কক্সবাংলা ডটকম :: ছোট পর্দার অভিনেতা মিশু সাব্বির এখন কানাডা থাকেন। সেখানে চাকরি করার পাশাপাশি করছেন অভিনয়ও। কাজল আরেফিন অমির ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর পাশাপাশি কানাডার ‘গুড ডিড ব্যাড ডিড’ নামের একটি সিরিজ করছেন তিনি। অভিনেতার সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে সাক্ষাতকারে যা বললেন…..
কানাডায় কেমন আছেন?
আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। এখানে এখন ফজরের সময়, নামাজ পড়লাম মাত্র। এখানে মায়ের কাছে আছি, আর কী লাগে! মানুষ মায়ের টানে বিদেশ থেকে দেশে ফেরে আর আমি দেশ থেকে বিদেশ এলাম। এখানে আমার ভাইসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা আছে। সবাই মিলে আনন্দের সঙ্গেই আছি।
কত দিন হলো কানাডা আছেন?
আড়াই বছর হলো। মিডিয়া না জানলেও আমার কাছের বন্ধুবান্ধব সবাই জানতেন আমি কানাডা আসব। আগেই করপোরেট জব করার দক্ষতা ছিল।
অভিনয়ে দারুণ ব্যস্ততা ছিল আপনার। কানাডা না গেলে হতো না?
কিছুটা মনোটনাস হয়ে পড়ছিলাম। কাজল আরেফিন অমি ছাড়া ভালো প্রোডাকশন পাচ্ছিলাম না খুব একটা। নির্মাতারা বাজেট পেতেন না। ফলে সস্তা গল্প নিয়ে হাজির হতেন আমার কাছে। করতামও।
ব্যাচেলর পয়েন্টে এখনো মাঝেমধ্যে আপনাকে ভিডিও কলে পাওয়া যায়…
হ্যাঁ। বাংলাদেশ থেকে আমাকে অমি বলে দেয় দৃশ্যগুলো, আমি দায়িত্ব নিয়ে এখান থেকে শুট করে পাঠাই। পেশাদার লাইট, ক্যামেরাও থাকে। আসলে সিরিজটি ব্যাচেলর বাসার চরিত্র ও ঘটনাবলি নিয়ে। এখানে আলাদা করে একটা চরিত্রকে বিশদ করে দেখানোর উপায় নেই। যখন রুমমেটরা আমার প্রসঙ্গে কথা বলে, আমাকে টানে তখনই ভিডিও কলে যুক্ত হই।
সিরিজটা মিস করেন না?
একটু তো খারাপ লাগে। শুটিংয়ের বাইরেও আমরা ভালো একটা টিম। সবাই সবার খুব কাছের। তবে কানাডায় যে ব্যস্ত সময় পার করছি তাতে খুব বেশি মন খারাপ করার সময় হয়ে ওঠে না।
ওখানে তো ‘গুড ডিড ব্যাড ডিড’ নামের একটা সিরিজ করছেন…
হ্যাঁ। নিয়াজ কামরান আবির পরিচালনা করছেন। এর মধ্যে তিনটি পর্ব প্রকাশিত হয়েছে এনকেএ ফিল্মসের ইউটিউব চ্যানেলে। একদম নতুন একটা চ্যানেল। অথচ প্রথম পর্বই ওয়ান মিলিয়ন ভিউ পেয়েছে। সিরিজটিতে আমি ছাড়া চেনা মুখ তেমন নেই। অন্যদের ক্যামেরার সামনে কাজ করাটাও আমি শিখিয়েছি। বলতে পারেন দারুণ এক অভিজ্ঞতা। সামনে আরো পর্ব আসবে।
সিরিজটির গল্প কী নিয়ে?
প্রবাসী স্টুডেন্টদের গল্প। এখানে [কানাডা] জীবনটা কিন্তু সহজ নয়। চাইলেই আপনি বড় একটা চাকরি পেয়ে যাবেন, তেমন নয়। দেখা গেছে, সারা দিনে একটা স্যান্ডউইচ খেয়ে একজন স্টুডেন্ট হোটেলে বয়ের কাজ করছে। অথচ সে দেশে থাকলে কী খাবে, কী খাবে না তা নিয়ে মায়ের চিন্তার সীমা থাকত না। এখন থেকে আসলে সেই কাজগুলোই করতে চাই যেখানে মেসেজ থাকবে। আর যা-ই হোক, দেশের প্রতি, সমাজের প্রতি একটা দায়িত্ব তো আছে।
দেশে ফেরার পরিকল্পনা আছে?
আপাতত কাজের চাপ অনেক। দু-এক বছরে ছুটি পাব না। আগে ছুটি ম্যানেজ করি, তারপর না হয় সিদ্ধান্ত নেব।













