১০ শতাংশ পাকিস্তানি৷ এছাড়া ৮,২৮১ জন (৭.৫%) আফগান, ৭,৭৪৬ জন (৭%) ইরানিয়ান এবং ৭,৪৩৩ জন (৬,৭%) ইরিত্রিয়ান৷
এই তালিকায় পঞ্চম অবস্থানে রয়েছেন বাংলাদেশিরা। চলতি বছর জুন পর্যন্ত ১২ মাসে ৬,৬৪৯ জন বাংলাদেশি যুক্তরাজ্যে আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেছেন৷ মোট আশ্রয় আবেদনের মধ্যে বাংলাদেশিদের হার ছয় শতাংশ।
এক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকিতে থাকা ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর ১৩৪ জন, নামিবিয়ার ১০৪ জন এবং অ্যাঙ্গোলার রয়েছেন ২৭জন।
উল্লিখিত সময়ে ৯০ হাজার ৮১২ জন তাদের আশ্রয় আবেদনের প্রাথমিক ফলাফলের অপেক্ষায় ছিলেন৷ এর মধ্যে পাকিস্তানে আট হাজার ২০০ জন, সিরিয়ার রয়েছেন সাত হাজার ৩৩১ জন৷
আশ্রয় আবেদনের ফলাফল জানার অপেক্ষমান তালিকায় বাংলাদেশিরা রয়েছেন তৃতীয় অবস্থানে৷ ছয় হাজার ৮৩৮ জন বাংলাদেশি এখনও তাদের আশ্রয় আবেদনের প্রাথমিক ফলাফল জানতে পারেননি৷
অপেক্ষমান তালিকায় থাকাদের মধ্যে এই সংখ্য সাড়ে সাত শতাংশ৷ তালিকায় বাংলাদেশের পরে রয়েছেন আফগান (৬৭৮৪ জন) ও ভারতীয়রা (৫০৭৩ জন)৷
পরিসংখ্যান প্রকাশের পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘অবৈধ অভিবাসী ও অপরাধীদের’ ফেরত নিতে সহায়তা না করলে দেশগুলোর উপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার হুমকি দিয়েছে৷
সম্প্রতি আফ্রিকার কয়েকটি দেশের নাম উল্লেখ করে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘অবৈধ ও অপরাধী’ নাগরিকদের ফেরত না নিলে সেসব দেশের উপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেয়া হবে৷ পরবর্তী ধাপে অন্যান্য দেশও এই ধরনের কঠোর নীতির লক্ষ্যবস্তু হতে পারে৷ আশ্রয়প্রার্থীর হার বেশি এমন দেশগুলোর নাগরিকদের বৈধপথে ভ্রমণের ক্ষেত্রে ভিসা প্রদানে কঠোরতা আরোপ করা হতে পারে।














