সোমবার ২ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২ ফাল্গুন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইডেনে রুদ্ধশ্বাস জয়ে টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিতে ভারত : ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিদায়

🗓 Sunday, 1 March 2026

👁️ ২৮ বার দেখা হয়েছে

🗓 Sunday, 1 March 2026

👁️ ২৮ বার দেখা হয়েছে

কক্সবাংলা ডটকম :: কখনও ম্যাচের পাল্লা ঝুকেছে ভারতের দিকে, কখনও আবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের।

ক্রিকেটের নন্দনকানন সাক্ষী থাকল আরও এক ঐতিহাসিক ম্যাচের।

ইডেনে টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার এইটের শেষ ম্যাচে রুদ্ধশ্বাস ক্রিকেট দেখল গোটা দুনিয়া।

আর শেষ পর্যন্ত জয়ের হাসি হাসল টিম ইন্ডিয়া। সৌজন্যে সঞ্জু স্যামসনের স্মরণীয় ইনিংস।

ইনিংসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ভারতকে জয় এনে দেন সঞ্জু। দেশকে সেমিফাইনালে তুলে সমালোতকদের জবাব দিলেন সঞ্জু।

খেললেন ৫০ বলে ৯৭ রানের ইনিংস। ৪ বল বাকি থাকতে ৫ উইকেটে জয় তুলে নেয় ভারত। সেমিতে ভারতের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড।

ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৯৫ রানের বিশাল স্কোর করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দলগত ইনিংসেই ভারতের জন্য বিশাল টার্গেট সেট করে ক্যারিবিয়ানরা।

সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন রস্টন চেজ। এছড়া শাই হোপ করেন ৩২ রান। ঝোড়ো ইনিংস খেলেন শিমরন হেটমায়ার, জেস হোল্ডার ও রভম্যান পাওয়েল।

হেটমায়ার ২৭, হোল্ডার ৩৭ ও পাওয়েল ৩৪ রান করেন। ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ ২টি উইকেট নেন জসপ্রীত বুমরাহ।

রান তাড়া করতে নেমে সঞ্জু স্যামসনকে শুরু থেকেই ছন্দে পাওয়া যায়। একের পর এক মারকাটারি শট খেলেন তিনি। কিন্তু ভাল শুরু করেও এদিন বড় স্কোর করতে ব্যর্থ হন অভিষেক শর্মা।

ওপেনিং জুটিতে ২৯ রানের পার্টনারশিপ হয় ভারতের। ১০ করে আউট হন অভিষেক। এরপর ইশান কিশানও এসে মাকাটারি ব্যাটিং করতে গিয়ে দ্রুত আউট হন। তিনিও করেন ১০ রান।

এরপর দলের ইনিংসের রাশ ধরেন সঞ্জু স্যামসন ও সূর্যকুমার যাদব। শুরুতে একটি ঠান্ডা মাথায় ব্যাট করলেও সেট হতেই দ্রুত গতিতে রান তুলতে শুরু করেন সূর্য ও সঞ্জু জুটি।

৫০ রানের পার্টনারশিপও পূরণ করেন। ২৬ বলে নিজের হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন। কিন্তু তারপরও আউট হন সূর্যকুমার যাদব। ১৮ রান করেন তিনি।

এরপর ক্রিজে এসে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন তিলক বর্মা। সঞ্জু স্যামসনের সঙ্গে দ্রুত ৪২ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। কিন্তু ১৫ বলে ২৭ রানের ইনিংস খেলে আউট হন তিলক।

এরপর হার্দিক পান্ডিয়া ও সঞ্জু স্যামসন মিলে এগিয়ে নিয়ে যান দলের স্কোরবোর্ড। অতিরিক্ত ঝুঁকি না নিয়ে স্মার্ট ক্রিকেট খেলে ওভার পিছু প্রয়োজনীয় রানরেট কমাতে থাকে ভারত।

শেষ ২ ওভারে ভারতের জয়ের জন্য দরকার ছিল ১৭ রান। কিন্তু হার্দিক ১৭ রান করে আউট হতে কিছুটা চাপ বেড়েছিল।

কিন্তু শিবম দুবে এসে দুটি চার প্রেসার রিলিজ করে। শেষ ওভার দরকার ছিল ৭ রান। শেষ ওভারে পরপর ৬ ও ৪ মারে ম্যাচ ফিনিশ করেন সঞ্জু।

 

এই বিভাগ এর আরো খবর

সর্বাধিক পঠিত খবর

এই বিভাগের আরো খবর