কক্সবাংলা ডটকম(২০ ফেব্রুয়ারী :: বাংলাদেশে ভোটের পরে আওয়ামি লিগ ও তাদের সহযোগী দলের বন্ধ দপ্তরগুলি একে একে খুলতে শুরু করেছে।
তবে দরজার তালা খোলা হলেও কোনও দপ্তরেই দলের নেতা-কর্মীরা বসছেন না।
কোথাও আবার দপ্তর খোলার পরে সেগুলিতে ফের হামলা, পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। দলের দপ্তর খোলার অভিযোগে আওয়ামি লিগ, ছাত্রলিগের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে কয়েকটি জেলায়।
জেলায় জেলায় আওয়ামি লিগের দপ্তর খোলার পেছনে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির ‘গ্রিন সিগন্যাল’ রয়েছে বলে মনে করছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও সংসদের বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
তাঁর দাবি, ‘বিএনপির সবুজ সঙ্কেত’ ছাড়া আওয়ামি লিগ এই কাজ করার সাহস পেত না।
১২ ফেব্রুয়ারির ভোটে নয়াদিল্লি, আওয়ামি লিগ ও বিএনপির মধ্যে এক ধরনের যোগসাজশ ছিল।
আওয়ামি লিগের খুলে দেওয়া দপ্তরগুলি অবিলম্বে প্রশাসনিক ভাবে বন্ধ করায় যদি সরকার ব্যর্থ হয়, তা হলে আমরা রাজনৈতিক ভাবে প্রতিরোধের ডাক দেব।
ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসনের দায়ে এই সরকারকে আমরা কাঠগড়ায় দাঁড় করাব।’
টানা দেড় বছর ধরে বন্ধ থাকার পরে বৃহস্পতিবার ভোরে টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা আওয়ামি লিগের দপ্তরের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন দলের নেতাকর্মীরা।
ভাইরাল ভিডিয়োয় (সত্যতা যাচাই করা যায়নি) দেখা যায়, আওয়ামি লিগ দপ্তরের প্রধান ফটকের সামনে ১০–১৫ জন নেতাকর্মী জড়ো হয়ে প্রথমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
পরে ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’ লেখা একটি ব্যানার টাঙিয়ে দেন।
স্থানীয় নেতা সাইফুল ইসলাম তালুকদার সুরুজের সংক্ষিপ্ত বক্তৃতার পরে উপস্থিত নেতাকর্মীরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ফিরে যান।
এর কিছু ক্ষণ পরেই একদল বিক্ষুব্ধ যুবক আওয়ামি লিগ দপ্তরের সামনে টাঙানো ব্যানার খুলে দেয়। পুলিশ বলেছে, তারা সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।
এ দিন ভোর রাতে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামি লিগের দপ্তরে অভিযান চালিয়ে দপ্তরের ভিতরে থাকা কয়েদে আজম বাচ্চু (২৬) নামে এক কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
দু’দিন আগে এই দপ্তরটি খুলেছিলেন স্থানীয় আওয়ামি লিগ নেতা-কর্মীরা।














