আবু হেনা সাগর,ঈদগাঁও :: কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলায় দ্বিগুন দামে বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার গ্যাস। রমজান মাসে চরম বিপাকে পড়েছেন গ্রাহকরা।
১২ কেজির সিলিন্ডার গ্যাস নানা দামে বিক্রি চলছে। নেই কোন নিদিষ্ট মূল্য তালিকা। যার ফলে গ্রাহকরা বার বার হয়রানীর শিকার হচ্ছে।
চড়া দামের ফলে বাসাবাড়ি ও হোটেল-রেস্তোরাঁর গ্যাস সিলিন্ডারের রান্না নিয়ে নানাভাবে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এসব সমস্যায় দেখার যেন কেউ নেই।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু-নজর দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।
ঈদগাঁও উপজেলায় বিভিন্ন নামের গ্যাস সিলিন্ডার ডিলারেরা বিভিন্ন দামে বিক্রি করছে সিলিন্ডার গ্যাস। যার ফলে ৫০/১০০ টাকা বাড়িয়ে বিক্রি করছে খুচরা ব্যবসায়ীরা।
এতে গ্রাহকদের ভোগান্তির পাশাপাশি বাড়ছে চরম অসন্তোষও।
সোমবার (২৩ ফ্রেরুয়ারী) দুপুরে উপজেলার ঈদগাঁও বাজারে সিলিন্ডার বিক্রির দোকান ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
জানা যায়, ঈদগাঁও জুমবাড়ী মসজিদের পাশ্ববর্তী, আলমাছিয়া মাদ্রাসা সড়কে ও আধুনিক হাসপাতাল সংলগ্ন পয়েন্টে বিভিন্ন নামীয় কোম্পানির গ্যাস সিলিন্ডারের ডিলার রয়েছে।
বিক্রয়ে ডিলারে নেই কোন নিয়মনীতি। এক ডিলারে পেট্রো ম্যাক্স বিক্রি করছে ১৬শত, অন্য ডিলারে এলপি বিক্রি করছে ১৭শ টাকা, টোটাল ১৭শ ৫০টাকা।
খুচরা দোকানদার বিক্রি করছে ২০মুখ (টোটাল) ১৮শত টাকা, ফ্রেস ১৭শ ৫০টাকা, এলপি ১৮শত টাকা,২০ মুখ (ইউনিক) ১৯শত টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।
পূর্বের দামের চেয়ে বর্তমানে প্রতি সিলিন্ডারে ২শ থেকে ৩শ টাকা বেশি দাম নিচ্ছে। যার ফলে খুচরা বিক্রেতাসহ গ্রাহকরা বেকায়দায় পড়েছে।
খুচরা বিক্রেতা আবছার জানিয়েছেন,ডিলার নানা দামে সিলিন্ডার বিক্রি করছে। কেনা দর থেকে ৫০/১০০ টাকা লাভে গ্যাস বিক্রি করে যাচ্ছি।
ডিলার সূত্রে জানা যায়, কাঙ্ক্ষিত পরিমান গ্যাস সিলিন্ডার না পাওয়ায় আসা যাওয়া খরছসহ দাম বেশি পড়ে।
অন্যদিকে বহু বাসাবাড়ীতে বাধ্য হয়ে রাইস কুকার, বৈদ্যুতিক চুলা ও গ্রামীন মাটির চুলা ব্যবহার করে যাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে।
এক গৃহবধু জানান, পূর্বে সিলিন্ডার ব্যবহার করতাম। বেশি দামের কারনে এখন মাটির চুলা ব্যবহার করে যাচ্ছি। এরকম বহু পরিবারের একই অবস্থা।
ভোক্তাদের মতে, বাসাবাড়িতে রান্নার একমাত্র ভরসা গ্যাস। অতিরিক্ত দামের ফলে অনেক পরিবার চরম বিপাকে পড়েন।
বিশেষ করে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য পরিস্থিতি কঠিন হয়ে উঠেছে।













